মধ্যপ্রাচ্যে চলমান যুদ্ধ এবং হরমুজ প্রণালী দিয়ে অপরিশোধিত তেল পরিবহনে বিঘ্নের মধ্যে জুলাই মাসের জন্য দৈনিক ১ লাখ ৮৮ হাজার ব্যারেল তেল উৎপাদন বাড়ানোর সিদ্ধান্ত নিয়েছে ওপেক প্লাস।
রোববার অনুষ্ঠিত এক ভার্চ্যুয়াল বৈঠকে সৌদি আরব, রাশিয়া, ইরাক, কুয়েত, কাজাখস্তান, আলজেরিয়া ও ওমানের জ্বালানিমন্ত্রীরা এই সিদ্ধান্ত অনুমোদন করেন বলে এক বিবৃতিতে জানিয়েছে ওপেক প্লাস।
জোটটির ভাষ্য, বৈশ্বিক তেলবাজারে স্থিতিশীলতা বজায় রাখা এবং উচ্চ তেলের দামের সময়ে সদস্য দেশগুলোর ক্ষতিপূরণমূলক উৎপাদন সমন্বয় দ্রুত বাস্তবায়নের লক্ষ্যেই এই পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছে। খবর আল জাজিরার।
তবে জ্বালানি বিশ্লেষণা প্রতিষ্ঠান রিস্টাড এনার্জির বিশ্লেষক হোর্হে লেওনের মতে, হরমুজ প্রণালীতে চলমান সংকটের কারণে এই উৎপাদন বৃদ্ধি বাজারে খুব বেশি প্রভাব ফেলবে না।
সিদ্ধান্ত ঘোষণার আগে তিনি বলেন, “হরমুজ প্রণালী বন্ধ থাকলে এই সিদ্ধান্তের বাস্তব অর্থ খুবই সীমিত।”
লেওন আরও বলেন, “বাজারে কোটার ঘোষণা কম নেই; সংকট হলো প্রকৃত তেলের সরবরাহ নিয়ে। তেল উৎপাদন বাড়ানোর ঘোষণা দেওয়া সহজ, কিন্তু সেই তেল যদি বাজারে পৌঁছাতে না পারে, তাহলে এর প্রভাব খুবই সামান্য হবে।”
তার মতে, দৈনিক ১ লাখ ৮৮ হাজার ব্যারেল উৎপাদন বৃদ্ধির সিদ্ধান্ত মূলত একটি নীতিগত বার্তা, বাস্তব অর্থে সরবরাহ বৃদ্ধির বড় কোনো পদক্ষেপ নয়।
বিশ্লেষকদের আশঙ্কা, হরমুজ প্রণালীতে অস্থিরতা দীর্ঘস্থায়ী হলে বৈশ্বিক জ্বালানি বাজারে চাপ আরও বাড়তে পারে এবং তেলের দাম উচ্চ পর্যায়ে থাকতে পারে।
এসআর
আমার দেশের খবর পেতে গুগল নিউজ চ্যানেল ফলো করুন


