দেশের আরো কিছু অঞ্চলে জাতীয় শহীদ দিবস ও আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস পালন করা হয়েছে। খবর ও ছবি পাঠিয়েছেন, স্টাফ রিপোর্টার, জেলা প্রতিনিধি ও উপজেলা জেলা প্রতিনিধিরা।
উপজেলা প্রতিনিধি, বালিয়াকান্দি (রাজবাড়ী) জানান,
রাজবাড়ীর বালিয়াকান্দি উপজেলা প্রশাসনের আয়োজনে গতকাল শনিবার ২১শে ফেব্রয়ারি শহিদ দিবস ও আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস পালন করা হয়েছে।
দিবসটির শুরুতেই রাত ১২টা ১ মিনিটের সময় বালিয়াকান্দি কেন্দ্রীয় শহিদ মিনারে পুষ্পমাল্য অর্পণ, সূর্যদয়ের সাথে সাথে সব সরকারি, বেসরকারি স্বায়ত্তশাসিত সংস্থা, রাজনৈতিক, সামাজিক ও সাংস্কূতিক সংগঠন এবং শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানসহ সর্বস্তরের জনগণ কর্তৃক শহীদ মিনারে পুষ্পস্তবক অর্পণ ও জাতীয় পতাকা উত্তোলন এবং ভাষাশহীদদের রুহের মাগফিরা কামনা, আলোচনা সভা, রক্তের গ্রুপ নির্ণয় ও পুরস্কার বিতরণ করা হয়।
এ সময় রাজবাড়ী-২ আসনের নবনির্বচিত জাতীয় সংসদ সদস্য মো. হারুন-অর-রশিদ হারুন, বালিয়াকান্দি উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা চৌধুরী মুস্তাফিজুর রহমান, থানার ওসি আব্দুর রব তালুকদার, উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পানা কর্মকর্তা ডা. ফারুক হোসেন, কৃষি কর্মকর্তা রতন কুমার ঘোষ, প্রাণিসম্পদ কর্মকর্তা মানবেন্দ্র মজুমদার, সাবেক উপজেলা চেয়ারম্যান ও উপজেলা বিএনপির সভাপতি গোলাম শওকত সিরাজ, বীর মুক্তিযোদ্ধা আবুল হোসেন খানসহ সব সরকারি দপ্তরের কর্মকর্তা, রাজনৈতিক দলের নেতাকর্মী, বিভিন্ন স্কুল-কলেজের শিক্ষক ও সুধীজনেরা উপস্থিত ছিলেন।
উপজেলা প্রতিনিধি, রায়পুর (লক্ষ্মীপুর) জানান,
অমর একুশে ফেব্রুয়ারি শহীদ দিবস ও আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস-২০২৬ পালন উপলক্ষে লক্ষ্মীপুরের রায়পুরে আলোচনা সভা, সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান ও পুরস্কার বিতরণ অনুষ্ঠিত হয়েছে।
শনিবার (২১ ফেব্রুয়ারি) বেলা ১১টায় উপজেলা পরিষদ হলরুমে উপজেলা প্রশাসনের আয়োজনে এ অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়। অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মেহেদী হাসান কাউছার। প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন আবুল খায়ের ভূঁইয়া, লক্ষ্মীপুর-২ আসনের সংসদ সদস্য।
আলোচনা সভায় বক্তারা ভাষা আন্দোলনে শহীদদের আত্মত্যাগ গভীর শ্রদ্ধার সঙ্গে স্মরণ করেন এবং নতুন প্রজন্মের মাঝে মাতৃভাষার মর্যাদা ও ইতিহাস তুলে ধরার আহ্বান জানান। প্রধান অতিথি তার বক্তব্যে বলেন, ভাষা আন্দোলনই ছিল বাঙালির আত্মপরিচয় প্রতিষ্ঠার প্রথম সংগ্রাম, যার ধারাবাহিকতায় অর্জিত হয়েছে স্বাধীনতা। তিনি শিক্ষার্থীদের শুদ্ধ বাংলা চর্চা এবং দেশের ইতিহাস জানার প্রতি গুরুত্বারোপ করেন।
