আজ ৩০ জুলাই, বিশ্ব মানবপাচারবিরোধী দিবস। ২০১৩ সালের ১৮ ডিসেম্বর জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদ ৩০ জুলাইকে বিশ্ব মানবপাচারবিরোধী দিবস ঘোষণা করে। এ বছরের প্রতিপাদ্য বিষয় ‘প্রতারণার ফাঁদে বন্দি’। মানবপাচারের শিকার হওয়া বাংলাদেশিদের জন্য যেন নিয়মিত ঘটনা হয়ে দাঁড়িয়েছে। ইউরোপে রঙিন জীবনের আশায় লিবিয়া হয়ে বিপজ্জনক সাগরপথ আর সাইবার স্ক্যামের ফাঁদে পড়ে প্রতিনিয়ত প্রতারণার শিকার হচ্ছেন হাজারো বাংলাদেশি। হোয়াটসঅ্যাপ, টেলিগ্রাম বা ফেসবুকের মতো ডিজিটাল মাধ্যমে প্রলোভন দেখিয়ে পাচার করা হচ্ছে তরুণদের। এমনকি কাজের লোভ দেখিয়ে অনেককে রাশিয়া-ইউক্রেন যুদ্ধের মানবঢাল হিসেবে ব্যবহার করার মতো লোমহর্ষক ঘটনা এখন নিত্যদিনের। ফলে এসব ঘটনা নিয়ন্ত্রণে সরকারের কার্যকর ভূমিকা নিয়েও তৈরি হয়েছে নানান সমালোচনা।
ভূমধ্যসাগর পাড়ি দিয়ে ইতালিতে প্রবেশে শীর্ষস্থান দখল কিংবা কাজের জন্য রাশিয়ার সেনাবাহিনীতে তরুণদের বিক্রি করে দেওয়া নিয়ে প্রশ্ন তুলেছেন বিশেষজ্ঞরা। তারা বলছেন, ভূমধ্যসাগর কিংবা রাশিয়া সেনাবাহিনীতে পাচার ছাড়াও কম্বোডিয়ার স্ক্যাম সেন্টারে বাংলাদেশিদের পাচার গভীর উদ্বেগের। বিশেষজ্ঞদের দাবি, মানবপাচার নিয়ে মামলার জট এবং দ্রুত বিচার না হওয়ায় এসব প্রবণতা থামানো যাচ্ছে না। ফলে মানবপাচার নিয়ন্ত্রণে কেবল আইন পাস নয়; বরং তা বাস্তবায়ন করা ও সচেতনতা বৃদ্ধি জরুরি বলে মনে করেন তারা।
তথ্যানুযায়ী, ভূমধ্যসাগর পাড়ি দিয়ে ইতালিতে প্রবেশের তালিকায় বাংলাদেশ বিশ্বের মধ্যে প্রথম। গত কয়েক বছর ধরেই বাংলাদেশ এ শীর্ষ অবস্থানে রয়েছে। ২০২৬ সালে এসে ইতালির পাশাপাশি সাগরপথে গ্রিসে প্রবেশের দিক দিয়েও বাংলাদেশ এখন শীর্ষে রয়েছে, যা নতুন রেকর্ড। চলতি বছরের মার্চে লিবিয়া থেকে গ্রিসে যাওয়ার পথে অন্তত ১৮ বাংলাদেশির মৃত্যু হয়, যার মধ্যে ১২ জনই সুনামগঞ্জের। ২১ মার্চ লিবিয়ার তোবরুক থেকে রওনা হওয়া নৌকাটি দিক হারিয়ে ছয়দিন খাদ্য ও পানিশূন্য অবস্থায় ভেসে ছিল। পরে পাচারকারীদের নির্দেশে মৃতদেহগুলো সাগরে ফেলে দেওয়া হয়। এরপরও এমন মৃত্যুযাত্রা থামেনি।
