ব্র্যাডম্যানদের কাতারে শুবমান গিল

ব্র্যাডম্যানদের কাতারে শুবমান গিল

ইংল্যান্ডের বিপক্ষে হেডিংলি টেস্টের পর এজবাস্টনেও সেঞ্চুরি পেয়েছেন ভারতীয় অধিনায়ক শুভমান গিল। আর তাতেই ইতিহাসের পাতায় নাম তুলে ফেললেন ভারতীয় তরুণ। সফরকারী অধিনায়ক হিসেবে ইংল্যান্ডে একই সিরিজে প্রথম ও দ্বিতীয় টেস্টে সেঞ্চুরি করা মাত্র নবম ক্রিকেটার হলেন গিল। এই তালিকায় আছেন স্যার ডন ব্র্যাডম্যানও।

বুধবার এজবাস্টনে সিরিজের দ্বিতীয় টেস্টের প্রথম দিনেই অপরাজিত ১১৪ রান করেন গিল। এর আগে হেডিংলিতে সিরিজের প্রথম টেস্টে করেছিলেন ১৪৭ রান। এই দুর্দান্ত পারফরম্যান্সে গিল উঠে গিয়েছেন ডন ব্র্যাডম্যান, গারফিল্ড সোবার্স, মোহাম্মদ আজহারউদ্দিনদের মতো কিংবদন্তিদের কাতারে।

প্রথম দিন ভারতের ইনিংসের ভিত্তি গড়েন গিল ও ওপেনার যশস্বী জয়সওয়াল, যিনি ৮৭ রানের দারুণ ইনিংস খেলেন। এরপর মাঝপথে ব্যাটিং বিপর্যয় দেখা দিলে গিলের সাথে যোগ দেন রবীন্দ্র জাদেজা (৪১*), দুজনের ৯৯ রানের জুটিতে দিন শেষে ভারত ৫ উইকেটে ৩১০ রান নিয়ে মাঠ ছাড়ে।

গিলের ব্যাক টু ব্যাক ম্যাচের এই শতকের আগে এই তালিকায় সবশেষ ক্রিকেটার ছিলেন অ্যাঞ্জেলো ম্যাথিউস। সর্বশেষ ২০১৪ সালে শ্রীলঙ্কার অ্যাঞ্জেলো ম্যাথিউস ইংল্যান্ডে বিদেশি অধিনায়ক হিসেবে দুই টেস্টে শতক করেছিলেন। তার আগে ২০০৩ সালে দক্ষিণ আফ্রিকার গ্রায়েম স্মিথ এজবাস্টন ও লর্ডসে করেছিলেন ২৭৭ ও ২৫৯ রানের অসাধারণ ইনিংস।

এই তালিকায় বাকি ৬ জন হলেন - মোহাম্মদ আজহারউদ্দিন (ভারত, ১২১ ও ১৭৯, লর্ডস ও ওল্ড ট্রাফোর্ড, ১৯৯০ সাল), বেভান কংডন (নিউজিল্যান্ড, ১৭৬ ও ১৭৫, ট্রেন্ট ব্রিজ ও লর্ডস, ১৯৭৩ সাল), গারফিল্ড সোবার্স (ওয়েস্ট ইন্ডিজ, ১৬১ ও ১৬৩*, ওল্ড ট্রাফোর্ড ও লর্ডস, ১৯৬৬ সাল), লিন্ডসে হাসেট (অস্ট্রেলিয়া, ১১৫ ও ১০৪, ট্রেন্ট ব্রিজ ও লর্ডস, ১৯৫৩ সাল), অ্যালান মেলভিল (দক্ষিণ আফ্রিকা, ১৮৯ ও ১১৭, ট্রেন্ট ব্রিজ ও লর্ডস, ১৯৪৭ সাল) এবং ডন ব্র্যাডম্যান (অস্ট্রেলিয়া, ১৪৪* ও ১০২*, ট্রেন্ট ব্রিজ ও লর্ডস, ১৯৩৮ সাল)।

Google News Icon

আমার দেশের খবর পেতে গুগল নিউজ চ্যানেল ফলো করুন