হবিগঞ্জের বাহুবলের স্নানঘাট গ্রামে নিজ বাড়িতে বসে সংবাদ সম্মেলনে হামজা চৌধুরী জানান, ৮ নম্বর জার্সিটা পরে খেলবেন জাতীয় দলের হয়ে। শেফিল্ড ইউনাইটেডে ২৪ আর লেস্টার সিটিতে ৩৮ নম্বর জার্সি পরা, এবার জাতীয় দলে পরবেন ৮ নম্বর জার্সি। ফুটবল মাঠে সাধারণত ডিফেন্সিভ মিডফিল্ডারদের গায়ে এই নম্বরের জার্সি দেখা যায়। বাংলাদেশের জার্সি গায়ে জড়ানোর আগে অবশ্য বাংলাদেশ ফুটবল ফেডারেশনের (বাফুফে) কপাল থেকে চিন্তার ভাঁজ অনেকটা নামিয়ে দিয়েছেন হামজা চৌধুরী। তিনি দেশে পা রাখার আগেই বাফুফে পেয়েছে জাতীয় দলের স্পন্সর। ফুটবল কর্তারা আশায় আছেন হামজাকে ঘিরে দেশের ফুটবলে তৈরি হবে নতুন জোয়ার।
বেসরকারি ব্যাংক ইউনাইটেড কমার্শিয়াল ব্যাংক (ইউসিবি) ৫ বছরের জন্য বাফুফের সঙ্গে স্পনসর হিসেবে চুক্তিবদ্ধ হয়েছে। ইউসিবির সঙ্গে চুক্তিবদ্ধ হওয়ার দিন কয়েক আগে দুবছরের জন্য বাফুফের সঙ্গে কিট স্পনসর হিসেবে চুক্তিবদ্ধ হয়েছে ‘দৌড়’। জাতীয় দলের জার্সি ও আনুষঙ্গিক জিনিসপত্র সরবরাহ করবে তারা। শুধু তা-ই নয়, জার্সি বিক্রি থেকে ‘দৌড়’ যা আয় করবে, তারও একটি নির্দিষ্ট অংশ তারা বাফুফেকে দেবে। হামজা আসতে না আসতেই বাফুফে ‘ধনী’ হয়ে উঠছে। মাঠের পারফরম্যান্সে ফুটবল জ্বলে উঠতে পারলে বদলে যাবে বাংলাদেশের ফুটবলের নুয়ে পড়া চেহারাও।
বাংলাদেশের হয়ে হামজার খেলা নিশ্চিত হওয়ার পর থেকেই আলোচনা তুঙ্গে। দেশের ফুটবলপ্রেমীরা ফের বাংলাদেশের ফুটবল নিয়ে স্বপ্ন দেখতে শুরু করেছেন। বিভিন্ন জায়গায় বেড়েছে ফুটবলকেন্দ্রিক আলোচনা। তৈরি হয়েছে নতুন জোয়ার। সেই জোয়ারের অংশ হিসেবে কিট স্পনসর ও মূল স্পনসর পেয়েছে বাফুফে।
হামজা হয়তো দেশের ফুটবলকে রাতারাতি কোনো সাফল্য এনে দিতে পারবেন না, তবে পথ দেখিয়ে যেতে পারবেন ভবিষ্যতের বাধা ডিঙানোর। তার সামনে সুযোগ বাংলাদেশ ফুটবলের বাতিঘর হয়ে থাকার। হামজাতে অনুপ্রাণিত হয়ে বদলে যাক বাংলাদেশের ফুটবলÑ এটাই এখন সবার চাওয়া।
আমার দেশের খবর পেতে গুগল নিউজ চ্যানেল ফলো করুন

