হোম > আমার দেশ স্পেশাল > বিশেষ প্রতিবেদন

চরমোনাইর দল নিয়ে পেরেশান জামায়াত

রকীবুল হক

দেশের নির্বাচনি রাজনীতিতে এখন সবচেয়ে আলোচিত ইস্যু ১১ দলীয় সমঝোতা। জামায়াতে ইসলামীর অঘোষিত নেতৃত্বে প্রক্রিয়াধীন এই জোট নিয়ে অনিশ্চয়তা ও নাটকীয়তার যেন শেষ হচ্ছে না। বিভিন্ন ইসলামি ও সমমনাদের নিয়ে গড়ে ওঠা নির্বাচনি জোটটি নিয়ে দেশের মানুষের মাঝে ব্যাপক আগ্রহ সৃষ্টি হলেও কারো কারো উচ্চাকাঙ্ক্ষািএবং দলীয় স্বার্থ আদায়ে অনড় অবস্থানের কারণে তা চরমভাবে ব্যাহত হচ্ছে। আসন সমঝোতার শেষ মুহূর্তে এসেও সিদ্ধান্ত চূড়ান্ত করতে বেশ পেরেশান হতে হচ্ছে জামায়াত নেতাদের।

বিশেষ করে চরমোনাই পীরের নেতৃত্বাধীন দল ইসলামী আন্দোলনের চাহিদা পূরণ না হওয়ায় সম্ভাবনাময় এই সমঝোতা প্রক্রিয়া এরই মধ্যে ভাঙনের মুখোমুখি হয়। গতকাল বুধবার বিকাল সাড়ে ৪টায় আসন সমঝোতার চূড়ান্ত ঘোষণার জন্য সংবাদ সম্মেলন ডাকা হলেও ইসলামী আন্দোলনের কারণে তা স্থগিত হয়ে যায় বলে জানা গেছে। এতে সংশ্লিষ্ট মহলে বেশ হতাশা ছড়িয়ে পড়ে। দলটির ১১ দলীয় সমঝোতা থেকে বের হওয়ারও গুঞ্জন ছড়িয়ে পড়ে। একপর্যায়ে সেই অবস্থান কিছুটা পরিবর্তনের পাশাপাশি নতুন জোট গঠনেও ইঙ্গিত দিয়েছে তারা।

১১ দলীয় জোটে নতুন করে যুক্ত হওয়া লিবারেল ডেমোক্রেটিক পার্টি (এলডিপি) জাতীয় নাগরিক পার্টি (এনসিপি) এবং আমার বাংলাদেশ (এবি) পার্টির সঙ্গে স্বল্প সময়ের মধ্যে সমঝোতা চূড়ান্ত হলেও ইসলামী আন্দোলন নিয়ে সৃষ্ট জটিলতার অবসান অনেকটা অনিশ্চয়তায় পড়েছে। বাংলাদেশ খেলাফত মজলিস এবং খেলাফত মজলিসসহ অন্য দুটি ইসলামি দলের চাওয়া-পাওয়া পুরোপুরি পূরণ না হলেও তারা জোট রক্ষার বিষয়ে আন্তরিক বলে জানা গেছে।

তবে ইসলামী আন্দোলনের পিছুটানের কারণে এসব দল নিয়েও কিছুটা অনিশ্চয়তা রয়েছে। এসব দলের ‘অবাস্তব’ চাহিদা পূরণ করতে হলে জামায়াতকে তাদের সম্ভাবনাময় ও শক্ত প্রার্থীর আসনও ছাড়তে হবে। সংশ্লিষ্টদের ‘আবদার’ পূরণ করে সমঝোতা প্রক্রিয়া টিকিয়ে রাখলেও নির্বাচন পরবর্তী সময়ে জটিলতা বাড়ার শঙ্কা রয়েছে। কারণ এখনই সামাজিক মাধ্যমে জামায়াত ও ইসলামী আন্দোলন অনুসারীদের পাল্টাপাল্টি ব্যাপক সমালোচনা চলছে।