বিশেষ অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষা কর্মকর্তা তৌহিদুল ইসলাম ও উপজেলা প্রাথমিক শিক্ষা কর্মকর্তা মাইদুল ইসলাম। এছাড়া বিভিন্ন শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের শিক্ষকবৃন্দ বক্তব্য প্রদান করেন।
অনুষ্ঠানে উপজেলার বিভিন্ন দপ্তরের কর্মকর্তা, শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের শিক্ষক-শিক্ষার্থী, বীর মুক্তিযোদ্ধা এবং প্রিন্ট ও ইলেকট্রনিক মিডিয়ার সাংবাদিকেরা উপস্থিত ছিলেন। আলোচনা সভা শেষে সাংস্কৃতিক পরিবেশনার মধ্য দিয়ে ভাষাশহীদদের স্মরণ করা হয় এবং বিভিন্ন প্রতিযোগিতায় বিজয়ী শিক্ষার্থীদের মধ্যে পুরস্কার বিতরণ করা হয়।
উপজেলা প্রতিনিধি, গোয়ালন্দ (রাজবাড়ী) জানান,
রাজবাড়ীর গোয়ালন্দে যথাযোগ্য মর্যাদা ও নানা আয়োজনে মহান শহীদ দিবস ও আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস পালন করা হয়েছে। দিবসটি উপলক্ষে রাত ১২টা ১ মিনিটে ভাষাশহীদদের প্রতি গভীর শ্রদ্ধা নিবেদন করা হয়।
শুক্রবার দিবাগত রাত ১২টা ১ মিনিটে উপজেলার বীর মুক্তিযোদ্ধা শহীদ মহিউদ্দিন আনসার ক্লাব-সংলগ্ন কেন্দ্রীয় শহীদ মিনারে পুষ্পস্তবক অর্পণের মধ্য দিয়ে দিবসের কর্মসূচির সূচনা হয়।
প্রথম প্রহরে শহীদ মিনারে পুষ্পস্তবক অর্পণ করেন উপজেলা নির্বাহী অফিসার সাথী দাস। এ সময় উপস্থিত ছিলেন সহকারী কমিশনার (ভূমি) মুনতাসির হাসান খান, গোয়ালন্দ ঘাট থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) মো. মমিনুল ইসলাম, উপজেলা প্রাণিসম্পদ কর্মকর্তা ডা. মো. শাহাদাত হোসেন, উপজেলা সিনিয়র মৎস্য কর্মকর্তা মো. আনোয়ারুল ইসলাম পাইলট, উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা কৃষিবিদ সৈয়দ রায়হানুল হায়দার, উপজেলা প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তা মো. আবু বক্কর, উপজেলা যুব উন্নয়ন কর্মকর্তা মোহাম্মদ হাফিজুল ইসলামসহ উপজেলা প্রশাসনের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাবৃন্দ।
শ্রদ্ধা নিবেদনের পর ভাষা আন্দোলনে শহীদদের স্মরণে এক মিনিট নীরবতা পালন করা হয়।
পরবর্তীতে পর্যায়ক্রমে উপজেলা মুক্তিযোদ্ধা সংসদ, উপজেলা বিএনপি এবং এর অঙ্গ ও সহযোগী সংগঠনের নেতৃবৃন্দ, থানা ও নৌ-পুলিশসহ বিভিন্ন সরকারি দপ্তরের প্রধান ও কর্মকর্তা-কর্মচারীরা পুষ্পস্তবক অর্পণ করেন।
এছাড়া বিভিন্ন সামাজিক, সাংস্কৃতিক ও রাজনৈতিক সংগঠন এবং সর্বস্তরের সাধারণ মানুষ শহীদ মিনারে ফুল দিয়ে ভাষা শহীদদের প্রতি গভীর শ্রদ্ধা জানান।