এদিকে, জনশক্তি কর্মসংস্থান ও প্রশিক্ষণ ব্যুরোর (বিএমইটি) তথ্যানুযায়ী, গত দেড় বছরে ১৫ হাজার ৯২১ বাংলাদেশি কর্মসংস্থানের উদ্দেশ্যে কম্বোডিয়ায় গেছেন। শরীয়তপুরের নড়িয়া থানার মান্নান সৈয়ল গত বছরের ডিসেম্বরের ৫ তারিখ আত্মীয়ের মাধ্যমে কম্বোডিয়া গিয়ে প্রতারণার শিকার হয়ে নিঃস্ব হয়ে দেশে ফিরেছেন। আমার দেশকে তিনি বলেন, ‘আমি এর আগে সৌদি আরবে ছিলাম। দেশে আসার পর কম্বোডিয়া প্রবাসী স্থানীয় দালাল রবিন শেখের সঙ্গে আলাপ করলে সে আমাকে কম্বোডিয়ার যাওয়ার প্রস্তাব দেয়। আমাকে বলে রেস্টুরেন্টের ভিসায় ৭০ হাজার টাকা বেতন পাব। এজন্য তাকে সাড়ে পাঁচ লাখ টাকা দিতে হবে । আমি তাতে রাজি হই। সেখানে যাওয়ার পর স্ক্যাম সেন্টারে কাজ করার জন্য সে আমাকে চাইনিজ একজনের কাছে বিক্রি করে দেয়। কাজ করতে রাজি না হওয়ায় আমাকে নির্যাতন করে এবং বৈদ্যুতিক শক দেয়। পরে ওই দেশের আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী সেন্টারগুলোয় বিশেষ অভিযান চালিয়ে আমিসহ শত শত বাংলাদেশিকে উদ্ধার করে।’ তিনি বলেন, আমার বাবা দালালের বিরুদ্ধে মামলা করলেও আমরা কোনো উপকার পাচ্ছি না। উল্টো দালালের মিথ্যা মামলায় আমাদের হয়রানি করা হচ্ছে।
কম্বোডিয়ার স্ক্যাম সেন্টারে পাচার
বাংলাদেশ থেকে গত দেড় বছরে বহু তরুণ-তরুণী বৈধ চাকরির আশায় কম্বোডিয়া কিংবা মিয়ানমারের এসব সাইবার স্ক্যাম কম্পাউন্ডে আটকা পড়েছেন। কম্বোডিয়ার আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর সাম্প্রতিক অভিযানের ফলে চলতি বছরের জুন মাসেই সেখান থেকে ৫৮৩ বাংলাদেশি ভুক্তভোগী দেশে ফিরেছেন। তাদের অধিকাংশের বয়স ১৮ থেকে ৩৪ বছরের মধ্যে। ফিরে আসা বাংলাদেশিদের সঙ্গে কথা বলে জানা গেছে, এক দলকে বিএমইটির ছাড়পত্র নিয়ে এবং আরেক দলকে ভ্রমণ ভিসায় কম্বোডিয়ায় নেওয়া হয়েছিল। এরপর সেখানে থাকা কিছু বাংলাদেশি নাগরিক তাদের চীন নিয়ন্ত্রিত স্ক্যাম সেন্টারে বিক্রি করে দেন।
নাম প্রকাশ না করার শর্তে এক ভুক্তভোগী বলেন, আমার নামে আমার পরিচয় ছিল না; আমার পরিচয় ছিল একটি কোড। তিনি জানান, বৈধ কাগজপত্র নিয়ে বিদেশে রওনা হওয়ার আগে তাকে একটি কোডওয়ার্ড মুখস্থ করিয়ে দেওয়া হয় এবং বলা হয়, ইমিগ্রেশনে নিজের নাম নয়, ওই কোড বলতে হবে। পরে তিনি বুঝতে পারেন, এটি ছিল সংঘবদ্ধ মানবপাচারকারী চক্রের সদস্যদের মধ্যে সমন্বয়ের একটি গোপন সংকেত।