উদ্ভূত পরিস্থিতিতে, চরমোনাই পীরের দলের কারণেই ইসলামী এই জোট এখন জামায়াতের গলার কাঁটা হয়ে দাঁড়িয়েছে বলে অনেকে মনে করছেন। কেউ আগ্রহী এবং ত্যাগী মানসিকতার না হলে অনুরোধ বা জোর করে তাকে এ ধরনের প্রক্রিয়ায় রাখা কতটা সফল হবে সে বিষয় নিয়েও শঙ্কা প্রকাশ করছে বিভিন্ন মহল। যদিও সবাইকে নিয়েই যে কোনো সময় এই সমঝোতা প্রক্রিয়ার ঘোষণা আসতে পারে বলে জামায়াত নেতারা জানিয়েছেন।

সূত্র মতে, বিভিন্ন ইস্যুতে জামায়াতে ইসলামী ও ইসলামী আন্দোলনসহ ৮টি দলের যুগপৎ আন্দোলনের ধারাবাহিকতায় আসন সমঝোতার মাধ্যমে আগামী জাতীয় নির্বাচনে অংশগ্রহণের ঘোষণা দেওয়া হয়। সে অনুযায়ী গত বছরের ৮ ডিসেম্বর থেকে একক প্রার্থী বাছাই প্রক্রিয়া শুরু করে সংশ্লিষ্ট লিয়াজোঁ কমিটি। তবে সব দলেরই চাহিদা অনেক বেশি থাকায় তা সমাধানে জটিলতা দেখা দেয়। একপর্যায়ে ৮ দলের সঙ্গে এলডিপি, এনসিপি ও এবি পার্টি যুক্ত হয়ে ১১ দলীয় সমঝোতায় রূপ নেয়। সমঝোতা প্রক্রিয়া শেষ না হওয়ায় সব দলই বাড়তি আসনে প্রার্থী দেয়। তবে শরিকদের সঙ্গে আলোচনার সিদ্ধান্ত অনুযায়ী ২৪টি আসনে জামায়াত প্রার্থীরা মনোনয়নপত্র জমা দেয়নি। কোনো কারণে সমঝোতা প্রক্রিয়া না হলে জামায়াতকে এজন্য চরম মূল্য দিতে হবে বলে রাজনীতি বিশ্লেষকরা মনে করছেন।

জানা গেছে, একক প্রার্থী চূড়ান্তের সর্বশেষ প্রক্রিয়ায় সবার আগে এনসিপির সঙ্গে ৩০ আসনে সমঝোতা হয়। বাকিদের মধ্যে ইসলামী আন্দোলনকে ৩১ আসন থেকে কয়েক দফায় বাড়িয়ে ৪৫টি পর্যন্ত ছাড় দেওয়া হয়। তবে এতেও তারা রাজি না হয়ে জোট ছাড়ার আভাস দেয়। এ নিয়ে মঙ্গলবার রাতভর দলের শূরা সদস্যদের নিয়ে বৈঠক করে দলটি। তবে এ সময় ভিন্ন ভিন্ন মত আসায় কোনো সিদ্ধান্ত হয়নি। পরদিন বুধবার দুপুরে সেসব মতামত বিশ্লেষণ করতে ডাকা হয় মজলিসে আমেলার বৈঠক। সেখানেও জোট ছাড়ার চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত না এলেও জামায়াতের কর্মকাণ্ড নিয়ে ব্যাপক সমালোচনা করা হয়।

ওই বৈঠক শেষে প্রেস ব্রিফিংয়ে ইসলামী আন্দোলনের যুগ্ম মহাসচিব ও মুখপাত্র গাজী আতাউর রহমান বলেন, তাদের দল নির্বাচন কীভাবে করবে, ওয়ান বক্স নীতি কীভাবে বাস্তবায়ন করবে তা দুয়েকদিনের মধ্যে জানানো হবে। তবে নতুন জোট গঠনের ইঙ্গিত দিয়ে তিনি বলেন, সবকিছু বুঝেশুনেই আমরা একটা পথে এগোবো। ২০ জানুয়ারি পর্যন্ত প্রার্থিতা প্রত্যাহারের সুযোগ থাকলেও ১২ ফেব্রুয়ারি নির্বাচনের আগ পর্যন্ত যে কোনো কিছু ঘটতে পারে বলেও তিনি উল্লেখ করেন।

