চুয়াডাঙ্গার মোমিনপুরে অস্ত্রের মুখে এক জুতার দোকান কর্মচারীকে জিম্মি করে মোটরসাইকেল, নগদ টাকা ও মোবাইল ফোন ছিনিয়ে নেওয়ার অভিযোগ উঠেছে। পরে তাকে রাস্তা থেকে কিছুটা দূরে ধানক্ষেতের পাশে একটি গাছের সঙ্গে কাপড় দিয়ে বেঁধে রেখে যায় মুখোশধারী ছিনতাইকারীরা।
রোববার রাত ৯টায় চুয়াডাঙ্গা সদর উপজেলার মোমিনপুর ইউনিয়নের আমিরপুর-শৈলগাড়ী সড়কের জোড়াদহ মাঠে এ ঘটনা ঘটে।
ছিনতাইয়ের শিকার মরেজ আলী (৩০) আলমডাঙ্গা উপজেলার বাড়াদী ইউনিয়নের গোয়ালবাড়ি গ্রামের আমিরুল ইসলামের ছেলে। তিনি চুয়াডাঙ্গা সদর উপজেলার শৈলগাড়ী গ্রামে ঘরজামাই হিসেবে বসবাস করেন এবং আলমডাঙ্গার একটি জুতার দোকানে কর্মচারী হিসেবে কাজ করেন।
মরেজ আলী অভিযোগ করে বলেন, রোববার রাতে আলমডাঙ্গা থেকে মোটরসাইকেলযোগে শ্বশুরবাড়ি শৈলগাড়ীর উদ্দেশশে রওনা হন। রাত ৯টার দিকে আমিরপুর-শৈলগাড়ী সড়কের জোড়াদহ মাঠে পৌঁছালে ধারালো দা হাতে চারজনের একটি মুখোশধারী দল তার পথরোধ করে। পরে অস্ত্রের মুখে জিম্মি করে তাকে রাস্তার পাশে একটি বটগাছের নিচে নিয়ে যায়।
সেখানে ছিনতাইকারীরা তার হোন্ডা লিভো ১১০ সিসি মোটরসাইকেল, নগদ ১৬০ টাকা ও একটি মোবাইল ফোন ছিনিয়ে নেয়। পরে তাকে রাস্তা থেকে কিছুটা দূরে ধানক্ষেতের পাশে একটি নিমগাছের সঙ্গে কাপড় দিয়ে হাত-পা ও মুখ-চোখ বেঁধে রেখে যায়।
মরেজ আলী জানান, দীর্ঘ সময় মাঠের মধ্যে পড়ে থাকার পর তিনি মুখের বাঁধন খুলতে সক্ষম হন। এরপর একে একে হাত ও চোখের বাঁধন খুলে শৈলগাড়ী গ্রামের দিকে দৌড়ে গিয়ে স্থানীয় কয়েকজনকে বিষয়টি জানান। পরে গ্রামবাসী ঘটনাস্থলে গিয়ে কাউকে না পেয়ে পুলিশকে খবর দেন।
চুয়াডাঙ্গা সদর থানার অফিসার ইনচার্জ মারুফ রহমান বলেন, ‘ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছি। ছিনতাইয়ের কবলে পড়া ব্যক্তির সঙ্গে কথা বলে ঘটনার বিস্তারিত শুনেছি। এ ঘটনায় আইনগত ব্যবস্থা প্রক্রিয়াধীন রয়েছে। ঘটনার সঙ্গে জড়িত অভিযুক্তদের গ্রেপ্তারের পুলিশি অভিযান অব্যাহত রয়েছে।
এমএইচ
আমার দেশের খবর পেতে গুগল নিউজ চ্যানেল ফলো করুন

-4d87c7-720x405.webp)