রাশিয়ায় সেনাবাহিনীর কাছে বিক্রি
২০২২ সালে ইউক্রেনের বিরুদ্ধে যুদ্ধ শুরুর পর থেকে রাশিয়া ক্রমাগত নতুন সৈন্য সংগ্রহের চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছে। উন্নত জীবনের স্বপ্ন, ইউরোপে কাজের প্রলোভন কিংবা রাশিয়ায় উচ্চ বেতনের চাকরির আশ্বাসে যেমন অনেক বাংলাদেশি সেখানে গেছেন, তেমনি কাজের কথা বলে নিয়ে কাজ না দিয়ে যুদ্ধক্ষেত্রে মানবঢাল হিসেবে ব্যবহার করার অভিযোগও উঠেছে। মানবাধিকার সংস্থা ফোরটিফাই রাইটস এবং ইউক্রেনভিত্তিক ট্রুথ হান্ডসের যৌথ তদন্তেও এসব অভিযোগ উঠে এসেছে। বিষয়টি নিয়ে জাতিসংঘের একটি বিশেষ তদন্ত কমিটিও তদন্ত শুরু করেছে।
গত ৭ মে ভালো কাজের প্রলোভনে রাশিয়ায় গিয়ে নির্মাণ কোম্পানির বদলে রুশ সেনাবাহিনীর কাছে তিন হাজার ডলার করে বিক্রি করা হয় ৩০ বাংলাদেশি যুবককে। এ অবস্থায় চরম উৎকণ্ঠা আর অনিশ্চয়তায় দিন কাটছে ভুক্তভোগীদের পরিবারের। এ ঘটনায় যুদ্ধক্ষেত্রে অন্তত ১৫ তরুণ নিখোঁজ হওয়ার দাবি করছে পরিবারগুলো। এছাড়া আরো অন্তত চার-পাঁচজন বিভিন্ন হাসপাতালে চিকিৎসাধীন। পরিবারের দাবি, নির্মাণ কোম্পানির কাজের ভিসা থাকলেও রাশিয়া পৌঁছানোর পর তাদের একটি ড্রোন কোম্পানিতে পাঠানো হয়। এরপর সেখান থেকে তাদের ইউক্রেনে যুদ্ধের জন্য রাশিয়ান সেনাবাহিনীর কাছে বিক্রি করা হয়।
ইউক্রেনে রাশিয়া নিয়ন্ত্রিত এলাকার হাসপাতালে চিকিৎসাধীন পলাশ শেখ আমার দেশকে অডিও বার্তায় বলেন, আমাদের বেশিরভাগই নিখোঁজ। আমাদের সামনে অনেকে ড্রোন হামলার শিকার হয়েছে। আমি মে মাসের ২৮ তারিখ (২০২৬) ড্রোন হামলায় আহত হই। এরপর প্রায় দুই সপ্তাহ আমাকে বাংকারে রাখে। পরিস্থিতি স্বাভাবিক হলে আমাকে হাসপাতালে চিকিৎসার জন্য নিয়ে আসে।
মানবপাচার মামলার অবস্থা
স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের মানবপাচারসংক্রান্ত প্রতিবেদন অনুযায়ী, ২০২৫ সালেই মানবপাচার আইনে এক হাজার ১২৬টি নতুন মামলা হয়েছে। আর পুরোনো মামলাসহ ২০২৬ সালের মে পর্যন্ত মোট পাঁচ হাজার ২৮৪টি মামলা ঝুলে আছে। এর মধ্যে তিন হাজার ৩০৬টি মামলা বিচারাধীন এবং এক হাজার ৯৭৮টি মামলার তদন্ত এখনো