আমার দেশ জনপ্রিয় বাংলা নিউজ পেপার

হাদির হত্যাকারীদের ফেরত পাঠানোর বিষয়ে যা বলছে পশ্চিমবঙ্গ পুলিশ

আমার দেশ অনলাইন

হাদির হত্যাকারীদের ফেরত পাঠানোর বিষয়ে যা বলছে পশ্চিমবঙ্গ পুলিশ
ফয়সাল করিম মাসুদ ও তার সহযোগী আলমগীর হোসেন। ছবি: সংগৃহীত

ইনকিলাব মঞ্চের আহ্বায়ক শরীফ ওসমান হাদির হত্যাকাণ্ডে পশ্চিমবঙ্গ থেকে যে দুইজনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে, তাদের বিরুদ্ধে রাজ্য পুলিশ ভারতে অবৈধ প্রবেশের অভিযোগে মামলা করেছে।

গ্রেপ্তারের সময়ে তাদের কাছে কোনো ভারতীয় নথিপত্র ছিল না বলেও রাজ্য পুলিশ সূত্রে জানা যাচ্ছে। ওই দুইজনকে আদালতে তোলার পরে তাদের ১৪ দিনের পুলিশি হেফাজতে পাঠানো হয়েছে।

বিজ্ঞাপন

পুলিশের একজন কর্মকর্তা বিবিসি বাংলাকে জানিয়েছেন, এই দুইজনকে বাংলাদেশের হাতে তুলে দেওয়া হবে কি না, সেই সিদ্ধান্ত নেওয়া রাজ্য পুলিশের এখতিয়ারের বাইরে।

ফয়সাল করিম মাসুদ এবং তার সঙ্গী আলমগীর হোসেনকে পশ্চিমবঙ্গ পুলিশের স্পেশ্যাল টাস্ক ফোর্স গ্রেপ্তার করে ভারত-বাংলাদেশ সীমান্তের কাছে বনগাঁ থেকে।

কলকাতায় বাংলাদেশের উপদূতাবাস জানিয়েছে, এই দুইজনের সঙ্গে দেখা করার জন্য তারা ভারত সরকারের কাছে কনসুলার এক্সেস চেয়েছে।

কনসুলার অ্যাক্সেসের মাধ্যমে বিদেশের কোনো কূটনীতিক ভারতে আটক বিদেশি নাগরিকের সঙ্গে যোগাযোগ করতে পারেন।

এই মামলাটির ‘সংবেদনশীলতা এবং গুরুতর প্রকৃতি’র কথা মাথায় রেখে দুই দেশের প্রশাসনিক সহযোগিতায় এই প্রক্রিয়াটি ‘দ্রুত সম্পন্ন হতে পারে’ বলে বিবিসি বাংলাকে জানিয়েছেন ওই পুলিশ কর্মকর্তা।

প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে পুলিশ কর্মকর্তারা জানতে পারেন, হাদির হত্যার পর মাসুদ ও আলমগীর বাংলাদেশ থেকে পালিয়ে অবৈধভাবে ভারতে প্রবেশ করেছিলেন মেঘালয় সীমান্ত দিয়ে।

পুলিশের তথ্য অনুযায়ী, তারা এরপর ভারতের বিভিন্ন জায়গা দিয়ে চলাফেরা করেন এবং অবশেষে পশ্চিমবঙ্গের বনগাঁ সীমান্ত এলাকায় এসে লুকিয়ে থাকেন।

আন্তর্জাতিক সীমান্ত পেরিয়ে বাংলাদেশে ফিরে যাওয়ার তাদের পরিকল্পনা ছিল বলে পুলিশের দাবি।

তাদের সঙ্গে আরো অন্য কেউ অবৈধভাবে ভারতে প্রবেশ করেছিলেন কি না, তা-ও তদন্ত করে দেখছেন পুলিশ কর্মকর্তারা।

গত বছরের ১২ ডিসেম্বর ঢাকার বিজয়নগরে একটি প্রচারাভিযানের সময় হাদি গুলিবিদ্ধ হন। ১৮ ডিসেম্বর সিঙ্গাপুরের একটি হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তার মৃত্যু হয়। সূত্র: বিবিসি বাংলা

Google News Icon

আমার দেশের খবর পেতে গুগল নিউজ চ্যানেল ফলো করুন