যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প ইরান ও ইসরাইলের মধ্যে যুদ্ধবিরতির ঘোষণা দেওয়ার এক দিন পরও কিছুটা অনিশ্চয়তা সত্ত্বেও যুদ্ধবিরতি এখনো কার্যকর রয়েছে। এই যুদ্ধে নিজেদের বিজয় ঘোষণা করে ইরানের রাস্তায় বড় বড় মিছিল ও শোডাউন করেছেন দেশটির নাগরিকরা। তাদের চিরশত্রু ইসরাইলকে যুদ্ধে হারাতে পেরেছেন একটাই তাদের আনন্দ। এটাই তাদের উল্লাসের কারণ। পক্ষান্তরে ইরানি হামলার পর ক্ষতিপূরণ চেয়ে আবেদন করেছেন হাজার হাজার ইসরাইলি।
ইরানের উপ-রাষ্ট্রপতি মোহাম্মদ রেজা আরেফ বলেন, এই বিজয়ের মাধ্যমে ইরান শুধু সামরিক নয়, কূটনৈতিক অঙ্গনেও প্রমাণ করেছে-আমেরিকা ও পশ্চিমা শক্তির শিং ভেঙে দেওয়ার মতো সক্ষমতা আমাদের আছে। এটাই ইরানের প্রকৃত শক্তির বহিঃপ্রকাশ।
যুদ্ধবিরতির ঘোষণা দেন যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। এরপরই ইরানের শীর্ষ নেতারা একে ‘ঐতিহাসিক জয়’ হিসেবে আখ্যা দেন।
ইরানের সংসদ স্পিকার এবং সাবেক আইআরজিসি (রেভল্যুশনারি গার্ড) কমান্ডার মোহাম্মদ বাঘের ঘালিবাফের শীর্ষ সহকারী মাহদি মোহাম্মাদিও এটিকে একটি বড় ও ঐতিহাসিক বিজয় হিসেবে অভিহিত করে উদযাপন করেন।
এদিকে মঙ্গলবার তুরস্কের রাষ্ট্রীয় সংবাদ সংস্থা আনাদোলুর এক প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, ইরানের একের পর এক ক্ষেপণাস্ত্র-ড্রোন হামলায় পর্যুদস্ত ইসরাইলিরা এখন নেতানিয়াহুর সরকারের কাছে ক্ষতিপূরণ চাইছেন। প্রায় ৩৯ হাজার আবেদন জমা পড়েছে।
সংবাদমাধ্যমটির খবর, ইরানি হামলায় ক্ষতিগ্রস্তদের জন্য একটি ক্ষতিপূরণ তহবিল গঠন করেছে ইসরাইল কর্তৃপক্ষ। ১৩ জুন ইরান-ইসরাইলের মধ্যে সংঘাত শুরুর পর থেকে এ তহবিল থেকে ক্ষতিপূরণ চেয়ে মোট ৩৮ হাজার ৭০০টি আবেদন জমা পড়েছে।
আমার দেশের খবর পেতে গুগল নিউজ চ্যানেল ফলো করুন

