ইসরাইলের আকাশসীমা নিয়ন্ত্রণে নেওয়ার দাবি ইরানের

ইসরাইলের আকাশসীমা নিয়ন্ত্রণে নেওয়ার দাবি ইরানের

ইসরাইলের বিরুদ্ধে আরো কঠোর জবাব দেওয়া শুরু করেছে ইরান। ইসলামিক রেভল্যুশনারি গার্ড কোর (আইআরজিস) এর বরাত দিয়ে আল জাজিরা জানিয়েছে, ইসরাইলের বিরুদ্ধে আক্রমণে হাইপারসনিক ফাত্তাহ ক্ষেপণাস্ত্র ব্যবহার করছে ইরান।

তেহরানের দাবি, হাইপারসনিক ফাত্তাহ ক্ষেপণাস্ত্র ইসরাইলি বিমান প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা ভেঙে ফেলেছে এবং এখন দেশটির আকাশের উপর তাদের নিয়ন্ত্রণ রয়েছে।

বিজ্ঞাপন

ইরানের বিরুদ্ধে ইসরাইল সরকারের নৃশংস আগ্রাসনের জবাবে শুক্রবার গভীর রাতে শুরু হওয়া প্রতিশোধমূলক অভিযানের সবশেষ ধাপ স্থানীয় সময় বুধবার রাত একটা ৩০ মিনিটে শুরু হয়। প্রেসটিভি এক প্রতিবেদনে জানায়, ইসরাইলের বিমান প্রতিরক্ষার তিনটি স্তর ভেদ করে ইরানি দূরপাল্লার ক্ষেপণাস্ত্রগুলো আঘাত হানে এবং লক্ষ্যবস্তু ধ্বংস করে দেয়।

বুধবার ভোরে ইরানি ক্ষেপণাস্ত্রের আঘাতে মধ্য ইসরাইলের একটি এলাকায় আগুন লেগে যায়। ইরানের ফার্স নিউজ এজেন্সি জানিয়েছে, উত্তর ইসরাইলে অবস্থিত মেরন বিমানঘাঁটিতেও হামলা হয়েছে।

সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে পোস্ট করা বিভিন্ন ছবিতে সংবেদনশীল এবং কৌশলগত ইসরায়েলি সামরিক গোয়েন্দা কেন্দ্রে আগুন এবং সেখান থেকে ধোঁয়া বের হতে দেখা গেছে।

অনেক সময় সতর্কতামূলক সাইরেন বাজার আগেই ইরানের ক্ষেপণাস্ত্র আঘাত হানে। যার ফলে লোকজন বাঙ্কারে লুকিয়ে পড়ার সময়ও পায়নি।

ইসরাইলের বিরুদ্ধে হামলা জোরদার করার আগে, ইরানের সশস্ত্র বাহিনীর নবনিযুক্ত প্রধান মেজর জেনারেল সায়্যিদ আব্দুলরাহিম মুসাভি ইসরাইলের বিরুদ্ধে শিগগিরই আরো কঠোর শাস্তিমূলক অভিযান চালানোর হুঁশিয়ার দেন। মঙ্গলবার টেলিভিশনে দেওয়া ভাষণে এ হুঁশিয়ারি দেন তিনি।

এই শীর্ষ কমান্ডার আরো বলেন, ‘ইতিহাস সাক্ষী, ইরানি জাতি কখনো কোনো আগ্রাসনের কাছে মাথা নত করেনি। বর্বর আগ্রাসনের বিরুদ্ধে দৃঢ়ভাবে দাঁড়িয়ে, ইহুদিবাদী সরকারকে তার অপরাধের জন্য মূল্য দিতে বাধ্য করবে।’

তিনি আরো বলেন, ‘আমাদের প্রিয় স্বদেশী, বিজ্ঞানী এবং সশস্ত্র বাহিনীর কমান্ডারদের শাহাদাত, শাস্তিমূলক প্রতিশোধ গ্রহণে আমাদের সংকল্পকে আরও শক্তিশালী করবে।’

এ সময় শহীদদের রক্তের প্রতিশোধ নেওয়ার ঘোষণাও দেন এই জেনাররেল।

আরএ

Google News Icon

আমার দেশের খবর পেতে গুগল নিউজ চ্যানেল ফলো করুন