ফিক্সিং কান্ডে প্রথম শ্রেণির ক্রিকেটারসহ অভিযুক্ত চারজন

স্পোর্টস রিপোর্টার

ফিক্সিং কান্ডে প্রথম শ্রেণির ক্রিকেটারসহ অভিযুক্ত চারজন

বিপিএলের ১১ ও ১২তম আসরে ম্যাচ ফিক্সিং, অনিয়ম ও দুর্নীতির দায়ে এক ক্রিকেটারসহ পাঁচজনকে অভিযুক্ত করেছে বিসিবি। আজ এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে বিষয়টি জানায় বিসিবি। বিপিএলের ২০২৫-২৬ মৌসুমে ইন্টারন্যাশনাল ক্রিকেট কাউন্সিলের (আইসিসি) দুর্নীতিবিরোধী একাধিক ধারা ভঙ্গ করায় ক্রিকেটার, টিম অফিসিয়াল ও ফ্র্যাঞ্চাইজি মালিকদের বিপক্ষে এ অভিযোগগুলো এনেছে বিসিবি।

অ্যালেক্স মার্শালের নেতৃত্বাধীন বিসিবির ইন্টেগ্রিটি ইউনিটের তদন্ত প্রতিবেদন অনুযায়ী লাবলুর রহমান (লজিস্টিকস ম্যানেজার, চট্টগ্রাম রয়্যালস), তৌহিদুল হক তৌহিদ (সহ-স্বত্বাধিকারী, নোয়াখালী এক্সপ্রেস), অমিত মজুমদার (প্রথম শ্রেণির ক্রিকেটার) ও রেজওয়ান কবির সিদ্দিকীর (টিম ম্যানেজার, সিলেট স্ট্রাইকার্স) বিরুদ্ধে বিভিন্ন ধারা লঙ্ঘনের অভিযোগ গঠন করেছে বিসিবি। আপাতত তারা ক্রিকেট সম্পর্কিত সব ধরনের কর্মকান্ড থেকে বরখাস্ত থাকবেন। তবে আগামী ১৪ দিনের মধ্যে এসব অভিযোগ নিয়ে বিসিবির কাছে তাদের উত্তর দেওয়ার সুযোগ থাকছে। পাশাপাশি প্রাথমিকভাবে চট্টগ্রাম রয়্যালসের দায়িত্বে থাকা সামিনুর রহমানকে বহিষ্কার করা হয়েছে। শুধু ১২তম আসরই নয়Ñ৯ম, ১০ম ও ১১তম আসরেও ফিক্সিংয়ে প্রমাণ পাওয়া গেছে।

বিজ্ঞাপন

তাকে আত্মপক্ষ সমর্থনের সুযোগ দেওয়া হলেও সে পথে হাঁটেননি। মেনে নিয়েছেন বহিষ্কারাদেশ। বিসিবির এক্সক্লুডেড পার্সন পলিসি অনুযায়ী তাকে বহিষ্কার করা হয়েছে।

বিসিবি বিজ্ঞপ্তিতে জানায়, ‘বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ড (বিসিবি) আইসিসি দুর্নীতিবিরোধী কোডের বিভিন্ন ধারা ভঙ্গের দায়ে বেশ কয়েকজন খেলোয়াড়, দলের কর্মকর্তা, ফ্র্যাঞ্চাইজি মালিক এবং অংশগ্রহণকারীর বিরুদ্ধে অভিযোগ গঠন করেছে। বাংলাদেশ প্রিমিয়ার লিগের দ্বাদশ আসরকে কেন্দ্র করে বিসিবি ইনটেগ্রিটি ইউনিটের তদন্তের প্রেক্ষিতে এ অভিযোগগুলো আনা হয়েছে। তদন্তে দুর্নীতির চেষ্টা, বেটিং বা জুয়ায় সম্পৃক্ততা, তদন্তে সহযোগিতা না করা এবং তদন্তকাজে বাধা দেওয়ার মতো অভিযোগ পাওয়া গেছে।’

যারা অভিযুক্ত

লাবলুর রহমান (লজিস্টিকস ম্যানেজার, চট্টগ্রাম রয়্যালস)

অনুচ্ছেদ ২.৪.৬ : কোনো জোরালো কারণ ছাড়াই ড্যাকোর (DACO) তদন্তে সহযোগিতা করতে অস্বীকার বা ব্যর্থ হওয়া (অনুচ্ছেদ ৪.৩-এর অধীনে নোটিস পালনে ব্যর্থতাসহ)।

অনুচ্ছেদ ২.৪.৭ : তদন্তকাজে বাধা সৃষ্টি বা বিলম্ব করা (তথ্য ও যোগাযোগ-সংক্রান্ত প্রমাণ গোপন, মুছে ফেলা বা ধ্বংস করাসহ)।

তৌহিদুল হক তৌহিদ (সহ-স্বত্বাধিকারী, নোয়াখালী এক্সপ্রেস)

অনুচ্ছেদ ২.৪.৬ : তদন্তে ড্যাকোকে সহযোগিতা করতে অস্বীকার বা ব্যর্থ হওয়া।

অনুচ্ছেদ ২.৪.৭ : তদন্তকাজে বাধা প্রদান বা বিলম্ব করা এবং তথ্য গোপন বা ধ্বংস করা।

অমিত মজুমদার (প্রথম শ্রেণির ক্রিকেটার)

অনুচ্ছেদ ২.২.১ : ক্রিকেট ম্যাচের ফলাফল, অগ্রগতি বা অন্য যেকোনো বিষয়ে বাজি ধরা বা বাজি গ্রহণ করা।

তিনি বিপিএলে কখনো খেলেননি। তবে বাজিকর হিসেবে কাজ করেছেন।

রেজওয়ান কবির সিদ্দিকী (টিম ম্যানেজার, সিলেট স্ট্রাইকার্স)

অনুচ্ছেদ ২.২.১ : ক্রিকেট ম্যাচের ফলাফল বা খেলার যেকোনো পরিস্থিতির ওপর বাজি ধরা বা বাজিতে অংশ নেওয়া।

Google News Icon

আমার দেশের খবর পেতে গুগল নিউজ চ্যানেল ফলো করুন

সর্বশেষ

এলাকার খবর
Loading...