কানাডার আলবার্টা প্রদেশে একটি সামরিক ঘাঁটির কাছে ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ডে বেশ কয়েকজন হতাহত হয়েছেন। তবে হতাহতের সুনির্দিষ্ট সংখ্যা নিশ্চিত করেননি দেশটির প্রতিরক্ষামন্ত্রী ডেভিড ম্যাকগিন্টি ।
তিনি জানান, আগুন নিয়ন্ত্রণে আনতে কানাডার সশস্ত্র বাহিনী স্থানীয় কর্তৃপক্ষের সঙ্গে সমন্বয় করে কাজ করছে। একই সঙ্গে অগ্নিকাণ্ডের কারণ অনুসন্ধান করা হচ্ছে। পরিস্থিতিকে ‘অত্যন্ত সক্রিয় ও স্পর্শকাতর’ বলে বর্ণনা করেন তিনি।
কানাডার প্রধানমন্ত্রী মার্ক কার্নি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম এক্সে দেওয়া এক বার্তায় জানান, দেশটিতে ‘একটি গুরুতর ঘটনা থেকে বড় ধরনের অগ্নিকাণ্ডের’ সূত্রপাত হয়েছে। এ ঘটনায় ক্ষতিগ্রস্ত সব সাহসী নারী ও পুরুষের প্রতি সমবেদনা জানান তিনি।
আলবার্টার কানাডিয়ান ফোর্সেস বেস ওয়েনরাইটে আগুনের সূত্রপাত হয়। এটি কানাডার অন্যতম ব্যস্ত সামরিক প্রশিক্ষণ ঘাঁটি। কানাডিয়ান ব্রডকাস্টিং করপোরেশনের (সিবিসি) তথ্য অনুযায়ী, সরাসরি গোলাবর্ষণ ও অস্ত্রের ব্যবহারসংক্রান্ত প্রশিক্ষণের জন্য এটি দেশটির প্রধান সামরিক ঘাঁটি। সাধারণ দিনে সেখানে প্রায় ৬৯০ জন সামরিক সদস্য ও ৩০০ জন বেসামরিক কর্মী অবস্থান করেন।
ওয়েনরাইটের মিউনিসিপ্যাল ডিস্ট্রিক্ট কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, শনিবার প্রবল বাতাসের কারণে আগুন দ্রুত ছড়িয়ে পড়ে এবং ঘাঁটির সীমানাপ্রাচীরের বেড়া পেরিয়ে বাইরে চলে যায়।
প্রতিরক্ষামন্ত্রী ম্যাকগিন্টি সাংবাদিকদের বলেন, সাম্প্রতিক সময়ে এমন ঘটনা ঘটেছে বলে তার মনে পড়ে না।
আলবার্টার প্রিমিয়ার ড্যানিয়েল স্মিথ এ অগ্নিকাণ্ডকে ‘ব্যাপক ও মর্মান্তিক’ ঘটনা হিসেবে উল্লেখ করেছেন। তিনি বলেন, এতে প্রদেশটির অনেক সাহসী সামরিক সদস্য ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছেন। পরিস্থিতি মোকাবিলা ও তদন্তে প্রাদেশিক কর্তৃপক্ষ কেন্দ্রীয় সরকারের সঙ্গে যোগাযোগ রাখছে বলেও জানান তিনি।
কখন আগুনের সূত্রপাত হয়েছে, তা এখনো স্পষ্ট নয়। তবে স্থানীয় সময় শনিবার বিকেল ৫টা ৩০ মিনিটের দিকে এ ঘটনা নিয়ে প্রথমবারের মতো বার্তা প্রকাশ করে স্থানীয় প্রশাসন।
এদিকে, স্থানীয় বাসিন্দাদের ঘটনাস্থল এড়িয়ে চলার এবং জরুরি সেবায় নিয়োজিত যানবাহনকে নির্বিঘ্নে চলাচলের সুযোগ দিতে নির্দেশ দিয়েছে কর্তৃপক্ষ।
সূত্র: বিবিসি
আরএ
আমার দেশের খবর পেতে গুগল নিউজ চ্যানেল ফলো করুন