শেষ হয়নি। পুলিশ ও অপরাধ তদন্ত বিভাগ এসব মামলার তদন্ত করছে। চলতি বছরের জানুয়ারি থেকে মে পর্যন্ত পাঁচ মাসের তথ্য বিশ্লেষণে দেখা গেছে, জানুয়ারিতে নতুন করে ৭১টি, ফেব্রুয়ারিতে ৬৬টি, মার্চে ১১০টি, এপ্রিলে ১৩০টি এবং মে মাসে ১২৩টি মামলা হয়েছে। এ সময়ে মাত্র ১৭টি মামলা নিষ্পত্তি হয়েছে। ২০২৫ সালে বা চলতি বছরের এখন পর্যন্ত কোনো মামলায় দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির তথ্য পাওয়া যায়নি। অধিকাংশ ক্ষেত্রেই আসামিরা খালাস পেয়েছেন।
এদিকে মানবপাচার ও অভিবাসী চোরাচালান প্রতিরোধে সরকার ‘মানবপাচার ও অভিবাসী চোরাচালান প্রতিরোধ ও দমন আইন, ২০২৬’ প্রণয়ন করেছে। নতুন আইনে ভুক্তভোগীদের ন্যায়বিচার নিশ্চিতে ‘অভিবাসী চোরাচালান’-সংক্রান্ত অপরাধকেও আইনের আওতায় আনা হয়েছে। এ আইনেও একক ও সংঘবদ্ধ মানবপাচারের ক্ষেত্রে যাবজ্জীবন কারাদণ্ড ও সর্বোচ্চ শাস্তি মৃত্যুদণ্ডের বহাল রাখা হয়েছে।
ভূমধ্যসাগর পাড়ি দেওয়ার শীর্ষে বাংলাদেশিরা
ইউরোপের সীমান্তরক্ষী বাহিনীগুলোর সমন্বয়ের দায়িত্বে থাকা ফ্রন্টেক্সের তথ্যানুযায়ী, লিবিয়া থেকে ভূমধ্যসাগর পাড়ি দিয়ে ইউরোপে প্রবেশের চেষ্টাকারীদের মধ্যে বাংলাদেশিরাই সবচেয়ে বেশি। পথটি সেন্ট্রাল মেডিটেরেনিয়ান রুট নামে পরিচিত। ২০০৯ থেকে ২০২৬ সালের জুন পর্যন্ত এ পথে প্রায় এক লাখ ১০ হাজার বাংলাদেশি ইউরোপে প্রবেশ করেছেন। এভাবে প্রবেশ করতে গিয়ে মাঝেমধ্যেই প্রাণহানির ঘটনা ঘটছে। পাশাপাশি ইতালি বা গ্রিসে পৌঁছানোর পথে নির্যাতন, জিম্মি করে অর্থ আদায় এবং মানবেতর পরিস্থিতিতে আটকে রাখার ঘটনাও নিয়মিত ঘটছে। অনেকেই শেষ পর্যন্ত লিবিয়ায় আটক হয়ে দেশে ফিরতে বাধ্য হয়েছেন। গত ছয় বছরে প্রায় ১৫ হাজার বাংলাদেশিকে এভাবে লিবিয়া থেকে ফেরত পাঠানো হয়েছে।
ব্র্যাকের গবেষণা
ইতালি বা গ্রিসে যাওয়ার চেষ্টা করা বাংলাদেশিদের বেশিরভাগই মাদারীপুর, শরীয়তপুর, ফরিদপুর, সিলেট, সুনামগঞ্জ, হবিগঞ্জ, মুন্সীগঞ্জ, নোয়াখালী, ব্রাহ্মণবাড়িয়া, কিশোরগঞ্জ ও কুমিল্লা জেলার বাসিন্দা। যাত্রাপথ বিশ্লেষণে দেখা গেছে, ঢাকা থেকে মিসর, দুবাই বা তুরস্ক হয়ে সবচেয়ে বেশি মানুষ লিবিয়ায় গেছেন। ভালো চাকরির প্রলোভন দেখানো হলেও ৭৫ শতাংশ কোনো চাকরি বা কাজ পাননি। উল্টো তাদের বন্দিদশায় থাকতে হয়েছে। এর মধ্যে ৯৩ শতাংশ ক্যাম্পে বন্দি ছিলেন এবং ৭৯ শতাংশ শারীরিক নির্যাতনের শিকার হয়েছেন। এছাড়া লিবিয়ায় পৌঁছানোর পর ৬৯ শতাংশ মুক্তভাবে চলাফেরার স্বাধীনতা হারিয়েছেন। অধিকাংশই পর্যাপ্ত খাবার পাননি। এতকিছুর পরও ইউরোপের স্বপ্নে লিবিয়া যাওয়ার এ প্রবণতা থামছে না।
অভিবাসন বিশেষজ্ঞের বক্তব্য
অভিবাসন বিশেষজ্ঞ ও ব্র্যাকের সহযোগী পরিচালক শরিফুল হাসান বলেন, শুধু আইন করলেই হবে না, এর কার্যকর বাস্তবায়নও জরুরি। মানবপাচার বা অভিবাসী চোরাচালানের মতো অপরাধ দমন করতে হলে শুধু আইন প্রণয়ন করলেই হবে না, আইনের যথাযথ বাস্তবায়ন নিশ্চিত করতে হবে। সাধারণ মানুষের সচেতনতাও অত্যন্ত জরুরি। বিশেষ করে প্রযুক্তিনির্ভর মানবপাচার ও সাইবার স্ক্যামের ক্ষেত্রে সচেতনতা আরো বেশি প্রয়োজন। মানবপাচারের ঘটনায় মূল অপরাধীদের বিচারের আওতায় আনতে হবে এবং পাচারের সঙ্গে জড়িতদের সম্পদ বাজেয়াপ্ত করতে হবে। মানবপাচারপ্রবণ জেলাগুলোয় বিশেষ ট্রাইব্যুনাল প্রতিষ্ঠা করা জরুরি। বর্তমানে বিদেশে কাজের প্রলোভন দেখিয়ে পাচারের ঘটনা বাড়ছে। এসব ঘটনাকে বিচ্ছিন্নভাবে না দেখে সমন্বিতভাবে মোকাবিলা করতে হবে। সরকারের সংশ্লিষ্ট দপ্তরগুলো একসঙ্গে কাজ করলে পরিস্থিতি মোকাবিলা করা সহজ হবে। তবে রাজনৈতিক সদিচ্ছা এবং সরকারের সর্বোচ্চ পর্যায়ের দৃঢ় অঙ্গীকার ছাড়া মানবপাচার, অর্থপাচার ও মাদকের মতো আন্তঃসম্পর্কিত অপরাধ নির্মূল করা কঠিন।
প্রবাসী কল্যাণ ও বৈদেশিক কর্মসংস্থান মন্ত্রণালয়ের সচিব মোখতার আহমেদ আমার দেশকে বলেন, নিয়মিত ও নিয়মতান্ত্রিক অভিবাসন নিশ্চিতের লক্ষ্যে আমরা আন্তরিকতার সঙ্গে কাজ করে যাচ্ছি। বিশেষ করে নিরাপদ ও যৌক্তিক অভিবাসন প্রক্রিয়ার জন্য আমরা বদ্ধপরিকর। কেউ যেন হয়রানির শিকার না হন, সে লক্ষ্যে কর্মী প্রেরণের আগে সংশ্লিষ্ট দেশের রাষ্ট্রদূত বা লেবার কাউন্সেলরের সঙ্গে সরাসরি যোগাযোগ করা হয়। পাশাপাশি সঠিকতা যাচাই করে দ্রুততম সময়ে ছাড়পত্র প্রদান করা হচ্ছে। এতে মানবপাচার ও মানি লন্ডারিংয়ের মতো আন্তর্জাতিক অপরাধ অনেকাংশে কমে আসবে বলে আশা করা যায়।
আমার দেশের খবর পেতে গুগল নিউজ চ্যানেল ফলো করুন





