কক্সবাজারের ঈদগাঁও উপজেলার উপকূলীয় ইউনিয়নের একাধিক গ্রাম জোয়ার আর বৃষ্টির পানিতে পানিবন্দি হয়ে পড়েছে।
বৃহস্পতিবার (২৯ মে) বেলা বারোটার পর থেকে দুই দিন যাবত পানিবন্দি হয়ে আছে শতাধিক ঘরবাড়ি।
স্থানীয়রা জানান, বিগত তিন চার দিন ধরে কক্সবাজার উপকূলে বৈরী আবহাওয়া বিরাজ করছে। যার ফলে ৩ নং সতর্ক সংকেতের পাশাপাশি গতকাল ও আজকের টানা ভারী বৃষ্টিতে উপর থেকে নামা বৃষ্টির পানি আর ঈদগাঁও নদীর গোমাতলী অংশের জোয়ারের পানি স্বাভাবিকের চেয়ে বৃদ্ধি পাওয়ায় উপকূলীয় পোকখালী ইউপির ৯ নং ওয়ার্ড গোমাতলী চরপাড়া গ্রামে গতকাল বেলা বারোটা থেকে পানি প্রবেশ শুরু হয়। রিপোর্ট লিখা পর্যন্ত উক্ত গ্রামের মসজিদ মাদ্রাসাসহ প্রায় শতাধিক ঘরবাড়ি শুক্রবার রাত আটটা পর্যন্ত পানিবন্দি হয়ে আছে বলে জানান ইউপি সদস্য আমান উল্লাহ।
রাতে যদি তৃতীয় দিনের মত বৃষ্টি অব্যাহত থাকে এবং জোয়ারের পানি বৃদ্ধি পায় তাহলে এ গ্রামের মানুষের দুর্ভোগ আরো বৃদ্ধি পাবে বলে জানান তিনি।
অপর উপকূলীয় ইউনিয়ন ইসলামপুর ইউপির খানঘোনা ৯ নং ওয়ার্ডের উত্তর পাশ খালঘাট দিয়ে গতকালের মতো আজও বেলাবারোটার দিকে জোয়ার আর বৃষ্টির পানি সড়ক পেরিয়ে লোকালয়ে প্রবেশ করতে শুরু করে। তবে জোয়ারের পানি নেমে যাওয়াতে এখনো এলাকা প্লাবিত হয়নি। পরবর্তীতে জোয়ার আর বৃষ্টির পানি একই সাথে বৃদ্ধি পেলে পুরো গ্রাম পানিবন্দি হয়ে পড়ার আশঙ্কা প্রকাশ করেছেন ইউনিয়ন বিএনপির সাবেক সভাপতি হারুন অর রশিদ।
পাশাপাশি ঈদগাঁও নদীর ঢলের পানি নদীর বাঁধ উপচিয়ে জালালাবাদ ইউপির ফরাজী পাড়া মঞ্জুর মৌলভীর দোকান এলাকার লোকালয়ে বুধবার সকাল থেকে পানি প্রবেশ করতে শুরু করে।
ইসলামপুর ইউপি চেয়ারম্যান মাওলানা দেলাওয়ার হোসাইন জানান, জোয়ারে পানি ইউনিয়নের উপকূলীয় এলাকায় প্রবেশের উপক্রম হয়েছে। এমনটি ঘটলে তিনি জরুরি প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেবেন জানান।
উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা বিমল চাকমার সাথে যোগাযোগ করা হলে তিনি প্লাবিত এলাকার ক্ষয়ক্ষতি নিরূপণ করে জেলা প্রশাসক বরাবর রিপোর্ট প্রদান করবেন বলে জানান।