ইসরাইলের অস্ত্র রপ্তানি বেড়েছে ১৩০ শতাংশ, বড় ক্রেতা আমিরাত

ইসরাইলের অস্ত্র রপ্তানি বেড়েছে ১৩০ শতাংশ, বড় ক্রেতা আমিরাত
ছবি: রয়টার্স

গাজা যুদ্ধসহ মধ্যপ্রাচ্যের বিভিন্ন সংঘাতের মধ্যে গত পাঁচ বছরে ইসরাইলের প্রতিরক্ষা সরঞ্জাম রপ্তানি বেড়েছে ১৩০ শতাংশ। ২০২০ সালে দেশটির প্রতিরক্ষা সরঞ্জাম রপ্তানি থেকে আয় হয়েছিল ৮৩০ কোটি ডলার। ২০২৫ সালে তা বেড়ে দাঁড়ায় ১ হাজার ৯২০ কোটি ডলারে। এই অস্ত্রের অন্যতম বড় ক্রেতা হয়ে উঠেছে সংযুক্ত আরব আমিরাত।

বিজ্ঞাপন

গত বৃহস্পতিবার প্রকাশিত ইন্টারন্যাশনাল ইনস্টিটিউট ফর স্ট্র্যাটেজিক স্টাডিজের (আইআইএসএস) এক প্রতিবেদনে এ তথ্য উঠে এসেছে। ‘ডিফেন্স ডিভিডেন্ডস অব দ্য আব্রাহাম অ্যাকর্ডস’ শিরোনামের প্রতিবেদনে ইসরাইলের প্রতিরক্ষা রপ্তানি বৃদ্ধির এই চিত্র তুলে ধরা হয়েছে।

প্রতিবেদন অনুযায়ী, গাজায় হামাসের সঙ্গে যুদ্ধের পাশাপাশি ইসরাইল হিজবুল্লাহ ও হুথিদের সঙ্গে সংঘাতে জড়িয়েছে। ইরানের সঙ্গেও সরাসরি সংঘাতে জড়িয়েছে দেশটি। এসব সংঘাতের সময়ে ইসরাইলের প্রতিরক্ষা শিল্পের কার্যক্রমও বেড়েছে।

২০২০ সালে ইসরাইলের প্রতিরক্ষা সরঞ্জাম রপ্তানি থেকে আয় ছিল ৮৩০ কোটি ডলার। পাঁচ বছরের ব্যবধানে ২০২৫ সালে তা বেড়ে ১ হাজার ৯২০ কোটি ডলারে পৌঁছেছে। অর্থাৎ এই সময়ে রপ্তানি আয় বেড়েছে ১৩০ শতাংশ।

ইসরাইলের অস্ত্রের গুরুত্বপূর্ণ ক্রেতা হয়ে উঠেছে আব্রাহাম চুক্তিতে স্বাক্ষরকারী তিন দেশ—সংযুক্ত আরব আমিরাত, বাহরাইন ও মরক্কো। তবে এ তিন দেশের মধ্যে সবচেয়ে বেশি অস্ত্র কিনেছে সংযুক্ত আরব আমিরাত।

২০২২ সালে ইসরাইলের রাফায়েল অ্যাডভান্সড ডিফেন্স সিস্টেমস আমিরাতের কাছে মাঝারি পাল্লার আকাশ প্রতিরক্ষাব্যবস্থা ‘স্পাইডার এমআর’ বিক্রি করে। একই বছর এলবিট সিস্টেমস ও ইসরাইল অ্যারোস্পেস ইন্ডাস্ট্রিজসহ (আইএআই) আরো কয়েকটি ইসরাইলি প্রতিষ্ঠান আমিরাতে বিভিন্ন ধরনের প্রতিরক্ষা সরঞ্জাম ও প্রযুক্তি রপ্তানি করে।

তবে দুই দেশের প্রতিরক্ষা সম্পর্ক শুধু অস্ত্র কেনাবেচায় সীমাবদ্ধ নেই। প্রতিরক্ষা খাতে পারস্পরিক সহযোগিতাও বাড়ছে। আমিরাতের প্রতিষ্ঠান ইডিজিই ইসরাইলের অন্তত আটটি প্রতিষ্ঠানে বিনিয়োগ করেছে।

সূত্র: দ্য প্রিন্ট

Google News Icon

আমার দেশের খবর পেতে গুগল নিউজ চ্যানেল ফলো করুন