গাজায় অনাহার ও অপুষ্টিজনিত কারণে গত ২৪ ঘন্টায় কমপক্ষে ১১ ফিলিস্তিনির মৃত্যু হয়েছে। এ নিয়ে গত মার্চ থেকে মোট মৃতের সংখ্যা ২৫১ জনে দাঁড়ালো। শনিবার ফিলিস্তিনি স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয় এতথ্য জানায়। নিহতদের মধ্যে ১০৮ জনই শিশু। খবর বার্তা সংস্থা আনাদোলুর।
গত ২ মার্চ থেকে, ইসরাইলি কর্তৃপক্ষ সব সীমান্ত ক্রসিং সম্পূর্ণ বন্ধ করে দিয়েছে। এরফলে উপত্যকাজুড়ে ভয়াবহ খাদ্য সংকট দেখা দিয়েছে।
যুদ্ধবিরতির আন্তর্জাতিক আহ্বান প্রত্যাখ্যান করে, ইসরাইলি সেনাবাহিনী ২০২৩ সালের ৭ অক্টোবর থেকে গাজায় নৃশংস আক্রমণ চালিয়ে যাচ্ছে। যার ফলে প্রায় ৬১ হাজার ৯০০ ফিলিস্তিনি নিহত হয়েছে, যাদের বেশিরভাগই নারী ও শিশু। অবিরাম বোমাবর্ষণের ফলে উপত্যকা ধ্বংস হয়ে গেছে এবং দুর্ভিক্ষের ঝুঁকি তৈরি হয়েছে।
গত নভেম্বরে, আন্তর্জাতিক অপরাধ আদালত গাজায় যুদ্ধাপরাধ এবং মানবতাবিরোধী অপরাধের জন্য ইসরাইলি প্রধানমন্ত্রী বেনিয়ামিন নেতানিয়াহু এবং তার সাবেক প্রতিরক্ষামন্ত্রী ইয়োভ গ্যালান্তের বিরুদ্ধে গ্রেপ্তারি পরোয়ানা জারি করে। গাজায় যুদ্ধের জন্য ইসরাইল আন্তর্জাতিক বিচার আদালতে গণহত্যার মামলার মুখোমুখি হয়েছে।
এদিকে, গাজায় ২৭ মে থেকে ১৩ আগস্ট পর্যন্ত ত্রাণ সংগ্রহ করতে গিয়ে ইসরাইলি বাহিনীর গুলিতে নিহত হয়েছেন এক হাজার ৭৬০ ফিলিস্তিনি, যাদের মধ্যে রয়েছে শিশু ও বৃদ্ধ। আর নিহতরা সবাই যুক্তরাষ্ট্র-ইসরাইল সমর্থিত গাজা হিউম্যানিটেরিয়ান ফাউন্ডেশন থেকে ত্রাণ সংগ্রহের জন্য গিয়েছিলেন। মে মাসে এই কেন্দ্র থেকে ত্রাণ বিতরণ শুরুর পর থেকে বিভিন্ন স্থানে ফিলিস্তিনিদের ওপর হামলা করার অভিযোগ ওঠে ইসরাইলি বাহিনীর বিরুদ্ধে। শুক্রবার জাতিসংঘের মানবাধিকার অফিস থেকে প্রকাশিত এক প্রতিবেদনে এই পরিসংখ্যান উঠে এসেছে।
আরএ
আমার দেশের খবর পেতে গুগল নিউজ চ্যানেল ফলো করুন



