তুরস্ক, সৌদি আরব ও পাকিস্তানের মধ্যে স্বাক্ষরিত মক্কা যৌথ প্রতিরক্ষা চুক্তি ‘সম্পূর্ণ প্রতিরক্ষামূলক’ প্রকৃতির এবং এটি কোনো দেশের বিরুদ্ধে লক্ষ্য করে করা হয়নি বলে জানিয়েছেন পাকিস্তানের উপপ্রধানমন্ত্রী ও পররাষ্ট্রমন্ত্রী ইসহাক দার।
সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম এক্সে দেওয়া এক বিবৃতিতে ইসহাক দার বলেন, মক্কা যৌথ প্রতিরক্ষা চুক্তির একমাত্র উদ্দেশ্য হলো বৃহত্তর অঞ্চলে শান্তি, স্থিতিশীলতা ও সমৃদ্ধির জন্য চলমান যৌথ প্রচেষ্টাকে আরো শক্তিশালী করা।
শুক্রবার মক্কায় তুরস্ক, সৌদি আরব ও পাকিস্তানের মধ্যে এই প্রতিরক্ষা চুক্তি স্বাক্ষরিত হয়। চুক্তির আওতায় তিন দেশের যেকোনো একটির ওপর হামলাকে তিনটি দেশের ওপর হামলা হিসেবে বিবেচনা করা হবে।
ইসহাক দার বলেন, আঞ্চলিক যেকোনো দেশ চুক্তির মৌলিক নীতিগুলো মেনে চলতে এবং পারস্পরিক শ্রদ্ধা, সহযোগিতা ও শান্তিপূর্ণ উপায়ে মতপার্থক্য নিরসনে আগ্রহী হলে এই চুক্তিতে যোগ দেওয়ার সুযোগ রয়েছে।
তিনি আরো বলেন, চুক্তি অনুযায়ী তিন দেশের যেকোনো একটির ওপর বাইরের কোনো সশস্ত্র হামলা হলে সেটিকে তিন দেশের ওপর হামলা হিসেবে গণ্য করা হবে। জাতিসংঘ সনদের ৫১ নম্বর অনুচ্ছেদে স্বীকৃত ব্যক্তিগত ও সম্মিলিত আত্মরক্ষার অধিকারের সঙ্গে সামঞ্জস্য রেখেই এই ব্যবস্থা রাখা হয়েছে।
তবে এই প্রতিরক্ষা চুক্তি তুরস্ক, সৌদি আরব ও পাকিস্তানের মধ্যে বিদ্যমান কোনো দ্বিপক্ষীয় বা বহুপক্ষীয় চুক্তিকে বাতিল বা প্রতিস্থাপন করবে না বলে স্পষ্ট করেছেন ইসহাক দার। একইভাবে, অন্যান্য দেশ বা আন্তর্জাতিক সংস্থার সঙ্গে তাদের বিদ্যমান চুক্তিগুলোর ওপরও এর কোনো প্রভাব পড়বে না বলে জানান তিনি।
সূত্র: আল জাজিরা
এআরবি
আমার দেশের খবর পেতে গুগল নিউজ চ্যানেল ফলো করুন


