রাষ্ট্রবিরোধী কন্টেন্ট সম্প্রচার এবং ‘মিথ্যা, বিভ্রান্তিকর এবং ভুয়া’ তথ্য ছড়ানোর অভিযোগে ২৭টি ইউটিউব চ্যানেল বন্ধ করার নির্দেশ দিয়েছে ইসলামাবাদের একটি আদালত। মঙ্গলবার পাকিস্তানের সংবাদমাধ্যম ডন এক প্রতিবেদনে একথা জানিয়েছে।
সামাজিক মাধ্যমে অবৈধ কার্যকলাপ তদন্তের জন্য জাতীয় সাইবার ক্রাইম ইনভেস্টিগেশন এজেন্সি (এনসিসিআইএ) প্রতিষ্ঠা করেছে পাকিস্তান সরকার। স্বরাষ্ট্র বিভাগের অধীনে পরিচালিত এনসিসিআইএ পাকিস্তানে সাইবার অপরাধ মোকাবেলায় গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে।
গত ২৪ জুন সাব-ইন্সপেক্টর ওয়াসিম খান ইসলামাদের ম্যাজিস্ট্রেট আদালতকে জানান, ইলেক্ট্রনিক অপরাধ প্রতিরোধ আইন, ২০১৬ এর ৩৭ ধারার অধীনে ২৭টি ইউটিউব চ্যানেলের বিরুদ্ধে তদন্ত পরিচালনা করে পুলিশ।
তিনি আদালতকে জানান, এই ১৭টি ইউটিউব চ্যানেল রাষ্ট্রীয় প্রতিষ্ঠানের বিরুদ্ধে ভুয়া ও বিভ্রান্তিকর তথ্য প্রচার ও প্রচারে জড়িত। যা সাধারণ জনগণ বা সমাজে ভয়, আতঙ্ক, বিশৃঙ্খলা বা অস্থিরতা সৃষ্টি করতে পারে। এসব মানহানিকর ও ভুয়া মন্তব্য বা তথ্য সরকারি কর্মকর্তাদের মর্যাদা ক্ষুন্ন করে।
এসব ইউটিউবের মধ্যে সাংবাদিক মতিউল্লাহ জান, ওয়াজাহাত খান, আহমেদ নুরানি, আসাদ আলি তুরের চ্যানেল রয়েছে।
তিনি আরো জানান, এই ইউটিউব চ্যানেলগুলোতে পাকিস্তানের রাষ্ট্রীয় প্রতিষ্ঠান এবং কর্মকর্তাদের বিরুদ্ধে অত্যন্ত ভীতিপ্রদর্শক, উস্কানিমূলক এবং অবমাননাকর বিষয়বস্তু শেয়ার করা হয়। এসব চ্যানেল রাষ্ট্রীয় প্রতিষ্ঠান ও কর্মকর্তাদের বিরুদ্ধে জনসাধারণের কাছে মিথ্যা, বিভ্রান্তিকর এবং ভুয়া তথ্যের উৎস।
এই ২৭টি ইউটিউব চ্যানেল বন্ধে করতে প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ নেওয়ার অনরুরোধ জানিয়েছিলেন এসআই খান।
জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট মুহাম্মদ আব্বাস শাহের ২৪ জুনের আদেশে বলা হয়, তিনি তদন্ত কর্মকর্তার বক্তব্য শুনেছেন এবং নথিপত্র পরীক্ষা করেছেন। সব প্রমাণের ওপর ভিত্তি করে এসব চ্যানেল বন্ধ করার নির্দেশ দেন তিনি।
মঙ্গলবার সকালে তুর জানান, তিনি ইউটিউব থেকে একটি নোটিশ পেয়েছেন। যেখানে তার চ্যানেলটি অপসারণের জন্য প্রাপ্ত আইনি অনুরোধ সম্পর্কে জানানো হয়েছে।
আরএ
আমার দেশের খবর পেতে গুগল নিউজ চ্যানেল ফলো করুন


