উদ্বোধনী ম্যাচে অঘটনের আভাস দিয়েছিল নেদারল্যান্ডস। তবে বাস্তবে তেমন কিছু হয়নি। পাকিস্তান টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপে নিজেদের নতুন মিশনটা শুরু করেছে জয়ের হাসি দিয়েই। বিপদের ঘনঘটা দেখা দিয়েছিল ভারতের আকাশেও। কিন্তু ভারতকে চোঙ রাঙানি দেখিয়েও পারল না মার্কিন শিবির। চিরপ্রতিদ্বন্দ্বী পাকিস্তানের মতো স্বাগতিকরাও বৈশ্বিক আসরে জিতেছে নিজেদের প্রথম ম্যাচ। মুম্বাইয়ের ওয়াংখেড়েতে প্রতিপক্ষ যুক্তরাষ্ট্রকে সূর্যকুমার যাদবরা হারিয়েছে ২৯ রানে।
শুরুতে ভারতীয় শিবিরে ভয় ধরিয়ে দিয়েছিলেন শ্যাডলি ভ্যান শালকউইক। তার পেস ঝড়ে তাসের ঘরের মতো যেন উড়তে থাকে ভারতের ব্যাটিং লাইন-আপ। দলীয় ৭৭ রানেই নাই হয়ে যায় স্বাগতিকদের ৬ উইকেট। ভারত প্রথম হোঁচটটা খায় দলীয় ৮ রানে ওপেনার অভিষেক শর্মার উইকেট হারিয়ে। উইকেট পতনের শুরুটা করেন আলী খান। পরে ভারতের উইকেট ফেলার দায়িত্বটা বলতে গেলে একাই তুলে নেন শালকউইক।
যেভাবে উইকেট পড়ছিল, তাতে করে একশ রানের আগেই গুটিয়ে যাওয়ার শঙ্কায় পড়ে গিয়েছিল ভারত। শালকউইকের পেস তোপ সামলে সূর্যকুমার যাদব উপহার দেন ৮৪ রানের হার না মানা দারুণ এক ইনিংস। ভারত অধিনায়কের ৪৯ বলের ইনিংসে ছিল ১০ বাউন্ডারি ও ৪ ছক্কার মার। তার ব্যাটিং দৃঢ়তায় বিপদ কাটিয়ে ৯ উইকেট হারিয়ে ১৬১ রানের লড়াকু পুঁজি গড়ে ভারত। শালকউইক একাই নিজের পকেটে পুরেন ৪ উইকেট।
লক্ষ্য তাড়া করতে নেমে ব্যাটিং বিপর্যয়ের মুখে পড়ে যায় যুক্তরাষ্ট্র। দলীয় ৯৮ রানেই হারিয়ে ফেলে তারা ৬ উইকেট। দলীয় ৮ রানে ফেরেন ওপেনার আন্দ্রিয়েস গুস। এরপর নিয়মিত বিরতিতে উইকেট পড়তে থাকে। শেষে মার্কিন দলটির ইনিংস থেমে যায় ৮ উইকেটে ১৩২ রান তুলেই। সঞ্জয় কৃষ্ণমূর্তি আর শুভহাম রনজানে করেন সমান ৩৭ রান করে। আর মিলিন্ড কুমারের ব্যাট থেকে আসে ৩৪ রান।
সংক্ষিপ্ত স্কোর
ভারত: ১৬১/৯, ২০ ওভার (সূর্যকুমার ৮৪*, তিলক ২৫, কিষান ২০, অক্ষর ১৪; শালকউইক ৪/২৫, হারমিত ২/২৬, আলী ১/১৩ ও মহসিন ১/১৬)।
যুক্তরাষ্ট্র: ১৩২/৮, ২০ ওভার (রনজানে ৩৭, কৃষ্ণমূর্তি ৩৭, মিলিন্ড ৩৪; সিরাজ ৩/২৯, আর্শদীপ ২/১৮, অক্ষর ২/২৪ ও বরুণ ১/২৪)।
ফল: ভারত ২৯ রানে জয়ী।
ম্যাচসেরা: সূর্যকুমার যাদব।
আমার দেশের খবর পেতে গুগল নিউজ চ্যানেল ফলো করুন