সূর্যোদয়ের সঙ্গে সঙ্গে উপজেলার সরকারি, স্বায়ত্তশাসিত, বেসরকারি ও বিভিন্ন ব্যবসা প্রতিষ্ঠানে জাতীয় পতাকা উত্তোলন করা হয়। সকাল ৭টায় শিক্ষার্থীদের অংশগ্রহণে প্রভাত ফেরি অনুষ্ঠিত হয়। পরে শিক্ষার্থীদের অংশগ্রহণে রচনা ও চিত্রাঙ্কন প্রতিযোগিতা আয়োজন করা হয়।
দুপুরে উপজেলা মডেল মসজিদে বিশেষ দোয়ার আয়োজন করা হয় এবং সুবিধামতো সময়ে সকল ধর্মীয় প্রতিষ্ঠানে প্রার্থনা অনুষ্ঠিত হয়।
গোপালগঞ্জ প্রতিনিধি জানান,
সর্বস্তরে বাংলা ভাষা চালুর দাবি জানিয়ে গোপালগঞ্জে মহান শহীদ ও আর্ন্তজাতিক মাতৃভাষা দিবসে পৌর পার্কের কেন্দ্রীয় শহীদ মিনারে শ্রদ্ধা জানিয়েছেন সর্বস্তরের মানুষ।
দিবসের প্রথম প্রহর রাত ১২টা ১ মিনিটে শহীদ মিনারে প্রথমে ফুল দিয়ে গোপালগঞ্জ-০২ আসনের সংসদ সদস্য ডা. কে এম বাবর, জেলা প্রশাসক মো. আরিফ-উজ-জামান ও পুলিশ সুপার মো. হাবিবুল্লাহ শহীদদের প্রতি শ্রদ্ধা জানান। অন্যদিকে, টুঙ্গিপাড়ায় শহীদ মিনারে শ্রদ্ধা জানিয়েছেন গোপালগঞ্জ-৩ আসন থেকে নির্বাচিত সংসদ সদস্য এস এম জিলানী।
এরপর জেলা বিএনপি, জেলা পরিষদ, যুবদল, ছাত্রদল, স্বেচ্ছাসেবক দল, গোপালগঞ্জ পৌরসভা, গণপূর্ত, এলজিইডি সহ সামাজিক, সাংস্কৃতিক সংগঠন ও শিক্ষা প্রতিষ্ঠান ফুল দিয়ে শহীদদের প্রতি শ্রদ্ধা নিবেদন করেন।
শ্রদ্ধা জানাতে শহীদ মিনার চত্ত্বরে ভীড় জমায় শিশু, নারী, পুরুষ সহ স্বর্বস্তরের সাধারন মানুষ। এসময় তারা ভাষা শহীদদের আত্মত্যাগ নতুন প্রজন্মের কাছে তুলে ধরতে সর্বস্তরে বাংলা ভাষা চালুর দাবী জানান।
খুব ভোরে বিভিন্ন শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের শিক্ষার্থীরা ও বিভিন্ন অফিস এবং সংগঠনের পক্ষ থেকে পৌর পার্কের কেন্দ্রীয় শহীদ মিনারে ফুল ও ফুলের মালা দিয়ে শ্রদ্ধা জানায়। ফুলে ফুলে ভরে ওঠে শহীদ মিনারের পাদদেশ।
এদিকে, সকাল সাড়ে ১০টায় জেলা শিল্পকলা একাডেমি মিলনায়তনে ২১-এর উপর এক আলোচনা সভা ও সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়।
আলোচনা সভায় প্রধান অতিথি হিসাবে বক্তব্য রাখেন গোপালগঞ্জ-২ আসনের সংসদ সদস্য ডা. কে এম বাবর। জেলা প্রশাসক মোঃ আরিফ-উজ-জামানের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত আলোচনা সভায় বিশেষ অতিথি হিসাবে বক্তব্য রাখেন পুলিশ সুপার মোঃ হাবীবুল্লাহ।
পরে এক মনোজ্ঞ সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান পরিবেশিত হয়।এছাড়া,দিনটি পালন উপলক্ষে বিভিন্ন সংগঠন আলোচনাসভা ও দোয়া অনুষ্ঠানের ও আয়োজন করে।
উপজেলা প্রতিনিধি, উজিরপুর (বরিশাল) জানান,
উজিরপুর উপজেলা প্রশাসনের উদ্যোগে যথাযোগ্য মর্যাদায় মহান শহীদ দিবস ও আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস পালিত হয়েছে। এ উপলক্ষে প্রথম প্রহরে উজিরপুর কেন্দ্রীয় শহীদ মিনারে পুষ্পস্তবক অর্পণের মাধ্যমে ভাষা শহীদদের প্রতি শ্রদ্ধা নিবেদন করা হয়। বরিশাল-২ আসন (উজিরপুর-বানারীপাড়া) থেকে নবনির্বাচিত সংসদ সদস্য এস সরফুদ্দিন আহমেদ সান্টু-এর পক্ষে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মো. আলী সুজা শ্রদ্ধা নিবেদন করেন।
