গত ২৩ ও ২৯ এপ্রিল দুই দিন ভোট দিয়েছেন পশ্চিমবঙ্গের মানুষ। সোমবার সকাল ৮টা থেকে শুরু হয়েছে ভোট গণনা। মোটামুটি দুপুরের মধ্যেই স্পষ্ট হয়ে যাবে আগামী পাঁচ বছর পশ্চিমবঙ্গ থাকবে কার হাতে। নীলবাড়ি নবান্নের ১৪ তলায় প্রত্যাবর্তন হবে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের, নাকি দেড় দশক পরে আবার ‘পরিবর্তন’ দেখবে পশ্চিমবঙ্গ?
গত ২৩ এপ্রিল রাজ্যের ১৬টি জেলার ১৫২টি আসনে ভোটগ্রহণ হয়েছিল। তার পরে দ্বিতীয় দফায় ভোটগ্রহণ হয় দক্ষিণবঙ্গের সাত জেলার ১৪২টি আসনে। ২৯৪টি আসনের ভোটগ্রহণ হয়ে গেলেও ভোট গণনা হচ্ছে ২৯৩টি কেন্দ্রের। কারণ, দক্ষিণ ২৪ পরগনার ফলতা আসনে নির্বাচনে ‘অনিয়মের অভিযোগে’ ভোট বাতিল বলে ঘোষণা করেছে নির্বাচন কমিশন। আগামী ২১ মে ফলতায় নতুন করে ভোটগ্রহণ হবে। ২৪ মে হবে সেই ভোটের গণনা। যখন সেই ভোট হবে, তখন পশ্চিমবঙ্গ পরিচালনা করবে নির্বাচিত নতুন সরকার।
মোট আসন ২৯৪ থেকে কমে ২৯৩ হয়ে যাওয়ায় সরকার গড়তে হলে আগে পেতে হতো ১৪৮টি আসন। এখন পেতে হবে ১৪৭টি।
প্রথম দফায় যে ভোটগ্রহণ হয়েছিল, তার বেশির ভাগ জেলা বিজেপির ‘শক্ত ঘাঁটি’ বলে পরিচিত। আবার দ্বিতীয় দফায় ভোটগ্রহণ হয়েছিল তৃণমূলের ‘দুর্গ’ বলে পরিচিত দক্ষিণবঙ্গে।
এসআইআরের কারণে এবার মোট ভোটার অনেকটা কমে যাওয়ায় প্রত্যাশিতভাবেই ভোটদানের হার বেড়েছে। কিন্তু সরল পাটিগণিতের বাইরেও এবার ভোটদাতার সংখ্যা ২০২১-এর তুলনায় ৩০ লাখেরও বেশি। ফলে দুয়ে মিলে ভোটদানের হার রেকর্ড গড়েছে।
সূত্র: আনন্দবাজার
আরএ
আমার দেশের খবর পেতে গুগল নিউজ চ্যানেল ফলো করুন



পশ্চিমবঙ্গে বিজেপি এগিয়ে ১৫০ আসনে, তৃণমূল ১২৫