২০২৬ বিশ্বকাপের গ্রুপ ‘ডি’ থেকে নকআউট পর্বে সরাসরি জায়গা নিশ্চিতের লড়াইয়ে নামছে প্যারাগুয়ে ও অস্ট্রেলিয়া। আগামীকাল সান ফ্রান্সিসকো বে এরিয়া স্টেডিয়ামে মুখোমুখি হবে দল দুটি। ম্যাচটি দুদলের জন্যই কঠিন সমীকরণের। দুই ম্যাচ শেষে উভয় দলেরই সংগ্রহ ৩ পয়েন্ট, ফলে এই ম্যাচের ফলই নির্ধারণ করে দেবে কারা রানার্সআপ হিসেবে শেষ ৩২-এর টিকিট পাবে।
প্রথম ম্যাচে যুক্তরাষ্ট্রের কাছে ৪-১ গোলে হারের পর ঘুরে দাঁড়িয়ে তুরস্ককে ১-০ গোলে হারায় প্যারাগুয়ে। ওই ম্যাচে দ্বিতীয় মিনিটেই গোল করে দলকে জয়ের পথ দেখান মাতিয়াস গালারসা। যদিও প্রথমার্ধের শেষদিকে লাল কার্ড দেখেন দলের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ খেলোয়াড় মিগেল আলমিরন। অস্ট্রেলিয়ার বিপক্ষে আলমিরনকে ছাড়াই মাঠে নামতে হবে গুস্তাভো আলফারোর দলকে। সমীকরণও সহজ নয়। গোল ব্যবধানে পিছিয়ে থাকায় ড্র করলে প্যারাগুয়ের চেয়ে সুবিধাজনক অবস্থানে থাকবে অস্ট্রেলিয়া। তাই নকআউট নিশ্চিত করতে জয়ের বিকল্প নেই লাতিন আমেরিকান দলটির সামনে।
অন্যদিকে তুরস্ককে ২-০ গোলে হারিয়ে বিশ্বকাপ শুরু করলেও দ্বিতীয় ম্যাচে যুক্তরাষ্ট্রের কাছে একই ব্যবধানে হেরে যায় অস্ট্রেলিয়া। ওই পরাজয়ের ফলে গ্রুপসেরা হওয়ার সুযোগ হারালেও নকআউটের দৌড়ে এখনো এগিয়ে রয়েছে সকারুজরা। অস্ট্রেলিয়ার জন্য সমীকরণ তুলনামূলক সহজ। ড্র বা জয় পেলেই শেষ ৩২ নিশ্চিত হবে তাদের। এমনকি হারলেও তৃতীয় স্থানধারী দল হিসেবে সুযোগ পাওয়ার সম্ভাবনা থাকবে। তবে অন্য ম্যাচের ফলাফলের দিকে তাকিয়ে থাকতে হবে।
দুই দলের অতীত পরিসংখ্যানও অস্ট্রেলিয়ার পক্ষে। আগের পাঁচ দেখায় কখনো হারেনি তারা। সবশেষ ২০১০ সালে প্যারাগুয়েকে ১-০ গোলে হারিয়েছিল সকারুজরা।
দলীয় খবরে প্যারাগুয়ের সবচেয়ে বড় ধাক্কা আলমিরনের নিষেধাজ্ঞা। তবে দিয়েগো গোমেজ চোট কাটিয়ে ফিরতে পারেন। অস্ট্রেলিয়ার ম্যাথিউ লেকির খেলা অনিশ্চিত, যদিও বড় কোনো পরিবর্তনের সম্ভাবনা নেই।
নকআউটের টিকিট নিশ্চিতের লক্ষ্যে তাই দুই দলের সামনেই এটি এক ধরনের ‘বাঁচা-মরার’ লড়াই। একদিকে জয়ের জন্য মরিয়া প্যারাগুয়ে, অন্যদিকে সুবিধাজনক অবস্থান ধরে রাখতে চায় অস্ট্রেলিয়া। এবার দেখা যাক, ভাগ্য কার হয়ে কথা বলে।
আমার দেশের খবর পেতে গুগল নিউজ চ্যানেল ফলো করুন