এছাড়াও উপজেলা প্রশাসনের কর্মকর্তা-কর্মচারীবৃন্দ, উজিরপুর উপজেলা বিএনপি-এর সাধারণ সম্পাদক মো. হুমায়ুন খান, সিনিয়র সহ-সভাপতি এস এম আলাউদ্দিন, সিনিয়র যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক সিদ্দিকুর রহমানসহ নেতৃবৃন্দ, উজিরপুর উপজেলা মুক্তিযোদ্ধা সংসদ-এর পক্ষ থেকে বীর মুক্তিযোদ্ধা মতিউর রহমানের নেতৃত্বে মুক্তিযোদ্ধারা, উজিরপুর পৌরসভা প্রশাসক মহেশ্বর মন্ডলের নেতৃত্বে কাউন্সিলর ও কর্মকর্তা-কর্মচারীবৃন্দ, উজিরপুর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স-এর কর্মকর্তা-কর্মচারীবৃন্দসহ বিভিন্ন রাজনৈতিক, সামাজিক ও পেশাজীবী সংগঠনের নেতৃবৃন্দ শহীদ মিনারে শ্রদ্ধা নিবেদন করেন।
এ সময় উজিরপুর উপজেলা প্রেসক্লাব-এর সভাপতি মোঃ মাহফুজুর রহমান মাসুম ও সাধারণ সম্পাদক নাজমুল হক উন্নয়নের নেতৃত্বে সাংবাদিকবৃন্দ এবং সাংবাদিক ইউনিয়নের নেতৃবৃন্দও শ্রদ্ধা জানান।
পরে সকাল ১১টায় উপজেলা পরিষদ মিলনায়তনে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মোঃ আলী সুজার সভাপতিত্বে মহান শহীদ দিবস ও আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস উপলক্ষে আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়।
সমাজসেবা কর্মকর্তা আবুল কালাম আজাদের সঞ্চালনায় বক্তব্য রাখেন, উপজেলা সহকারী কমিশনার ভূমি মহেশ্বর মন্ডল, উজিরপুর মডেল থানার অফিসার ইনচার্জ মোহাম্মদ রকিবুল ইসলাম, উপজেলা শিক্ষা কর্মকর্তা মোঃ শহিদুল ইসলাম, বীর মুক্তিযোদ্ধা মোঃ আলমগীর হোসেন, উজিরপুর আলহাজ্ব বিএন খান ডিগ্রি কলেজের সহযোগী অধ্যাপক কাজী ইমদাদুল হক, উজিরপুর পৌর বিএনপির সভাপতি মো. শহিদুল ইসলাম খান, এ সময় উপস্থিত ছিলেন, উপজেলা মৎস্য কর্মকর্তা প্রসেন মজুমদার, উপজেলা নির্বাচন কর্মকর্তা মো. জাহিদুল ইসলাম রনি, মহিলা বিষয়ক কর্মকর্তা কাজী ইসরাত জাহান, যুব উন্নয়ন কর্মকর্তা আসমা বেগম, উজিরপুর উপজেলা প্রেসক্লাবের সভাপতি মাহফুজুর রহমান মাসুম ও ও প্রমুখ
সভায় ভাষা আন্দোলনের ইতিহাস, শহীদদের আত্মত্যাগ এবং মাতৃভাষার গুরুত্ব নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা করা হয়। প্রশাসনের বিভিন্ন কর্মকর্তা ও রাজনৈতিক নেতৃবৃন্দ আলোচনা সভায় অংশগ্রহণ করেন।
উপজেলা প্রতিনিধি, কচুয়া (বাগেরহাট) জানান,
