আগামী অক্টোবরে হংকংয়ের বিপক্ষে এশিয়ান কাপের বাছাই পর্বের ম্যাচ রয়েছে বাংলাদেশের। এই ম্যাচের প্রস্তুতির অংশ হিসেবে ফিফা উইন্ডোতে নেপালের বিপক্ষে দুটি প্রীতি ম্যাচ খেলছে বাংলাদেশ। আজ প্রথম প্রীতি ম্যাচে মুখোমুখি হবে দুদল। কাঠমান্ডুর দশরথ রঙ্গশালা স্টেডিয়ামে বাংলাদেশ সময় সন্ধ্যা ৫টা ৪৫ মিনিটে শুরু হবে ম্যাচটি।
নানা কারণে বাংলাদেশের জন্য নেপাল ম্যাচটি চ্যালেঞ্জের হতে যাচ্ছে। ঘরের মাঠে নেপাল সব সময় শক্ত প্রতিপক্ষ। এটি মানছেন বাংলাদেশ অধিনায়ক জামাল ভূঁইয়াও। তিনি বলেন, ‘আমার মনে হয় নেপাল আরও শক্তিশালী হয়েছে। বিশেষ করে সিঙ্গাপুরের বিপক্ষে ওদের পারফরম্যান্স দেখে বোঝা যায়।’ তবে জয়ের লক্ষ্য নিয়েই মাঠে নামবে বাংলাদেশ। জামাল বলেন, ‘আমরা জিততে এসেছি। একইসঙ্গে ভালো পারফরম্যান্স করতে এবং নিজেদের ও দর্শকদের দেখাতে যে আমরা উন্নতি করছি।’ সম্প্রতি দলে থাকলেও গুরুত্বপূর্ণ ম্যাচে একাদশে জায়গা পান না জামাল। এবার নেপালের বিপক্ষে একই ঘটনা ঘটবে না তো? জামাল বলেন, ‘খেলব কি খেলব না, সেটা আমার হাতে নেই।’
এদিকে, নেপাল ম্যাচে চ্যালেঞ্জ দেখছেন বাংলাদেশ কোচ হাভিয়ের কাবরেরাও। তিনি বলেন, ‘অনেকদিন ধরে আমরা নেপালের সঙ্গে প্রীতি ম্যাচ খেলার চেষ্টা করছিলাম। আমার মনে হয়, দুটো দলই সমপর্যায়ের, একই ধরনের পরিস্থিতির মধ্য দিয়ে যাচ্ছে। নিজেদের যাচাই করার জন্য ম্যাচটিতে দারুণ চ্যালেঞ্জ হবে। তবে ম্যাচ দুটি নিয়ে আমরা খুবই ইতিবাচক ও রোমাঞ্চিত।’ সর্বশেষ তিন বছর আগে (২০২২ সালে) নেপাল সফরে ৩-১ গোলে হেরেছে বাংলাদেশ। এ ম্যাচে কোচ ছিলেন কাবরেরাই। অতীত অভিজ্ঞতা থেকে এই স্প্যানিশ কোচ বলেন, ‘তখন আমরা হাফটাইমে ৩-০ গোলে পিছিয়ে ছিলাম। সত্যিই কঠিন ছিল। আমরা এবারও খুব শক্ত প্রতিপক্ষ আশা করছি। তবে বিশ্বাস করি, এবার আমরা আরও ভালো করবো।’
হামজা-শমিতদের ছাড়াই নেপালের বিপক্ষে খেলছে বাংলাদেশ। তারপরও বাংলাদেশকে শক্ত প্রতিপক্ষ মনে করছে নেপাল। দলটির অস্ট্রেলিয়ান কোচ ম্যাট রস জনান, ‘বাংলাদেশের বিপক্ষে দুটি প্রীতি ম্যাচের জন্য আমরা ভালো প্রস্তুতি নিয়েছি। আশা করছি, দর্শকদের সামনে কঠিন একটি ম্যাচ হবে।’ এ পর্যন্ত বাংলাদেশ ও নেপাল ২৪টি ম্যাচ খেলেছে। বাংলাদেশের জয়ের সংখ্যা ১৩। আর নেপাল জিতেছে ৮টি ম্যাচে। দুদলের বাকি ৩টি ম্যাচ ড্র হয়েছে।
আমার দেশের খবর পেতে গুগল নিউজ চ্যানেল ফলো করুন

