প্রায় তিন দশক পর ইরানে সফল করছেন সৌদি রাজপরিবারের সদস্য ও দেশটির প্রতিরক্ষা মন্ত্রী প্রিন্স খালিদ বিন সালমান আল সৌদ। সিএনএনের প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, বৃহস্পতিবার তিনি তেহরানে পৌঁছেছেন।
সৌদি কোনো উচ্চপদস্থ রাজপরিবারের সদস্য শেষবার ইরান সফর করেছিলেন ১৯৯৭ সালে—সেই সময় ইরানে সংস্কারপন্থি প্রেসিডেন্ট মোহাম্মদ খাতামি ক্ষমতায় ছিলেন। প্রিন্স খালিদ হচ্ছেন বর্তমান সৌদি বাদশাহ সালমান বিন আবদুল আজিজের ছেলে।
ইরানি সংবাদ সংস্থা আইএসএনএ জানায়, প্রিন্স খালিদ ইরানের সশস্ত্র বাহিনীর চিফ অফ স্টাফ মেজর জেনারেল মোহাম্মদ বাঘেরির সঙ্গে সাক্ষাৎ করবেন।
এই বৈঠকটি এমন সময়ে অনুষ্ঠিত হচ্ছে, যখন ইরান যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে একটি নতুন পারমাণবিক চুক্তির জন্য আলোচনায় বসতে যাচ্ছে। যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরাইলের পক্ষ থেকে ইরানের পারমাণবিক স্থাপনায় হামলার হুমকি দেওয়া হয়েছে। ইরান সতর্ক করেছে, তাদের ভূখণ্ডে কোনো হামলা হলে তা বড় ধরনের আঞ্চলিক যুদ্ধের জন্ম দিতে পারে। বর্তমানে যুক্তরাষ্ট্র সৌদি আরবসহ আশেপাশের গালফ আরব দেশগুলোতে সামরিক উপস্থিতি বজায় রেখেছে।
২০১৬ সালে সৌদি আরব একজন শিয়া ধর্মীয় নেতাকে মৃত্যুদণ্ড দিলে ইরানে এর প্রতিবাদে সৌদি দূতাবাসে হামলা হয়, এবং সেই ঘটনার পর রিয়াদ তেহরানের সঙ্গে কূটনৈতিক সম্পর্ক ছিন্ন করে। এরপর দুই দেশ ইয়েমেনসহ একাধিক দেশে প্রক্সি যুদ্ধ চালিয়ে গেছে।
গত অক্টোবর মাসে সৌদি আরব ও ইরান প্রথমবারের মতো একটি যৌথ নৌ মহড়ায় অংশ নেয় ওমান উপসাগরে। পরের মাসে, সৌদি আরবের সশস্ত্র বাহিনীর চিফ অফ স্টাফ ফায়াদ আল-রুয়াইলি তেহরান সফর করেন এবং তার ইরানি সমকক্ষের সঙ্গে বৈঠক করেন।
আমার দেশের খবর পেতে গুগল নিউজ চ্যানেল ফলো করুন

