গাজার রাফাহ ক্রসিং পরিচালনা ও নিয়ন্ত্রণ নিয়ে একটি নতুন ইসরাইলি পরিকল্পনার কথা জানিয়েছে আলজাজিরা। প্রস্তাবিত এই পরিকল্পনায় গাজায় প্রবেশ ও গাজা থেকে বের হওয়ার ক্ষেত্রে কঠোর নজরদারি, বহুস্তরীয় চেকপোস্ট এবং অনুমোদন-নির্ভর প্রক্রিয়া রাখা হয়েছে বলে প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়।
প্রতিবেদনে বলা হয়, গাজায় প্রবেশের ক্ষেত্রে প্রক্রিয়াটি আরো কঠিন করা হচ্ছে। পরিকল্পনা অনুযায়ী, যুদ্ধের সময় গাজা ছেড়ে যাওয়া বাসিন্দা, ফিলিস্তিনি কর্তৃপক্ষের (পিএ) প্রতিনিধি এবং সীমিত সংখ্যক মানবিক সহায়তাকর্মী প্রবেশের জন্য যোগ্য বিবেচিত হতে পারেন।
তবে তাদের নাম নিবন্ধন করতে হবে, যা মিসর পর্যালোচনা করে ইসরাইলের শিন বেতের কাছে অনুমোদনের জন্য পাঠাবে। এরপর যাত্রীরা পিএ এবং ইউরোপীয় ইউনিয়নের প্রতিনিধিদের পরিচালিত একটি চেকপয়েন্ট অতিক্রম করবেন। সবশেষে ইসরাইলি বহুস্তরীয় চেকপোস্টে দেহ তল্লাশি, এক্স-রে স্ক্রিনিং এবং বায়োমেট্রিক যাচাইয়ের মধ্য দিয়ে যেতে হবে। এরপরই ‘হলুদ রেখা’ পার হওয়ার অনুমতি মিলবে।
অন্যদিকে গাজা ছাড়ার ক্ষেত্রে প্রক্রিয়াটি তুলনামূলক সহজ রাখা হচ্ছে বলে উল্লেখ করা হয়েছে। এতে সীমিত সংখ্যক চিকিৎসাধীন রোগীকে অগ্রাধিকার দেওয়া হবে, পরে অন্যদের জন্য খুলে দেওয়ার কথা বলা হয়।
গাজা থেকে বের হতে চাওয়া ব্যক্তিদেরও নাম নিবন্ধন করতে হবে এবং একইভাবে মিসরের মাধ্যমে শিন বেতের অনুমোদন লাগবে। এরপর পিএ ও ইইউ পরিচালিত চেকপয়েন্ট পেরিয়ে ইসরাইলি কর্মকর্তারা একটি কমান্ড সেন্টার থেকে মুখ শনাক্তকরণ সফটওয়্যার ব্যবহার করে ক্রসিংয়ের গেট খুলে যাত্রীদের পার হতে দেবেন।
এদিকে গাজার গণমাধ্যম দপ্তরের পরিচালক ইসমাইল আল-থাওয়াবতা বলেছেন, ইসরাইলের আগ্রাসনের সময় গাজা ছাড়তে বাধ্য হওয়া প্রায় ৮০ হাজার ফিলিস্তিনি এখন ফিরে আসতে চাইছেন। একই সঙ্গে আনুমানিক ২২ হাজার আহত ও অসুস্থ ব্যক্তি চিকিৎসার জন্য বিদেশে যেতে ‘জরুরি প্রয়োজন’ অনুভব করছেন। তিনি বলেন, রাফাহ ক্রসিংয়ে চলাচল তদারকিতে একাধিক পক্ষ দায়িত্ব পালন করবে।
আমার দেশের খবর পেতে গুগল নিউজ চ্যানেল ফলো করুন


গাজায় ইসরাইলি আগ্রাসন থামেনি, যুদ্ধবিরতির পর নিহত ৫০৯
সৌদি-পাকিস্তান প্রতিরক্ষা চুক্তিতে থাকছে না তুরস্ক
খাশোগি হত্যা নিয়ে এপস্টেইন ফাইলসে চাঞ্চল্যকর তথ্য