অ্যাশেজ সিরিজ খেলতে সামনে অস্ট্রেলিয়া সফরে যাবে ইংল্যান্ড। পাঁচ টেস্টের এ ঐতিহাসিক সিরিজ মাঠে গড়াবে আগামী নভেম্বর-জানুয়ারিতে। নিজেদের প্রস্তুত করতে হাতে সময় এখনো তিন মাসেরও বেশি। তবে ক্রিকেটের এলিট সংস্করণে এই দুই চিরপ্রতিদ্বন্দ্বীর দ্বৈরথ নিয়ে আলোচনা শুরু হয়ে গেছে ইতোমধ্যেই।
অ্যাশেজের সব শেষ চারটি সিরিজ গেছে অস্ট্রেলিয়ার হাতে। ২০১৫ সাল থেকে অ্যাশেজ ট্রফিকে যেন নিজেদের সম্পত্তি বানিয়ে ফেলেছে অজিরা। ইংল্যান্ডকে বিখ্যাত সেই ‘ছাইদানি’ জেতার সুযোগই দিচ্ছে না তারা। সব শেষ চারটি অ্যাশেজ সিরিজের দুটিই নিজেদের করে নিয়েছে অস্ট্রেলিয়া। বাকি দুটি সিরিজ থেকে গেছে অমীমাংসিত। এ কারণে চার সিরিজ ধরে ট্রফি অস্ট্রেলিয়ার শোকেসেই বসে আছে। এবারো সিরিজ ধরে রাখতে চায় অজিরা। ঐতিহ্যবাহী এই সিরিজ ট্রফি জিততে করণীয় সবকিছুই করবে তারা।
তবে ইংল্যান্ডের বাজবলের সামনে অস্ট্রেলিয়া নিজেদের খেলার স্টাইল পাল্টাবে না। ইংলিশদের আগ্রাসী ক্রিকেট নিয়ে চিন্তার কোনো কারণও দেখছেন না তারা। অজি উইকেটরক্ষক-ব্যাটসম্যান অ্যালেক্স কেরি বলছেন এমনটা, ‘সম্ভবত আমাদের ক্রিকেটের ধরনে তেমন কোনো পরিবর্তন আনতে হবে না। আমরা যখন সবশেষ অ্যাশেজে (ইংল্যান্ডে) ছিলাম, তখন তাদের খেলার নতুন ধরন নিয়ে অনেক আলোচনা হয়েছিল। বেশ কয়েক বছর ধরেই এটি দেখছি এবং এতে আশ্চর্য হওয়ার কিছু থাকবে না। আমরা জানি তারা কীভাবে খেলে।’
১৮ টেস্টের মধ্যে ১০ বার রুটকে আউট করেছেন হ্যাজেলউড। টেস্টে তারচেয়ে বেশি রুটকে সাজঘরে ফিরিয়ে দিয়েছেন অস্ট্রেলিয়ান অধিনায়ক প্যাট কামিন্স ও ভারতীয় পেসার জাসপ্রিত বুমরাহ (১১ বার করে)। ইন-সুইঙ্গারের বিপক্ষে রুটের দুর্বলতা আর অনেকবার এলবিডব্লিউ হওয়ার কথা স্মরণ করিয়ে দিয়ে ডেভিড ওয়ার্নার সম্প্রতি খোঁচা দিয়েছেন রুটকে। অস্ট্রেলিয়ার সাবেক এই ওপেনার বলেন, ‘এখানে বড় ফ্যাক্টর হলো রুটি (রুট), যে অস্ট্রেলিয়ায় এখনো সেঞ্চুরি করতে পারেনি। জশ হ্যাজেলউডের বিপক্ষে তার বেশ কয়েকবার আউট হওয়ার ঘটনা আছে।’
আমার দেশের খবর পেতে গুগল নিউজ চ্যানেল ফলো করুন

