২০২০ সালে শেখ মুজিবুর রহমানের জন্ম শতবার্ষিকী উপলক্ষে বিশেষ আয়োজন করে বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ড। এর জন্য বরাদ্দ রাখা হয়েছিল ১৫ কোটি টাকা। পরবর্তীতে সেই বাজেট বাড়ানো হয় ২৫ কোটি টাকা। তবে কাগজে-কলমে খরচ হয়েছে মোটে ৭ কোটি টাকা। এই দুর্নীতির পাশাপাশি তৃতীয় বিভাগ কোয়ালিফিকেশন লিগ ও বিপিএলের টিকিট বিক্রি নিয়ে হওয়া দুর্নীতির তদন্ত করতে এসেছে দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক)।
আজ দুপুর ১২ টায় বিসিবিতে আসে দুদকের তিন সদস্যের প্রতিনিধি দল। পরবর্তীতে তারা সাংবাদিকদের এই অভিযান সম্পর্কে ব্রিফ করেন। সেখানে জানানো হয়েছে তিনটি বিষয় নিয়ে তদন্ত করতে এসেছেন তারা।
এর মধ্যে আছে মুজিব শতবর্ষ উদযাপণ নিয়ে হওয়া দুর্নীতি। ১৫ কোটি টাকা বরাদ্দ দেওয়া হয়েছে ওই অনুষ্ঠানের জন্য। তবে শেষ পর্যন্ত খরচ হয়েছে ৭ কোটি টাকা। বাজেট বেঁচে গেলেও বরাদ্দ বাড়িয়ে ২৫ কোটি করা হয়েছিল। এখানে মোট ১৮ কোটি টাকা দুর্নীতি হয়েছে বলে জানান দুদক কর্তারা। এ ছাড়া এই বিষয়ে আরও দুই কোটি টাকা লোপাটের অভিযোগের কথা জানান। এ নিয়ে মোট ২০ কোটি টাকা অর্থ লোপাটের অভিযোগ এসেছে।
এ ছাড়া তৃতীয় বিভাগ কোয়ালিফিকেশন লিগে দলগুলোকে অন্তর্ভূক্ত করা নিয়ে হয়েছিল নানা সমালোচনা। সে বিষয়েও তদন্ত করছে দুদক। জানানো হয়, সে সময় এই লিগে দল সংখ্যা কমানো হলেও মানা হয়নি নিয়ম।
এ ছাড়া বিপিএলের তৃতীয় থেকে দশম আসর পর্যন্ত টিকিট বিক্রি থেকে ১৩ কোটি ৬০ লাখ টাকা আয় হয়েছে বলে জানায় বিসিবি। কিন্তু সবশেষ ১১তম আসরেই আয় হয়েছে প্রায় ১৩ কোটি টাকা। অর্থের এমন বিশাল ফারাক নিয়ে তদন্ত করছে দুদক।
আমার দেশের খবর পেতে গুগল নিউজ চ্যানেল ফলো করুন

