দারুণ সম্ভাবনাময় টেনিস খেলোয়াড় ছিলেন রাধিকা যাদব। কিন্তু প্রতিবেশীর কটাক্ষের জেরে জীবন প্রদীপ নিভে গেল তার। বাবার হাতে খুন হয়েছেন ভারতের এই নারী টেনিস খেলোয়াড়। ঘটনাটি ঘটেছে ভারতের হরিয়ানার গুরগাঁও জেলায়।
পরিবারের সঙ্গে গুরগাঁও জেলার লোক-টু এলাকায় বাস করতেন রাধিকা। আন্তর্জাতিক টেনিস ফেডারেশনের ডাবলস ও সিঙ্গেলস- উভয় পর্যায়েই ক্রমতালিকায় ২০০’র মধ্যেই ছিলেন। ইনজুরির কারণে কোচিংয়ে ঝুঁকে পড়েছিলেন তিনি। একটি একাডেমি চালাতেন। করাতেন কোচিং। তার এভাবে এগিয়ে যাওয়া সহ্য হয়নি প্রতিবেশীদের। তাই মেয়ের রোজগারে সংসার চলে- এমন কটূক্তি শুনতে হতো রাধিকার বাবা দীপককে। বিষয়টি নিয়ে মানসিকভাবে খুব বাজে সময়ের মধ্য দিয়ে যাচ্ছিলেন তিনি।
শেষ পর্যন্ত পেরে না উঠে মেয়ে রাধিকাকে লাইলেন্স করা রিভলবার দিয়ে গুলি করেন দীপক। শুক্রবার (১০ জুলাই) নিজের বাসার রান্নাঘরে রাধিকাকে পাঁচটি গুলি করেন তিনি। তিনটি গুলি বুকে লেগে রাধিকার মৃত্যু হয়। তাই দ্রুত তাকে হাসপাতালে নিয়ে গেলেও কোনো লাভ হয়নি। মেয়েকে গুলি করে হত্যার বিষয়টি স্বীকার করেছেন দীপক।
এক প্রতিবেদনে এনডিটিভি জানিয়েছে, স্বীকারোক্তিতে দীপক বলেন, ‘আমার মেয়ের বিষয়টি নিয়ে গ্রামের সবাই আমাকে কটাক্ষ করতো। সবাই বলতো, আমি আমার মেয়ের রোজগার করা টাকায় চলি। এমন কথা শুনতে শুনতে আমি অতিষ্ঠ হয়ে উঠেছিলাম। এজন্য আমি আমার মেয়েকে অনেকবার একাডেমিটা বন্ধ করে দিতে বলেছি। সে আমার কথা শোনেনি। এদিকে বারবার এলাকাবাসীর ওসব কথায় আমি অসহ্য হয়ে উঠেছিলাম।’
আমার দেশের খবর পেতে গুগল নিউজ চ্যানেল ফলো করুন