এ সময় তিনি সম্প্রতি তারেক রহমানের সঙ্গে সাক্ষাৎ করে জামায়াত আমির ডা. শফিকুর রহমান জাতীয় সরকার গঠন এবং খালেদা জিয়ার ঐক্যের পাটাতন প্রসঙ্গে যে বক্তব্য দিয়েছেনÑতার সমালোচনা করে বলেন, এতে সংশয় তৈরি হয়েছে।

গাজী আতাউর রহমান আরো বলেন, আমরা স্বাধীনভাবে রাজনীতি করি। আমরা আমাদের সিদ্ধান্ত নেওয়ার মতো সিদ্ধান্তে এখনো আছি। কেউ যদি আমাদের অবহেলা করেÑতাহলে সেটাকে তো আমরা স্বাভাবিকভাবে নিতে পারি না। আত্মমর্যাদাবোধ তো সবারই আছে। তিনি বলেন, কারো চাপিয়ে দেওয়া বিষয়কে মেনে নিতে হবে—এই রাজনীতি ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ কখনো করেনি।

তবে সমঝোতার প্রসঙ্গে তিনি বলেন, আমাদের পারস্পরিক আলোচনা চলমান। ইনশাল্লাহ দ্রুত এক বক্স নীতির রূপরেখা ও ধরন পরিষ্কার হবে।

বুধবারের সংবাদ সম্মেলন স্থগিতের পেছনে চরমোনাই পীরের অনুরোধ কাজ করেছে বলে প্রচারিত খবর প্রসঙ্গে তিনি বলেন, এটি ভিত্তিহীন কথা। তিনি কাউকে অনুরোধ করেননি। তাছাড়া ওই সংবাদ সম্মেলন ডাকার বিষয়ে জোটগত কোনো আলোচনা হয়নি এবং এর সঙ্গে ইসলামী আন্দোলনের কোনো সম্পর্ক নেই বলেও এ নেতা জানান।

সূত্রমতে, বুধবার সকালে ১১ দলের সমন্বয়ক ও জামায়াতে ইসলামীর সহকারী সেক্রেটারি জেনারেল হামিদুর রহমান আযাদ গণমাধ্যমকে জানান, আসন্ন সংসদ নির্বাচনে জামায়াতসহ ১১ দলের আসন সমঝোতার বিষয়ে চূড়ান্ত ঘোষণা দেওয়ার লক্ষ্যে বিকাল সাড়ে ৪টায় রাজধানীর ডিপ্লোমা ইঞ্জিনিয়ার্স ইনস্টিটিউশনে সংবাদ সম্মেলনের আয়োজন করা হয়। তবে দুপুর ২টার দিকে অনিবার্য কারণে তা স্থগিত করার ঘোষণা দেন তিনি।

বিভিন্ন সূত্র জানায়, আসন সমঝোতা নিয়ে অসন্তোষ ও অনিশ্চয়তার মধ্যে ডাকা ওই সংবাদ সম্মেলন স্থগিত করার পেছনে ছিল ইসলামী আন্দোলনের আমির ও চরমোনাই পীর মুফতি সৈয়দ মুহাম্মাদ রেজাউল করীমের অনুরোধ। তিনি জামায়াত আমিরের সঙ্গে সাক্ষাৎ করতে চান বলেও জানা গেছে।

সংশ্লিষ্ট সূত্রমতে, চরমোনাই পীর ও ইসলামী আন্দোলনের মহাসচিবসহ শীর্ষ নেতাদের অনেকেই জোটে থাকতে আগ্রহী কিন্তু জোট ছেড়ে যাওয়ার জন্য বাগড়া দিচ্ছেন নায়েবে আমির মুফতি ফয়জুল করীমসহ তার অনুসারী একটি অংশ।

