যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প একাধিকবার দাবি করেছেন, ইরানে এরই মধ্যে ‘শাসনব্যবস্থার পরিবর্তন’ (রেজিম চেঞ্জ) ঘটেছে।
তার মতে, সর্বোচ্চ নেতা আয়াতুল্লাহ আলি খামেনেয়িসহ দেশটির শীর্ষ স্তরের অনেক কর্মকর্তা নিহত হওয়ায় এই পরিবর্তন এসেছে।
তবে বাস্তবতা বলছে, ইসলামি প্রজাতন্ত্রের প্রধান প্রতিষ্ঠানগুলো এখনো অটুট রয়েছে। খামেনেয়ির মৃত্যুর পর একটি ধর্মীয় পর্ষদ দ্রুত তার ছেলে মোজতবা খামেনেয়িকে উত্তরসূরি হিসেবে নির্বাচিত করেছে।
দেশটির সামরিক, নিরাপত্তা, রাজনৈতিক ও বিচার বিভাগীয় কর্তৃপক্ষ খামেনেয়ির কার্যালয় এবং থিওক্র্যাটিক (ধর্মতান্ত্রিক) শাসনব্যবস্থার প্রতি তাদের আনুগত্য পুনর্নিশ্চিত করেছে। যদিও নতুন সর্বোচ্চ নেতাকে এখন পর্যন্ত প্রকাশ্যে দেখা যায়নি; তার পক্ষ থেকে কেবল কয়েকটি লিখিত বিবৃতি প্রচার করা হয়েছে।
১৯৭৯ সালের বিপ্লবের পর শাসনব্যবস্থা রক্ষায় গঠিত ইরানের ইসলামি বিপ্লবী গার্ড কোর (আইআরজিসি) আগের মতোই সামরিক অভিযানের নেতৃত্ব দিচ্ছে। বিশেষ করে ইরানের প্রাকৃতিক সম্পদ ব্যবস্থাপনার মাধ্যমে তারা বিশাল অর্থনৈতিক ক্ষমতা ধরে রেখেছে। এ ছাড়া আধাসামরিক বাহিনী বাসিজ এবং অন্যান্য বাহিনীর মাধ্যমে রাজপথে সশস্ত্র নিয়ন্ত্রণও বজায় রেখেছে আইআরজিসি।
সূত্র: আল-জাজিরা
এএম
আমার দেশের খবর পেতে গুগল নিউজ চ্যানেল ফলো করুন

