
আষাঢ়ের বৃষ্টি
আষাঢ় মাসে আকাশ জুড়ে মেঘ জমেছে কালো বৃষ্টি নামে ছন্দ তুলে নাচে টিনের চালও। বৃষ্টি পড়ে টাপুরটুপুর বৃষ্টি পড়ে গাঁয়ে বৃষ্টি ভেজে দুষ্টু ছেলে আর শালিকের ছা’য়ে। কদম হাসে ডালে ডালে কদম ফুলের মেলা সবুজ পাতায় বৃষ্টি ফোঁটা যাচ্ছে করে খেলা।

আষাঢ় মাসে আকাশ জুড়ে মেঘ জমেছে কালো বৃষ্টি নামে ছন্দ তুলে নাচে টিনের চালও। বৃষ্টি পড়ে টাপুরটুপুর বৃষ্টি পড়ে গাঁয়ে বৃষ্টি ভেজে দুষ্টু ছেলে আর শালিকের ছা’য়ে। কদম হাসে ডালে ডালে কদম ফুলের মেলা সবুজ পাতায় বৃষ্টি ফোঁটা যাচ্ছে করে খেলা।

আষাঢ়ের মেঘে ঢাকা আকাশ, রাজধানী ঢাকাসহ দেশজুড়ে অবিরাম বারিধারা আর নদ-নদীর স্ফীতিতে প্লাবিত জনপদ—এ যেন চিরায়ত বাংলার চিরচেনা বর্ষার রূপ। অথচ এই একটানা বৃষ্টি আর বহুলাংশে কমে আসা তাপমাত্রার পরও বাতাসে বইছে তীব্র ভ্যাপসা গরমের দহন। বাইরে ঝুম বৃষ্টির গান, আর ঘরের ভেতর কিংবা বাইরে গাঢ় অস্বস্তি—প্রকৃতির

আষাঢ়ের মাঝামাঝিতে দ্বিতীয় দিনের মতো রোববারও দেশের ছয় জেলার ওপর দিয়ে তাপপ্রবাহ বয়ে গেছে। এতে তীব্র ভ্যাপসা গরমে জনজীবনে চরম অস্বস্তি দেখা দিয়েছে। তবে আজ সোমবার থেকে ধীরে ধীরে বৃষ্টির প্রবণতা বেড়ে গরমের দাপট কিছুটা কমতে পারে বলে জানিয়েছে আবহাওয়া অধিদপ্তর।

ঋতুবৈচিত্র্যের ষড়ঋতুর দেশের ১৪৩৩ বঙ্গাব্দের দ্বিতীয় ঋতু বর্ষা তথা আষাঢ়ের প্রথম দিন আজ। ঝড়-বৃষ্টি শুরু হয়েছে বেশ কদিন আগেই। কিন্তু এবার ঘটা করে হাজির হলো বর্ষা। আবহাওয়া অধিদপ্তর বলছে, এবার ৬ জুন মৌসুমি বায়ু দেশে প্রবেশ করলেও দুদিন আগে থেকে সারা দেশে সক্রিয় হয়েছে।