সংবাদ সম্মেলন স্থগিতের বিষয়ে জানতে চাইলে জামায়াতের সহকারী সেক্রেটারি জেনারেল ও ১১ দলের সমন্বয়ক হামিদুর রহমান আযাদ বলেন, কিছু বিষয়ে প্রস্তুতি অসম্পন্ন আছে। সেগুলো শেষ করে সহসাই প্রেস ব্রিফিং করা হবে। তিনি বলেন, আসন সমঝোতা নিয়ে আলোচনা প্রায় শেষ। টুকিটাকি যা বাকি আছে, তা সমাধান করে সবাইকে নিয়েই সমঝোতার ঘোষণা হবে বলে আশাবাদী।

কিছু আসনে জামায়াতের প্রার্থী না দেওয়া দলের দুর্বল কৌশল এবং তাতে ক্ষতি হবে কি নাÑএমন প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, আমরা সংশ্লিষ্টদের সঙ্গে আলোচনার সিদ্ধান্ত এবং প্রতিশ্রুতি অনুযায়ী প্রার্থী দেইনি। এতে ক্ষতি হবে কি না তা পরের বিষয়।

জানা গেছে, ইসলামী আন্দোলনসংশ্লিষ্ট সব আসনে জামায়াতের প্রার্থী আছে। খালি রাখা ২৪ আসনের মধ্যে এনসিপির জন্য ছেড়েছে বেশি। এছাড়া বাকিগুলো বাংলাদেশ খেলাফত মজলিস, খেলাফত মজলিস ও এবি পার্টির জন্য ফাঁকা রেখেছে জামায়াত। তাই ইসলামী আন্দোলন ও বাংলাদেশ খেলাফত মজলিস জোট ছাড়লে ১৫টির মতো আসন নিয়ে জামায়াত জটিলতায় পড়বে।

সূত্রমতে, চলমান আলোচনার মাধ্যমে চরমোনাই পীরের ইসলামী আন্দোলনকে ৪০ সিট দিয়েছিল জামায়াত। কিন্তু তারা রাজি না হওয়ায় গত দুদিনের দরকষাকষির একপর্যায়ে আরো পাঁচ সিট দিতে রাজি হয় জামায়াত। এমনকি এর বাইরে অতিরিক্ত আরো কিছু সিট উন্মুক্ত রাখতেও সম্মত হয় দলটি। কিন্তু শেষ পর্যন্ত চরমোনাই পীরের দল সংবাদ সম্মেলনে উপস্থিত হওয়ার বিষয়ে সম্মতি দেয়নি। শুধু তাই নয়, ইসলামী আন্দোলনের চাহিদার মধ্যে জামায়াতের নায়েবে আমির ডা. সৈয়দ আবদুল্লাহ মোহাম্মদ তাহের, চট্টগ্রামের নেতা শাহজাহান চৌধুরী, সাতক্ষীরার আসন এবং ঢাকা-১১-তে এনসিপির আহ্বায়ক নাহিদ ইসলামের মতো গুরুত্বপূর্ণ নেতার আসনও রয়েছে। এ নিয়ে জামায়াতসংশ্লিষ্টরা হতবাক হয়ে যান।

এদিকে, ইসলামী আন্দোলনের অসন্তোষের মধ্যেই নতুন করে অনিশ্চয়তা ছড়িয়ে পড়ে মাওলানা মামুনুল হকের নেতৃত্বাধীন বাংলাদেশ খেলাফত মজলিসেও। ১৩ থেকে বাড়িয়ে প্রায় ২০টি আসন দেওয়া হলেও তাদের দাবি আরো বেশি। তারাও জোট থেকে বেরিয়ে যাওয়ার ইঙ্গিত দেয়। এ নিয়ে গতকাল দুপুরে দলটির শীর্ষপর্যায়ের নেতাদের বৈঠক হয়। তবে এখন পর্যন্ত তারাও নতুন কোনো সিদ্ধান্ত নেয়নি।