বিনম্র শ্রদ্ধা ও যথাযথ ভাবগাম্ভীর্যের মধ্য দিয়ে বাগেরহাটের কচুয়ায় মহান শহীদ দিবস ও আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস পালিত হয়েছে। অমর একুশের প্রথম প্রহরে রাত ১২টা ১ মিনিটে কচুয়া কেন্দ্রীয় শহীদ মিনারে পুষ্পস্তবক অর্পণের মাধ্যমে ভাষা শহীদদের প্রতি শ্রদ্ধা নিবেদন শুরু হয়। এরপর একে একে বিভিন্ন দপ্তর, রাজনৈতিক ও সামাজিক সংগঠন পুষ্পস্তবক অর্পণ করে।সকাল ৭টায় উপজেলা চত্বর থেকে একটি বর্ণাঢ্য প্রভাত ফেরী শুরু হয়ে প্রধান প্রধান সড়ক প্রদক্ষিণ করে। এতে বিভিন্ন শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের শিক্ষার্থী ও সর্বস্তরের জনগণ অংশগ্রহণ করেন।
প্রভাত ফেরী শেষে উপজেলা মিলনায়তনে এক আলোচনা সভা ও সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়। সেখানে বক্তারা ১৯৫২ সালের ভাষা আন্দোলনের তাৎপর্য এবং বর্তমান প্রজন্মের কাছে এর গুরুত্ব তুলে ধরেন।
অনুষ্ঠানে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) মো: আলী হাসান এর সভাপতিত্বে উপস্থিত ছিলেন সহকারী কমিশনার (ভূমি) মোহাম্মদ আসিফ হায়দার, কচুয়া থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) মো: শফিকুর রহমান, উপজেলা কৃষি অফিসার আকাশ বৈরাগী, উপজেলা পল্লী উন্নয়ন অফিসার মোঃ হাসান ইমাম, প্রেসক্লাবের সাধারণ সম্পাদক উজ্জ্বল কুমার দাস ছাড়াও উপজেলার বিভিন্ন দপ্তরের সরকারি কর্মকর্তা, বীর মুক্তিযোদ্ধা, জনপ্রতিনিধি এবং স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গ কর্মসূচিতে উপস্থিত ছিলেন। অনুষ্ঠান শেষে ভাষা শহীদদের আত্মার মাগফেরাত কামনা করে বিশেষ দোয়া ও মোনাজাত ও পুরস্কার বিতরণ করা হয়।
উপজেলা প্রতিনিধি, পলাশবাড়ী (গাইবান্ধা) জানান,
শহীদ দিবস ও আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস উপলক্ষে পলাশবাড়ী কেন্দ্রীয় শহীদ মিনারে শ্রদ্ধাঞ্জলি অর্পণ করা হয়েছে।
পলাশবাড়ী উপজেলা প্রশাসনের আয়োজনে শনিবার (২১ ফেব্রুয়ারি) রাত ১২ টা ১ মিনিটে শহীদ মিনারে শ্রদ্ধাঞ্জলি অর্পন করা হয়।
গাইবান্ধা-৩ (পলাশবাড়ী সাদুল্লাপুর) আসনের জাতীয় সংসদ সদস্যের পক্ষে প্রথমে শ্রদ্ধাঞ্জলি অর্পন করেন পলাশবাড়ী উপজেলার সাবেক ভাইস চেয়ারম্যান আবু তালেব সরকার ও শ্রমিক কল্যাণ ফেডারেশনের সভাপতি খাইরুল ইসলাম চান। এরপর উপজেলা প্রশাসনের পক্ষে শ্রদ্ধাঞ্জলি অর্পন করেন পলাশবাড়ী উপজেলা নির্বাহী অফিসার শেখ জাবের আহমেদ, উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভুমি) আল ইয়াসা রহমান তাপাদারসহ উপজেলা প্রশাসনের কর্মকর্তাবৃন্দ।
পরবর্তীতে পলাশবাড়ী থানা, পলাশবাড়ী পৌরসভা, বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল (বিএনপি), পৌর বিএনপি ও এর সকল অঙ্গ সহযোগী সংগঠনের নেতৃবৃন্দ, আনসার ভিডিপি, মুক্তিযোদ্ধা সংসদ, আবাসিক প্রকৌশলী নেসকো, ফায়ার সার্ভিস, মোটর শ্রমিক ইউনিয়ন, ডায়াবেটিস সমিতি, আদর্শ ডিগ্রি কলেজ, পিয়ারী পাইলট বালিকা, এসএমবি উচ্চ বিদ্যালয়, ফেডারেশন অব এনজিও ইন বাংলাদেশ, প্রেসক্লাব, মডেল প্রেসক্লাব, বাংলাদেশ প্রেসক্লাব, রিপোর্টার্স ইউনিটি সহ বিভিন্ন শিক্ষা প্রতিষ্ঠান, সামাজিক সাংস্কৃতিক রাজনৈতিক ও পেশাজীবি সংগঠনের নেতৃবৃন্দ শ্রদ্ধাঞ্জলি নিবেদন করেন।
