দলের সবচেয়ে বড় তারকা দেওয়ান হামজা চৌধুরীর জন্মদিন ছিল আজ। তার এই বিশেষ দিনে ভালো কিছু করে দেখানোর লক্ষ্য ছিল সতীর্থদের। কিন্তু এই দিনে ফিফা আসিয়ান কাপে রীতিমতো বিধ্বস্ত হলো দল। টুর্নামেন্টে গ্রুপ পর্বে নিজেদের তৃতীয় ও শেষ ম্যাচে স্বাগতিক ইন্দোনেশিয়ার কাছে ৯-২ গোলে হারল বাংলাদেশ। বাংলাদেশকে এই বড় ব্যবধানে হারের লজ্জা দেওয়ার পেছনে ইন্দোনেশিয়া দলের হয়ে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করেছেন অস্ট্রেলিয়ায় জন্ম নেওয়া স্ট্রাইকার মিচেল বেকার। তিনি একাই হ্যাটট্রিকসহ ৫ গোল করেন। বাংলাদেশের হয়ে দুটি গোল করেন শাহরিয়ার ইমন ও ফারহান আলী ওয়াহিদ।

জাকার্তার গেলোরা বুং কার্লো স্টেডিয়ামে ম্যাচের প্রথমার্ধে ৬-১ গোলে এগিয়ে ছিল স্বাগতিকরা। দ্বিতীয়ার্ধে আরো ৩টি গোল করে তারা। দুই অর্ধে দুটি গোল শোধ দেয় বাংলাদেশ। প্রথম ১০ মিনিট ভালো প্রতিরোধ গড়েছিলেন হামজা, শমিতরা। তবে ১১ মিনিট থেকেই শুরু হয় ইন্দোনেশিয়ার গোল-উৎসব। রোমিনির কাটব্যাক থেকে বেকারের গড়ানো প্লেসিং শট দূরের পোস্ট দিয়ে জড়িয়ে দেন জালে। শ্রাবণ ডান দিকে ঝাঁপিয়ে পড়লেও অল্পের জন্য বলের নাগাল পাননি। এতে প্রথম আনন্দের উপলক্ষ পায় ইন্দোনেশিয়ানরা। এরপর ২০ মিনিটে পাল্টা আক্রমণ থেকে আরেকটি গোল পায় তারা। এবারও গোলদাতার নাম বেকার। জটলা থেকে গোল করেন তিনি। ৩২ মিনিটে স্বাগতিকরা ৩-০ স্কোরলাইন করে। ৩৬ মিনিটে এক গোল শোধ দেয় বাংলাদেশ। শুকির মাপা ক্রসে শাহরিয়ার ইমন হেডে গোল করেন। তখন স্কোরলাইন হয় ৪-১। কিন্তু পরের মিনিটেই আবার গোল হজম করে বাংলাদেশ। ৪২ মিনিটে ভুল পাস থেকে বল পেয়ে বেকার হেডে নিজের চতুর্থ ও দলের হয়ে পঞ্চম গোলটি করেন। যোগ করা সময়ে স্কোর ৬-১ করে ইন্দোনেশিয়া। বিরতির পর ফারহান আলী ওয়াহিদ, স্বাধীন, সোহেল রানা নামেন বদলি হিসেবে। শমিত সোম, শুকি ইতোফুসা ও শাহরিয়ার ইমনকে তুলে নেন কোচ। এই অর্ধের শেষ দিকে এসে চার গোল হয়েছে।
এ নিয়ে টুর্নামেন্টে তিন ম্যাচ খেলে প্রতিটিতেই হারল বাংলাদেশ। এর আগে মালয়েশিয়ার কাছে ৩-০ আর সিঙ্গাপুরের কাছে ১-০ গোলে হারে বাংলাদেশ। ফলে আসিয়ান কাপে ‘এ’ গ্রুপে থাকা বাংলাদেশের অর্জন শূণ্য।
আমার দেশের খবর পেতে গুগল নিউজ চ্যানেল ফলো করুন

