শীর্ষ নেতারা আটক হওয়ার পর আন্দোলন যাতে স্তিমিত হয়ে না পড়ে, সে জন্য আগেই বিকল্প পরিকল্পনা করে রেখেছিল ককরোচ জনতা পার্টি (সিজেপি)। আটকের আগেই দলটির এক বিবৃতিতে জানানো হয়, অভিজিৎ দীপকে, সৌরভ দাস ও আশুতোষ রাঙ্কা আটক বা গ্রেপ্তার হলে এই আন্দোলনের মূল নেতৃত্ব দেবেন অজিঙ্ক শিন্দে। সেই নির্দেশনা অনুযায়ী এখন শিন্দের নেতৃত্বেই যন্তর মন্তরের বিক্ষোভ কর্মসূচি এগিয়ে নেওয়া হচ্ছে।
শনিবার গ্রেপ্তার হন সিজেপির আহ্বায়ক অভিজিৎ দীপকে, সৌরভ দাস ও আশুতোষ রাঙ্কা। গ্রেপ্তারের প্রাক্কালে ক্ষোভ প্রকাশ করে অভিজিৎ দীপকে বলেন, ‘দেশে জরুরি অবস্থার সময়েও ইন্দিরা গান্ধী এ রকম করেননি। আমরা গ্রেপ্তার হতে প্রস্তুত।’
এর আগে শুক্রবার গভীর রাতে প্রকাশিত এক ভিডিও বার্তায় অভিজিৎ আশঙ্কা প্রকাশ করেছিলেন, বিমানবন্দর থেকেই তাকে গ্রেপ্তার করা হতে পারে। তিনি দেশবাসীর উদ্দেশে পরিষ্কার জানিয়ে যান, তাকে বা তার সহকর্মীদের আটক করা হলেও যেন দিল্লির যন্তর মন্তরের বিক্ষোভ কর্মসূচি কোনোভাবেই বন্ধ না হয়।
সিজেপির এই কর্মসূচি ঘিরে শুক্রবার রাত থেকেই রাজধানীজুড়ে কঠোর নিরাপত্তা জারি করা হয়েছে। দিল্লির অন্তত ৪৫টি মেট্রো স্টেশন বন্ধ রাখা হয়েছে, বিভিন্ন এলাকায় জারি করা হয়েছে ১৪৩ ধারা এবং বহু জায়গায় ইন্টারনেট পরিষেবা স্থগিত করা হয়েছে। এছাড়া শনিবার ভোর থেকে দুপুর পর্যন্ত দিল্লিগামী সমস্ত মেল ও এক্সপ্রেস ট্রেনও বাতিল করা হয়। গ্রেপ্তার হয়েছেন প্রায় ১০০০।
আমার দেশের খবর পেতে গুগল নিউজ চ্যানেল ফলো করুন


