যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প পাকিস্তান, সৌদি আরব ও তুরস্কের মধ্যে স্বাক্ষরিত নতুন প্রতিরক্ষা চুক্তিকে স্বাগত জানিয়েছেন। তিনি এই উদ্যোগকে ‘বড়, সাহসী ও গুরুত্বপূর্ণ প্রথম পদক্ষেপ’ হিসেবে বর্ণনা করেছেন।
রোববার ট্রাম্প বলেন, তিন দেশের এই প্রতিরক্ষা সহযোগিতা তাদের যৌথ নিরাপত্তা সক্ষমতা আরও কার্যকর ও অর্থবহভাবে বাড়াতে সহায়তা করবে।
গত ৭ আগস্ট মক্কায় পাকিস্তান, সৌদি আরব ও তুরস্কের নেতারা ‘মক্কা যৌথ প্রতিরক্ষা চুক্তি’ নামে একটি গুরুত্বপূর্ণ সামরিক সমঝোতায় স্বাক্ষর করেন। চুক্তির মূল নীতির মধ্যে রয়েছে—সদস্য কোনো একটি দেশের ওপর হামলাকে তিন দেশের সবার বিরুদ্ধে হামলা হিসেবে বিবেচনা করা।
চুক্তির আওতায় তিন দেশ রাজনৈতিক ও সামরিক পর্যায়ে সমন্বয় জোরদার করবে। স্থল, নৌ, আকাশ ও সাইবার ক্ষেত্রে যৌথ সামরিক মহড়ার পাশাপাশি ড্রোন, ইলেকট্রনিক যুদ্ধ, কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা ও প্রতিরক্ষা প্রযুক্তি খাতে সহযোগিতার পরিকল্পনাও রয়েছে।
বিশ্লেষকদের মতে, মধ্যপ্রাচ্যের চলমান অস্থিরতা ও আঞ্চলিক নিরাপত্তা পরিস্থিতির প্রেক্ষাপটে এই চুক্তি বিশেষ গুরুত্ব বহন করছে। পাকিস্তানের সামরিক সক্ষমতা, তুরস্কের উন্নত প্রতিরক্ষা প্রযুক্তি ও সৌদি আরবের অর্থনৈতিক শক্তি—এই তিনের সমন্বয়ে নতুন একটি আঞ্চলিক নিরাপত্তা কাঠামো গড়ে উঠতে পারে।
এর আগে পাকিস্তান ও সৌদি আরব ২০২৫ সালে একটি পারস্পরিক প্রতিরক্ষা চুক্তি করে। তুরস্কের যোগদানের মাধ্যমে সেই সহযোগিতা এখন ত্রিপক্ষীয় রূপ পেল। তবে এই জোট কোনো বিদ্যমান সামরিক জোটের বিকল্প হিসেবে গঠিত হয়নি বলে তুরস্ক জানিয়েছে। ভবিষ্যতে আরও দেশ এতে যুক্ত হতে পারে বলেও আলোচনা চলছে।
সূত্র: দ্য ইকোনমিস্ট টাইমস, এপি নিউজ, রয়টার্স ও ডন
আমার দেশের খবর পেতে গুগল নিউজ চ্যানেল ফলো করুন


