ইসরাইলের প্রধানমন্ত্রী বেনিয়ামিন নেতানিয়াহু জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদে বৃহস্পতিবার ভাষণ দেওয়ার সময় বহু দেশের প্রতিনিধিদল প্রতিবাদ জানিয়ে অধিবেশন কক্ষ থেকে বেরিয়ে যায়।
প্রতিনিধিদের অনেকে নেতানিয়াহুর বক্তব্যে হইচই ও দুয়োধ্বনি দেন। অন্যদিকে নেতানিয়াহুর নিজস্ব দলের সদস্যরা দাঁড়িয়ে করতালি দিতে থাকেন। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে অধিবেশনের সভাপতি বারবার শৃঙ্খলা বজায় রাখার আহ্বান জানান।
প্রতিবাদকারীদের উদ্দেশে নেতানিয়াহু বলেন, “যেসব নৈতিক কাপুরুষ এখনো এই কক্ষে রয়ে গেছেন, তারাও চাইলে এখন বেরিয়ে যেতে পারেন।”
নেতানিয়াহু তার বক্তব্যে ফিলিস্তিনের অধিকৃত পশ্চিম তীরে ইসরাইলি বসতি স্থাপনের বিরুদ্ধে ফ্রান্স ও যুক্তরাজ্যের বক্তব্যের সমালোচনা করে দুই দেশের অতীত ঔপনিবেশিক ইতিহাসের প্রসঙ্গ টানেন। তিনি বলেন, ইসরাইলকে ঔপনিবেশিকতার জন্য অভিযুক্ত করা হচ্ছে, অথচ “ঔপনিবেশিকতা” শব্দটিই ব্রিটেন ও ফ্রান্সের মতো দেশগুলোর ইতিহাসের সঙ্গে জড়িত।
পশ্চিম তীরের ফিলিস্তিনি এলাকায় হামলা চালানো ইসরাইলি তরুণদের প্রসঙ্গেও কথা বলেন নেতানিয়াহু। গণমাধ্যমে এসব ঘটনায় মাত্র প্রায় ১৫০ জন তরুণের কর্মকাণ্ডকে গুরুত্ব দেওয়া হচ্ছে দাবি করে তিনি বলেন, পাথর ছোড়া ও জলপাইগাছ কেটে ফেলার মতো কর্মকাণ্ড তিনি সমর্থন করেন না এবং সহ্য করবেন না।
নিউইয়র্কের মেয়র জোহরান মামদানির প্রসঙ্গ টেনে নেতানিয়াহু আরও বলেন, মামদানি মেয়র নির্বাচিত হওয়ার পর “অনেক ইহুদি নিউইয়র্কে আর নিরাপদ বোধ করেন না।” একই সঙ্গে ইসরাইলের বিরুদ্ধে মামদানি বারবার গণহত্যার অভিযোগ করছেন বলেও দাবি করেন তিনি।
আমার দেশের খবর পেতে গুগল নিউজ চ্যানেল ফলো করুন