শ্রদ্ধাঞ্জলি অর্পণ শেষে শহীদের বিদেহী আত্মার শান্তি কামনা করে বিশেষ মোনাজাত পরিচালনা করেন উপজেলা পরিষদ জামে মসজিদের পেশ ইমাম মাওলানা সাজ্জাদ হোসেন।
রাজশাহী অফিস থেকে জানান,
রাজশাহীতে যথাযোগ্য মর্যাদায় শহিদ দিবস ও আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস পালিত হয়েছে। এ দিবস উপলক্ষ্যে রাজশাহী জেলা প্রশাসন নানা কর্মসূচি গ্রহণ করে। ২১ ফেব্রুয়ারির (শনিবার) প্রথম প্রহরে নগরীর সোনাদিঘির পাড়ে এক একর জমির ওপর গড়ে তোলা নতুন শহীদ মিনারে পুষ্পস্তবক অর্পণের মাধ্যমে যার উদ্বোধন করেন ভূমিমন্ত্রী মিজানুর রহমান মিনু।
এর আগে মিনু শহীদ মিনার চত্বরে একটি নিমগাছের চারা রোপণ করেন। এ সময় উপস্থিত ছিলেন জেলা প্রশাসক ও রাজশাহী বিভাগীয় কমিশনারসহ প্রশাসনের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা।
এছাড়াও রাতে বিভিন্ন রাজনৈতিক দল, তাদের অঙ্গসংগঠন এবং নানা শ্রেণি-পেশার মানুষ শহীদ মিনারে ফুল দিয়ে ভাষা শহীদদের প্রতি শ্রদ্ধা জানান।
দিবসটি উপলক্ষে শনিবার সূর্যোদয়ের সঙ্গে সঙ্গে সকল সরকারি, আধা-সরকারি, স্বায়ত্তশাসিত প্রতিষ্ঠান, শিক্ষা প্রতিষ্ঠান এবং বেসরকারি ভবনে জাতীয় পতাকা অর্ধনমিত রাখা হয়।
বেলা ১১টায় রাজশাহী কেন্দ্রীয় শহীদ মিনারে পুষ্পস্তবক অর্পণ করেন ভারতীয় সহকারী হাইকমিশনার মনোজ কুমার।
তিনি সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে বলেন, বাংলা ভাষা ও বাংলা সংস্কৃতি ভারত ও বাংলাদেশের মানুষ লালন, ধারণ ও পালন করে আসছে। দুই দেশের মধ্যকার এই সম্পর্ক অকৃত্রিম ভালোবাসার বন্ধন, যা আগামীতেও অব্যাহত থাকবে।
অন্যদিকে জেলা শিল্পকলা একাডেমি মিলনায়তনে সরকারিভাবে ‘একুশ: জাতীয় জাগরণের প্রেরণা’ শীর্ষক আলোচনা সভা ও পুরস্কার বিতরণী অনুষ্ঠান অনুষ্ঠিত হয়। বাদ যোহর ভাষা শহীদদের আত্মার মাগফিরাত কামনায় সকল মসজিদে বিশেষ মোনাজাত এবং সুবিধামতো সময়ে মন্দির ও অন্যান্য ধর্মীয় উপাসনালয়ে বিশেষ প্রার্থনার আয়োজন করা হয়।
এছাড়াও দিবসটি উপলক্ষে রাজশাহী মহানগরীর সড়কদ্বীপ ও গুরুত্বপূর্ণ স্থানসমূহ বাংলা বর্ণমালা সম্বলিত ফেস্টুন দিয়ে সজ্জিত করা হয়েছে।
উপজেলা প্রতিনিধি, ভাঙ্গুড়া (পাবনা)
পাবনার ভাঙ্গুড়ায় যথাযোগ্য মর্যাদায় মহান শহীদ দিবস ও আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস পালিত হয়েছে। রাত ১২ টা ১ মিনিটে পৌরশহরের বাসস্ট্যান্ডে অবস্থিত শহীদ মিনারে শ্রদ্ধা নিবেদন করেন পাবনা-৩ (ভাঙ্গুড়া, চাটমোহর, ফরিদপুর) আসনের সংসদ সদস্য মাওলানা আলী আছগার। এরপর উপজেলা প্রশাসন, থানা পুলিশ, বিএনপি ও জামায়াতে ইসলামীসহ বিভিন্ন সামাজিক ও রাজনৈতিক সংগঠনের পক্ষ থেকে শহীদ মিনারে ফুল দিয়ে শ্রদ্ধা নিবেদন করা হয়।