এ বিষয়ে বাংলাদেশ খেলাফত মজলিসের মহাসচিব মাওলানা জালালুদ্দিন আহমদ বলেন, আমরা জোটকে টিকিয়ে রাখতে চাই। এজন্য ছাড় দিতে প্রস্তুত। জোট নিয়ে এ অস্থিরতা ও অনিশ্চয়তার জন্য সবাই দায়ী বলে মন্তব্য করেন তিনি।

অন্যদিকে মওলানা আব্দুল বাসিত আজাদ ও আহমদ আব্দুল কাদেরের নেতৃত্বাধীন খেলাফত মজলিসের দাবির পরিপ্রেক্ষিতে সাত থেকে তিনটি আসন বাড়িয়ে ১০টি দিতে চায় জামায়াত। তবে এতেও তারা সন্তষ্ট নয়। এ নিয়ে বুধবার দলটির সর্বোচ্চ ফোরামের বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়।

বৈঠক শেষে দলটির পক্ষ থেকে বলা হয়, দেশের স্বাধীনতা, সার্বভৌমত্ব ও জুলাই সনদ বাস্তবায়নের স্বার্থে চলমান ১১ দলীয় নির্বাচনি সমঝোতার সঙ্গে ঐক্যবদ্ধভাবে সামনে এগিয়ে যাবে খেলাফত মজলিস। তবে তা হবে ইনসাফ ও সম্মানজনক আসন সমঝোতার ভিত্তিতে। সম্ভাবনাময় ও বিজয়ী হয়ে আসার মতো আসনগুলোয় সম্মানজনক সমঝোতার দাবি রাখে খেলাফত মজলিস। প্রতিটি বিভাগে খেলাফত মজলিসের জন্য ন্যূনতম প্রতিনিধিত্বের স্বার্থে আসন সমঝোতা ইনসাফের দাবি।

সমঝোতা প্রক্রিয়া নিয়ে গতকাল খেলাফত আন্দোলনের শীর্ষপর্যায়ের বৈঠক হয়। সেখানে নেতারা বলেন, আমরা দলের অস্তিত্ব ও সম্মানজনক অবস্থান চাই। আশা করি বিষয়টি সংশ্লিষ্টরা বিবেচনা করবেন।

সূত্রমতে, ১১ দলের অন্য শরিকদের মধ্যে এলডিপি সাতটি, এবি পার্টি তিনটি, বিডিপি দুটি করে আসন পাচ্ছে। তবে জাগপা, খেলাফত আন্দোলন ও নেজামে ইসলাম পার্টি কয়টি আসন পাচ্ছে, তা জানা যায়নি।

সংশ্লিষ্টরা জানান, ১১ দলের সমঝোতা প্রক্রিয়া নিয়ে বুধবার রাতে বৈঠক হওয়ার কথা। দুয়েক দিনের মধ্যেই এটি চূড়ান্ত হতে পারে।

এ বিষয়ে গতকাল সন্ধ্যায় দলের কেন্দ্রীয় কার্যালয়ে প্রেস ব্রিফিংয়ে প্রশ্নের জবাবে জামায়াতে ইসলামীর সহকারী সেক্রেটারি জেনারেল এহসানুল মাহবুব জুবায়ের বলেন, জোট ঠিক আছে, সমস্যা নেই। যে কারণে সংবাদ সম্মেলন স্থগিত করা হয়েছে, তা আবার করা হবে। সমঝোতার বিষয়গুলো দুয়েক দিনের মধ্যেই চূড়ান্ত হবে বলে তিনি উল্লেখ করেন।

স্বয়ংক্রিয়ভাবে বাতিল হবে জুলাইযোদ্ধাদের বিরুদ্ধে করা মামলা

কারওয়ান বাজারে অব্যবস্থাপনা, নেপথ্যে চাঁদাবাজি

গুমে জড়িতদের নিয়ন্ত্রণে ছিল বিচারব্যবস্থাও

আওয়ামীপন্থি চিকিৎসকদের পদোন্নতির হিড়িক