ডিপিএল

হাবিবুরের দ্রুততম ফিফটির রেকর্ড ছোঁয়ার দিনে ছয় সেঞ্চুরি

স্পোর্টস রিপোর্টার

হাবিবুরের দ্রুততম ফিফটির রেকর্ড ছোঁয়ার দিনে 
ছয় সেঞ্চুরি

ডিপিএলের ম্যাচে বলে ব্যাট ছুঁয়ে দিয়েছিলেন হাবিবুর রহমান সোহান। স্লিপে দাঁড়িয়ে তাওহিদ হৃদয় কিছুই করতে পারেননি। উইকেটরক্ষক এনামুল হক বিজয়েরও করার কিছুই ছিল না। দুজনের মাঝ দিয়ে বল পেরিয়ে যায় বাউন্ডারি লাইন। এই দৃশ্যটাই দাঁড়িয়ে দাঁড়িয়ে দেখেছেন বোলার তাইজুল ইসলাম। হৃদয় সতর্ক থাকলেই ক্যাচটা হয়তো লুফে নিতে পারতেন। কিন্তু ব্যর্থতার গল্প লেখায় মিরপুরে মোহামেডানের বিপক্ষে ১৫ বলেই ফিফটি করে ফেলেন হাবিবুর।

তার এই বাউন্ডারিতে লিস্ট ‘এ’ ক্রিকেটে দ্রুততম ফিফটির রেকর্ডে ভাগ বসিয়েছেন লিজেন্ডস অব রূপগঞ্জের হাবিবুর। ছুঁয়ে ফেলেছেন পারভেজ হোসেন ইমনের আগের রেকর্ডটি। বাউন্ডারি হাঁকানোর শটটাই তার ইনিংসে সবচেয়ে দুর্বল শট ছিল। তার আগে মোহামেডানের বোলারদের ওপর রীতিমতো ধ্বংসযজ্ঞ চালিয়েছেন হাবিবুর। নাহিদ রানার এক ওভারেই তুলে নেন ২৬ রান! তাসকিন আহমেদের বলেও বিস্ফোরক ব্যাটিং পারফরম্যান্স উপহার দিয়েছেন হাবিবুর।

বিজ্ঞাপন

তার আগে মিরপুর শেরেবাংলায় সেঞ্চুরি হাঁকিয়েছেন তাওহিদ হৃদয়। ১০৬ বলে খেলেছেন ১০১ রানের দারুণ এক ইনিংস। তার এই ইনিংসে ছিল ৬ বাউন্ডারি ও ৪ ছক্কার মার। তবে শেষ হাসি হেসেছেন লিস্ট ‘এ’ ক্রিকেটে পঞ্চম সেঞ্চুরি হাঁকানো হৃদয়ই। কেননা তার দল মোহামেডান ১০৭ রানের বিশাল ব্যবধানে হারিয়েছে লিজেন্ডস অব রূপগঞ্জকে। হৃদয়ের সেঞ্চুরির দিনে ব্যাট হাতে জাদুকরি অঙ্ক ছুঁয়েছেন তানজিদ হোসেন তামিম, শাহাদাত হোসেন, মাহিদুল ইসলাম অঙ্কন, আবদুল্লাহ আল মামুন ও মাহফিজুল ইসলাম।

রুবেলের ৬ উইকেট

লিস্ট ‘এ’ ক্রিকেটে প্রথমবার ফাইফারের দেখা পেয়েছেন স্পিনার মোহাম্মদ রুবেল। ৭.৩ ওভারে ২৩ রানে ৬ উইকেট নেন রুবেল। তাতে বসুন্ধরা স্পোর্টস কমপ্লেক্সে তার দল গাজী গ্রুপ (১৫৪) ১ উইকেটে হারিয়েছে ঢাকা লিওপার্ডসকে (১৫৩)।

তানজিদ-শাহাদাতের শতক

পিকেএসপিতে দুই ওপেনার সেঞ্চুরি পেয়েছেন। উদ্বোধনী জুটিতেই তারা যোগ করেন ২১০ রান। ৯৩ বলে ১৩ চার ও ৫ ছক্কায় ১১৯ রান করেন তানজিদ হোসেন তামিম, ১১১ বলে ১০৫ রান আসে শাহাদাত হোসেনের ব্যাট থেকে। তাতে প্রাইম ব্যাংক ক্রিকেট ক্লাব ডিএলএস মেথডে ১৫৫ রানে হারিয়েছে ব্রাদার্স ইউনিয়নকে।

তিন অঙ্কে মাহিদুল

মাহিদুল ইসলাম অঙ্কনের সেঞ্চুরিতে ৩১৬ রানের পুঁজি গড়ে ১৭৩ রানে জিতেছে আবাহনী লিমিটেড। ৯৫ বল খেলে ৮ চার ও ৬ ছক্কায় ১০২* রান করেন মাহিদুল। জবাবে মাত্র ১৪২ রানে অলআউট হয়ে গেছে গুলশান।

মামুন-মাহফিজুলের দুই সেঞ্চুরি

৬ উইকেটে ৩২৬ রানের বড় সংগ্রহ গড়েছিল সিটি ক্লাব। ১৪৫ বলে ১৫১ রানের দাপুটে ইনিংস খেলেন আবদুল্লাহ আল মামুন। তার দেড়শ রানের ইনিংস বৃথা গেছে। ওপেনার মাহফিজুল ইসলামের ১৪১ বলে ১৪৭ রানের ইনিংসে ভর করে ৫ উইকেটে জিতেছে অগ্রণী ব্যাংক।

Google News Icon

আমার দেশের খবর পেতে গুগল নিউজ চ্যানেল ফলো করুন

এলাকার খবর
Loading...