ইসরাইলের জনসংখ্যার প্রায় ২১ শতাংশ ফিলিস্তিনি নাগরিক। দেশটির আরব সংখ্যাগরিষ্ঠ দুটি প্রধান নির্বাচনি জোট রা’আম ও জয়েন্ট লিস্ট মূলত এই জনগোষ্ঠীর ভোটের ওপর নির্ভরশীল।
৫৫টি আসন নিয়ে ভোট গণনায় এগিয়ে রয়েছে নেতানিয়াহুর লিকুদ নেতৃত্বাধীন জোট। তবে তা সংখ্যাগরিষ্ঠতার জন্য যথেষ্ট নয়। বিরোধী দলগুলোর দখলে ৪৯টি এবং আরব দলগুলোর পেয়েছে ১৬টি আসন।
রা’আম ইউনাইটেড আরব লিস্ট নামেও পরিচিত। এই দলের নেতৃত্বে রয়েছেন মানসুর আব্বাস। আরব সম্প্রদায়ের জন্য তহবিল ও নাগরিক সেবা নিশ্চিত করতে অন্যান্য রাজনৈতিক দলের সঙ্গে সমঝোতায় পৌঁছানোর ক্ষেত্রে দলটি তুলনামূলকভাবে বেশি আগ্রহী। ২০২১ সালে ইসরাইলের কোনো ক্ষমতাসীন জোটে যোগ দেওয়া প্রথম আরব নেতৃত্বাধীন দল হিসেবে ইতিহাস গড়ে রা’আম।
অন্যদিকে, জয়েন্ট লিস্ট তিনটি দলের সমন্বয়ে গঠিত একটি জোট। দলগুলো হলো—ইহুদি ও আরব সদস্যদের নিয়ে গঠিত বামপন্থি দল হাদাশ, ফিলিস্তিনি বংশোদ্ভূত ইসরাইলি নাগরিকদের অধিকার নিয়ে সোচ্চার আহমাদ তিবির নেতৃত্বাধীন তা’আল এবং দেশটির সব নাগরিকের সমান অধিকার নিশ্চিত করে এমন রাষ্ট্র প্রতিষ্ঠার পক্ষে থাকা বালাদ।
নেতানিয়াহুবিরোধী কোনো জোটকে সমর্থনের ক্ষেত্রে ‘নিরাপত্তাবলয়’ বা সেফটি নেট হিসেবে কাজ করার ইঙ্গিত দিয়েছে জয়েন্ট লিস্ট। অর্থাৎ, সরকারে সরাসরি যোগ না দিয়েও আস্থা ভোটে ওই জোটের বিরুদ্ধে ভোট না দেওয়ার প্রতিশ্রুতি দিতে পারে দলটি।
গত সেপ্টেম্বরে ইসরাইলের কেন্দ্রীয় নির্বাচন কমিশন আসন্ন নির্বাচনে অংশগ্রহণের ক্ষেত্রে উভয় জোটকে অযোগ্য ঘোষণা করেছিল। তবে ২ অক্টোবর সুপ্রিম কোর্ট সর্বসম্মতিক্রমে সেই নিষেধাজ্ঞা বাতিল করে দেয়।
সূত্র: আলজাজিরা
আরএ
আমার দেশের খবর পেতে গুগল নিউজ চ্যানেল ফলো করুন


