সাফ নারী চ্যাম্পিয়নশিপ

ঋতুপর্ণার অলৌকিক গোলে সমতায় শেষ প্রথমার্ধ

স্পোর্টস রিপোর্টার

ঋতুপর্ণার অলৌকিক গোলে সমতায় শেষ প্রথমার্ধ

নেপালের বিপক্ষে সেমিফাইনালের প্রথমার্ধটা যেন বাংলাদেশের জন্য ছিল সংগ্রামের গল্প। রক্ষণে চাপ, মাঝমাঠে ছন্দহীনতা আর আক্রমণে ধার না থাকায় পিছিয়ে পড়েছিল লাল-সবুজের প্রতিনিধিরা। তবে বিরতির ঠিক আগে ঋতুপর্ণা চাকমার দুর্দান্ত এক মুহূর্ত বদলে দেয় ম্যাচের চিত্র। কর্নার কিক থেকে তাঁর অবিশ্বাস্য শটে সরাসরি জালে জড়ায় বল, আর সেই গোলেই ১-১ সমতায় প্রথমার্ধ শেষ করে বাংলাদেশ।

ফাইনালের স্বপ্ন নিয়ে মাঠে নামলেও শুরু থেকেই চাপে পড়ে বাংলাদেশ। নেপালের আক্রমণগুলো একের পর এক পরীক্ষায় ফেলতে থাকে বাংলাদেশের রক্ষণভাগকে। সেই চাপেরই ফল আসে ২৩তম মিনিটে। দীপা শাহির কর্নার থেকে পাওয়া বলে গীতা রানি সফল ফিনিশিংয়ে এগিয়ে দেন নেপালকে।

বিজ্ঞাপন

গোল হজমের পরপরই সমতায় ফেরার সুযোগ পেয়েছিল বাংলাদেশ। কিন্তু শেষ মুহূর্তের ব্যর্থতায় তা আর কাজে লাগানো যায়নি। ৩৬তম মিনিটে আবারও বড় বিপদে পড়ে লাল-সবুজের শিবির। প্রীতি রাইয়ের দূরপাল্লার শক্তিশালী শট গোলপোস্টে আঘাত হানে। তবে গোলকিপার মিলি আক্তারের আঙুলের ছোঁয়াও সেখানে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে।

প্রথমার্ধের শেষভাগে আক্রমণের তীব্রতা বাড়ায় বাংলাদেশ। আর সেই চাপের পুরস্কার আসে ঋতুপর্ণা চাকমার পা থেকে। ৪৫তম মিনিটে কর্নার পেয়েছিল বাংলাদেশ। কর্নার থেকে খ্যানিকটা বাঁকানো শট নেন ঋতু। বলের মুভমেন্ট বুঝে প্রতিপক্ষ গোলকিপারও ঝাঁপ দিয়েছিলেন। কিন্তু বিধিবাম! তার মুভমেন্টকে পরাস্ত করে ফাঁকি দেওয়ার পাখির মতো ঋতুর শট আশ্রয় নেয় জালে। অলিম্পিক গোলে হতভম্ব হয়ে যান নেপালের অধিনায়ক! দর্শকদের উল্লাসে মুখরিত হয় স্টেডিয়াম, আর বাংলাদেশ ফিরে পায় ম্যাচের সমতা।

ঋতুপর্ণার সেই চোখ ধাঁধানো গোল শুধু স্কোরলাইনই বদলায়নি, নতুন করে জাগিয়ে তুলেছে বাংলাদেশের ফাইনালে ওঠার স্বপ্নও।

Google News Icon

আমার দেশের খবর পেতে গুগল নিউজ চ্যানেল ফলো করুন

সর্বশেষ

এলাকার খবর
Loading...