ভারত যখন যুক্তরাষ্ট্রের ইন্দো-প্যাসিফিক কৌশলের সঙ্গে সামঞ্জস্য রেখে সার্ক থেকে বিমসটেক-এ সরে যায়। তখন থেকেই দক্ষিণ এশিয়ায় একটি ভূরাজনৈতিক শূন্যতা সৃষ্টি হয়—যার শুরু ২০১৬ সাল থেকেই। প্রবীন সাহনি নামে একজন সাবেক ভারতীয় সেনা কর্মকর্তা মঙ্গলবার এক্স-এ দেয়া এক পোস্টে এমন মন্তব্য করেন।
তিনি আরো বলেন, গত তিন বছর ধরে আমি এ কথা বলে আসছি।
এক্স পোস্টে তিনি বলেন, এই শূন্যতা চীনের সহায়তায় পূরণ করা যেতে পারে, যদি পাকিস্তানকে দক্ষিণ এশিয়ায় ভারতের কৌশলগত বিকল্প হিসেবে উপস্থাপন করা যায়।
অপারেশনসিন্দুর পর, যেখানে পাকিস্তান সামরিক ক্ষেত্রে ভারতের সমপর্যায়ের প্রতিযোগী হিসেবে আবির্ভূত হয়েছে, বিষয়টি এখন বাস্তব মনে হচ্ছে।
ভারত ও ভুটান ছাড়া দক্ষিণ এশিয়ার প্রায় সব দেশ এখন বেল্ট অ্যান্ড রোড ইনিশিয়েটিভ (BRI)-এর সঙ্গে যুক্ত হওয়ায়, ঘটনাপ্রবাহ দ্রুত গতিতে এগোতে পারে।
এর প্রভাব পড়বে নিম্নোক্ত ক্ষেত্রে:
১. কাশ্মীর
২. দক্ষিণ এশিয়ায় ভারতের ভূমিকা
৩. ভারতের মধ্যপ্রাচ্যনীতি
৪. গ্লোবাল সাউথ-এ ভারতের অবস্থান
৫. ভারতের লুক ইস্ট নীতি
৬. যুক্তরাষ্ট্রের ইন্দো-প্যাসিফিক কৌশল
৭. পাকিস্তান-যুক্তরাষ্ট্র সম্পর্ক
সপ্তম বিষয়ের কারণেই আমি বলেছিলাম, পাকিস্তানের নীতিনির্ধারকদের বড় করে চিন্তা করা উচিত।
পাকিস্তানের মর্যাদা যত বাড়বে, ততই তার সামরিক সক্ষমতা—বিশেষ করে পারমাণবিক সক্ষমতা—শক্তিশালী করা প্রয়োজন হবে, যা সময়সাপেক্ষ ব্যাপার।
আমার দেশের খবর পেতে গুগল নিউজ চ্যানেল ফলো করুন


