ইমরান খানের পিটিআইয়ের শতাধিক কর্মীর কারাদণ্ড

ইমরান খানের পিটিআইয়ের শতাধিক কর্মীর কারাদণ্ড

পাকিস্তানের কারাবন্দি সাবেক প্রধানমন্ত্রী ইমরান খানের দল পাকিস্তান তেহরিক-ই-ইনসাফের ১০৮ জন সদস্যকে বিভিন্ন মেয়াদে কারাদণ্ড দিয়েছে দেশটির সন্ত্রাসবিরোধী আদালত। ২০২৩ সালের মে মাসে বিক্ষোভ ও সহিংসতায় জড়িত থাকার অভিযোগে বৃহস্পতিবার তাদের এ কারাদণ্ড দেওয়া হয়। খবর বিবিসির।

২০২৩ সালের মে মাসে দুর্নীতির অভিযোগে আদালতে হাজিরা দেওয়ার সময় নিরাপত্তা বাহিনী ইমরান খানকে গ্রেপ্তার করে। এরপর দেশব্যাপী সহিংস বিক্ষোভ শুরু হয়।

বিজ্ঞাপন

গত দুই বছরে কর্তৃপক্ষ অনেককেই কারাদণ্ড দিয়েছে। তবে বৃহস্পতিবার যাদের সাজা দেওয়া হলো তাদের মধ্যে বিরোধীদলীয় নেতা ওমর আইয়ুব খানও রয়েছেন। তার ১০ বছরের কারাদণ্ড পাকিস্তান তেহরিক-ই-ইনসাফ পার্টির জন্য একটি বড় ধাক্কা।

আদালত জানিয়েছে, অভিযুক্তদের মধ্যে ৫৮ জনকে ১০ বছর করে কারাদণ্ড দেওয়া হয়েছে। এই ৫৮ জনের মধ্যে সংসদ সদস্য এবং জ্যেষ্ঠ নেতারাও রয়েছেন। বাকি ব্যক্তিদের এক থেকে তিন বছর পর্যন্ত বিভিন্ন মেয়াদের সাজা দেওয়া হয়েছে।

সন্ত্রাসবিরোধী আদালতের এই রায়ের নিন্দা করেছেন বিরোধী নেতারা। এই রায়ে পিটিআইয়ের ছয়জন আইনপ্রণেতাকে তাদের আসন থেকে অযোগ্য ঘোষণা করা হয়েছে।

রায়ে বলা হয়েছে, প্রসিকিউশন সন্দেহাতীতভাবে অভিযুক্তদের বিরুদ্ধে তাদের মামলা প্রমাণ করতে সক্ষম হয়েছে। আদালতের এই রায়ের বিরুদ্বে আপিল করবে পিটিআই।

রায়ের প্রতিক্রিয়ায় পিটিআই সামাজিক মাধ্যম এক্সে দেওয়া পোস্টে জানিয়েছে, ‘পাকিস্তানের বিচারিক ইতিহাসে প্রথমবারের মতো, এতো দুঃখজনক ও লজ্জাজনক ঘটনা ঘটেছে। এতে সংসদের উভয় কক্ষের বিরোধী দলের নেতাদের কেবল এই ভিত্তিতে শাস্তি দেওয়া হয়েছে যে তারা ইমরান খানের রাজনৈতিক মতাদর্শ, জনপ্রতিনিধিত্ব এবং সাংবিধানিক সংগ্রামের অনুগত মিত্র ছিলেন।’

ইমরান খানের গণমাধ্যম উপদেষ্টা জুলফি বুখারি বলেছেন, সর্বশেষ শাস্তির রায় ‘গণতন্ত্রের জন্য একটি কালো দিন।’

ইমরান খান ২০২৩ সাল থেকে কারাগারে রয়েছেন। দুর্নীতি, ভূমি জালিয়াতি ও সরকারি গোপন নথি ফাঁস করার অভিযোগে বিচারের মুখোমুখি তিনি।

আরএ

আরএ

Google News Icon

আমার দেশের খবর পেতে গুগল নিউজ চ্যানেল ফলো করুন