সংখ্যায় সংখ্যায় ইংল্যান্ড-ফ্রান্স ম্যাচ

সংখ্যায় সংখ্যায় ইংল্যান্ড-ফ্রান্স ম্যাচ

২২

জোড়া গোল করে বিশ্বকাপে নিজের মোট গোলসংখ্যা ২২-এ নিয়ে গেছেন কিলিয়ান এমবাপ্পে। এর মাধ্যমে তিনি লিওনেল মেসির ২১ গোলকে ছাড়িয়ে বিশ্বকাপ ইতিহাসে সর্বোচ্চ গোলদাতা হয়েছেন। তবে মেসির সামনে এখনো ফাইনালে এই রেকর্ড পুনঃদখলের সুযোগ রয়েছে।

বিজ্ঞাপন

১০

এবারের বিশ্বকাপে এমবাপ্পের গোলসংখ্যা এখন ১০, যা তাকে গোল্ডেন বুটের দৌড়ে শীর্ষে রেখেছে। একইসঙ্গে ১৯৭০ সালে পশ্চিম জার্মানির গার্ড মুলারের পর প্রথম ফুটবলার হিসেবে এক বিশ্বকাপে ১০ বা তার বেশি গোল করার কীর্তি গড়েছেন তিনি।

১৪

গোল ও অ্যাসিস্ট মিলিয়ে এমবাপ্পের অবদান এখন ১৪টি (১০ গোল, ৪ অ্যাসিস্ট)। গত ৬০ বছরের মধ্যে বিশ্বকাপের এক আসরে এটিই সর্বোচ্চ গোল অবদান।

০/৩

বিশ্বকাপের গ্রুপ পর্ব, শেষ ৩২, শেষ ১৬, কোয়ার্টার ফাইনাল, তৃতীয় স্থান নির্ধারণী ম্যাচ ও ফাইনালে গোল করলেও সেমিফাইনালে এখনো গোল করতে পারেননি এমবাপ্পে। তিনটি সেমিফাইনাল খেলেও তার নামের পাশে গোল নেই।

১০

ইংল্যান্ড-ফ্রান্স ম্যাচে দুদলের মিলে হয়েছে ১০ গোল। ১৯৮২ সালের পর কোনো বিশ্বকাপ ম্যাচে এত গোল হয়নি। একইসঙ্গে বিশ্বকাপের তৃতীয় স্থান নির্ধারণী ম্যাচের ইতিহাসেও এটিই সর্বোচ্চ গোলের রেকর্ড।

প্রথমবারের মতো বিশ্বকাপে তৃতীয় স্থান অর্জন করেছে ইংল্যান্ড। এর আগে ১৯৯০ ও ২০১৮ সালের তৃতীয় স্থান নির্ধারণী ম্যাচে হেরে ফিরতে হয়েছিল তাদের।

জুড বেলিংহাম এবারের বিশ্বকাপে গোল করেছেন সাতটি। এক বিশ্বকাপে কোনো ইংলিশ ফুটবলারের এটিই সর্বোচ্চ গোল। সাত গোলই এসেছে ওপেন প্লে থেকে, ভেঙেছেন গ্যারি লিনেকারের রেকর্ড।

বুকায়ো সাকা বিশ্বকাপে হ্যাটট্রিক করা চতুর্থ ইংলিশ ফুটবলার। তার আগে এ কীর্তি গড়েছিলেন জিওফ হার্স্ট, গ্যারি লিনেকার ও হ্যারি কেইন।

মাইকেল ওলিসে এবারের বিশ্বকাপে করেছেন সাতটি অ্যাসিস্ট। গত ৬০ বছরে এক বিশ্বকাপে এটিই সর্বোচ্চ। ১৯৭০ সালে পেলের ছয় অ্যাসিস্টের রেকর্ড ভেঙেছেন তিনি।

এবারের বিশ্বকাপে ওলিসের পাঁচ অ্যাসিস্ট থেকেই গোল করেছেন এমবাপ্পে। গত ছয় দশকে বিশ্বকাপে একজন খেলোয়াড়ের পাস থেকে আরেকজনের সর্বোচ্চ গোলের রেকর্ড এটি।

২০১০ সালের পর এই প্রথম বিশ্বকাপে টানা দুই ম্যাচ হারল ফ্রান্স। সেমিফাইনালে স্পেনের পর তৃতীয় স্থান নির্ধারণী ম্যাচেও হারতে হয়েছে দিদিয়ের দেশমের দলকে।

২৬

এটি ছিল দিদিয়ের দেশমের অধীনে ফ্রান্সের ২৬তম বিশ্বকাপ ম্যাচ। এর মাধ্যমে তিনি হেলমুট শোনকে ছাড়িয়ে বিশ্বকাপ ইতিহাসে সবচেয়ে বেশি ম্যাচে ডাগআউটে থাকার রেকর্ড গড়েছেন।

২.৯৮

ইংল্যান্ড-ফ্রান্স ম্যাচের ১০ গোলের পর ২০২৬ বিশ্বকাপে ১০৩ ম্যাচে মোট গোলসংখ্যা দাঁড়িয়েছে ৩০৭। ম্যাচপ্রতি ২.৯৮ গোলের গড় নিয়ে ১৯৫৮ সালের পর এটিই সর্বোচ্চ গোল গড়ের বিশ্বকাপ।

৫৮ বছর পর কোনো প্রতিযোগিতামূলক ম্যাচের প্রথমার্ধে চার গোল হজম করল ফ্রান্স। সর্বশেষ ১৯৬৮ সালের ইউরো বাছাইয়ে যুগোস্লাভিয়ার বিপক্ষে প্রথম ৪৫ মিনিটে চার গোল খেয়েছিল তারা।

ডেকলান রাইস বিশ্বকাপ ইতিহাসে প্রথম ইংলিশ ফুটবলার হিসেবে ম্যাচের প্রথম ২০ মিনিটের মধ্যেই একটি গোল ও একটি অ্যাসিস্ট করার কীর্তি গড়েছেন

Google News Icon

আমার দেশের খবর পেতে গুগল নিউজ চ্যানেল ফলো করুন