নথিবিহীন অভিবাসীদের নির্বাসন কার্যক্রম আরো বাড়ানোর প্রতিশ্রুতি দিয়েছেন ইউরোপীয় ইউনিয়নের রাজনীতিবিদেরা। অভিবাসননীতি কঠোর করার অংশ হিসেবে ‘বিতর্কিত’ প্রত্যাবাসননীতি গ্রহণ করছে ইইউ। নতুন আইনটি মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের অভিবাসন সংস্থা আইসিইর আদলে করা হয়েছে বলে অভিযোগ করছে মানবাধিকার সংগঠনগুলো।
এই নীতিমালায় পুলিশকে কোনো বিচারিক আদেশ ছাড়াই সন্দেহভাজন অভিবাসীদের বাড়ি, কর্মক্ষেত্র, স্কুল ও স্বাস্থ্যকেন্দ্রে জোরপূর্বক প্রবেশের অনুমতি দেওয়া হয়েছে।
যেসব অভিবাসী বহিষ্কারাদেশ মানবেন না বা পালিয়ে যাওয়ার ঝুঁকি থাকবে, তাদের আটকের মেয়াদ ১৮ মাস থেকে বাড়িয়ে ২৪ মাস করা হয়েছে, যা ৩০ মাস পর্যন্ত বাড়ানো যাবে। যারা নির্বাসন আদেশ মানতে অস্বীকার করবে, তাদের সুবিধা বা অন্যান্য ভাতা বন্ধ করে দেওয়া হতে পারে।
এই প্রবিধান অফশোর রিটার্ন হাব তৈরিরও সুযোগ দেবে। নিজ দেশে ফেরত পাঠানোর আগে ইউরোপীয় ইউনিয়নের বাইরে অন্য দেশের আটক কেন্দ্রে নথিবিহীন ব্যক্তিদের রাখা হবে।
যাদের নিরাপত্তা ঝুঁকি হিসেবে বিবেচনা করা হবে, তাদের ইউরোপীয় ইউনিয়নে প্রবেশে আজীবন নিষেধাজ্ঞা দেওয়া হতে পারে, যেখানে বর্তমানে সর্বোচ্চ ১০ বছরের নিষেধাজ্ঞা রয়েছে।
ইইউ আশা করছে, এই পদক্ষেপগুলো আশ্রয়ের অধিকার থেকে বঞ্চিত, ভিসার মেয়াদ শেষ হওয়ার পরেও অবস্থানকারী বা বসবাসের অধিকার নেই এমন ব্যক্তিদের নির্বাসন বাড়াবে।
ইইউ কর্মকর্তারা এই আইনকে জোটের অভিবাসন ব্যবস্থাপনার ক্ষেত্রে একটি গুরুত্বপূর্ণ পদক্ষেপ হিসেবে স্বাগত জানিয়েছেন।
তবে মানবাধিকার সংস্থাগুলো সতর্ক করে বলেছে, এই পদক্ষেপগুলো অভিবাসীদের মধ্যে ভয়, বর্ণবাদ ও বৈষম্য সৃষ্টি করবে এবং স্বাস্থ্যসেবা ও শিক্ষার মতো মৌলিক অধিকারগুলোকে হুমকির মুখে ফেলবে।
সূত্র: দ্য গার্ডিয়ান
আরএ
আমার দেশের খবর পেতে গুগল নিউজ চ্যানেল ফলো করুন



দিল্লির আবাসিক হোটেলে ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ডে ২১ জনের মৃত্যু
ক্ষেপণাস্ত্র ও ড্রোন হামলা প্রতিহতের দাবি কুয়েতের সামরিক বাহিনীর