পরে বেলা সাড়ে ১১ টার দিকে উপজেলা প্রশাসনের উদ্যোগে উপজেলা পরিষদ সভা কক্ষে দিবসটি পালন উপলক্ষে আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়। এতে সভাপতি করেন সহকারী কমিশনার (ভূমি) ও নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট মিজানুর রহমান।
ববি প্রতিনিধি জানান,
বরিশাল বিশ্ববিদ্যালয়ে (ববি) যথাযথ মর্যাদায় শহীদ দিবস ও আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস পালিত হয়েছে। দিবসটি উপলক্ষে ২১ ফেব্রুয়ারি (শনিবার) সকাল ৯টায় উপাচার্য অধ্যাপক ড. মোহাম্মদ তৌফিক আলমের নেতৃত্বে প্রভাত ফেরিসহ বিশ্ববিদ্যালয় পরিবারের পক্ষ থেকে বিশ্ববিদ্যালয়ের কেন্দ্রীয় শহীদ মিনারে পুষ্পস্তবক অর্পণ করা হয়।
এরপর বিশ্ববিদ্যালয়ের বিভিন্ন বিভাগ, হলসহ সামাজিক, সাংস্কৃতিক, সাংবাদিক ও স্বেচ্ছাসেবী সংগঠনসমূহ পুষ্পস্তবক অর্পণে অংশগ্রহণ করে।
দিবসটির তাৎপর্য তুলে ধরতে সকাল ১০টা ৩০ মিনিটে বিশ্ববিদ্যালয়ের কীর্তনখোলা অডিটোরিয়ামে এক আলোচনা সভার আয়োজন করা হয়। সভার শুরুতে ভাষা শহীদদের স্মরণে দাঁড়িয়ে এক মিনিট নীরবতা পালন করা হয়। সভায় প্রধান অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন উপাচার্য অধ্যাপক ড. মোহাম্মদ তৌফিক আলম। স্বাগত বক্তব্য রাখেন ইংরেজি বিভাগের অধ্যাপক ড. মো. মুহসিন উদ্দীন।
শহীদ দিবস ও আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস উদযাপন কমিটির আহ্বায়ক ড. রাহাত হোসাইন ফয়সালের সভাপতিত্বে সভায় আরও বক্তব্য রাখেন বিজ্ঞান অনুষদের ডিন ড. ধীমান কুমার রায়, ইংরেজি বিভাগের চেয়ারম্যান ড. মোহাম্মদ তানভীর কায়ছার, জনসংযোগ দপ্তরের উপ-পরিচালক ফয়সল মাহমুদ এবং কর্মচারীদের পক্ষে হাসানুজ্জামান।
শিক্ষার্থীদের মধ্যে বক্তব্য রাখেন রাষ্ট্রবিজ্ঞান বিভাগের আলিফ খান বাপ্পি এবং ভূতত্ত্ব ও খনিবিদ্যা বিভাগের ফারিমা ফরহাদ। বাংলা বিভাগের চেয়ারম্যান মোহসিনা হোসাইনের সঞ্চালনায় অনুষ্ঠিত সভায় বিশ্ববিদ্যালয়ের বিভিন্ন অনুষদের ডিন, প্রভোস্ট, প্রক্টর, বিভাগীয় প্রধান, পরিচালকবৃন্দ, শিক্ষক, শিক্ষার্থীসহ কর্মকর্তা ও কর্মচারীরা উপস্থিত ছিলেন।
এদিকে মহান শহীদ দিবস উপলক্ষে ভাষা শহীদদের রূহের মাগফিরাত কামনায় বাদ যোহর বিশ্ববিদ্যালয়ের কেন্দ্রীয় মসজিদে দোয়া মাহফিল এবং মন্দিরে বিশেষ প্রার্থনার আয়োজন করা হয়।
উপজেলা প্রতিনিধি, তানোর (রাজশাহী) জানান,
মহান শহীদ দিবস ও আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস উপলক্ষে রাজশাহীর তানোরে আলোচনা সভা ও পুরস্কার বিতরণী অনুষ্ঠান হয়েছে। শনিবার (২১ ফেব্রুয়ারি) বেলা সাড়ে ১১টায় তানোর উপজেলা প্রশাসনের উদ্যোগে উপজেলা প্রশাসনিক হলরুমে এ আয়োজন করা হয়।
উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) ও উপজেলা পরিষদের প্রশাসক নাঈমা খানের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত সভায় বক্তারা ভাষা শহীদদের আত্মত্যাগের কথা গভীর শ্রদ্ধার সঙ্গে স্মরণ করেন। তারা বলেন, মাতৃভাষার মর্যাদা রক্ষায় নতুন প্রজন্মকে ইতিহাস জানাতে হবে এবং ভাষা আন্দোলনের চেতনা ধারণ করে দেশপ্রেমে উদ্বুদ্ধ হতে হবে।
অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন তানোর উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) শিব শংকর বসাক, তানোর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) শাহিনুজ্জামান, উপজেলা পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা ডা. বার্নাবাস হাসদাকসহ বিভিন্ন দপ্তরের কর্মকর্তা।
এছাড়া জামায়াতে ইসলামী তানোর উপজেলা শাখার আমীর মাওলানা আলমগীর হোসেন, সিনিয়র নায়েবে আমীর মাওলানা আনিসুর রহমান, সাধারণ সম্পাদক ডি. এম আক্কাস আলীসহ দলের নেতৃবৃন্দ, বীর মুক্তিযোদ্ধাগণ, স্থানীয় গণমাধ্যমকর্মী, শিক্ষক-শিক্ষার্থী ও সুধীজন উপস্থিত ছিলেন।
সভা সঞ্চালনা করেন, তানোর উপজেলা মহিলা বিষয়ক কর্মকর্তা হাবিবা খাতুন। আলোচনা শেষে দিবসটি উপলক্ষে আয়োজিত বিভিন্ন প্রতিযোগিতায় বিজয়ীদের মধ্যে পুরস্কার বিতরণ করা হয়।
এর আগে একুশের প্রথম প্রহরে রাত ১২টা ১ মিনিটে তানোর উপজেলা পরিষদ চত্বরে কেন্দ্রীয় শহীদ মিনারে ইউএনও নাঈমা খানের নেতৃত্বে উপজেলা প্রশাসনের পক্ষ থেকে পুষ্পস্তবক অর্পণ করা হয়। পরে তানোর পৌরসভা, থানা পুলিশ, প্রেসক্লাবসহ বিভিন্ন সামাজিক ও সাংস্কৃতিক সংগঠন শহীদ বেদীতে ফুল দিয়ে ভাষা শহীদদের প্রতি শ্রদ্ধা জানান।#
উপজেলা প্রতিনিধি, গুইমারা (খাগড়াছড়ি) জানান,
খাগড়াছড়ি জেলার গুইমারা উপজেলাতে যথাযোগ্য মর্যাদায় শহিদ দিবস ও আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস পালিত হয়েছে।
দিবসের প্রথম প্রহরে গুইমারা কেন্দ্রীয় শহিদ বেদিতে পুষ্পস্তবক অর্পন করেন গুইমারা উপজেলা প্রশাসন,মুক্তিযোদ্ধা সংসদ,থানা পুলিশ, উপজেলা বিএনপি ও অংগ্য সংগঠন, প্রেসক্লাব, মারমা ঐক্য পরিষদসহ বিভিন্ন রাজনৈতিক সামাজিক সংগঠন।
দিবসটি উপলক্ষে ২১ ফ্রেব্রুয়ারী শনিবার গুইমারা প্রশাসনের উদ্যোগে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার সম্মেলন কক্ষে গুইমারা সরকারি উচ্চ বিদ্যালয়ের সাবেক প্রধান শিক্ষক বাবলু হোসেনের সঞ্চালনায় উপজেলা নির্বাহী অফিসার মিসকাতুল তামান্নার সভাপতিত্বে আলোচনা সভায় বক্তব্য রাখেন গুইমারা ইউনিয়ন পরিষদের ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান হরিপদ্ম ত্রিপুরা, মুক্তিযোদ্ধা কমান্ডার শাহ আলম, যুব উন্নয়ন কর্মকর্তা মিজানুর রহমান, কৃষি কর্মকর্তা রেজাউল করিম, প্রাণী সম্পদ কর্মকর্তা ডা সুশান্ত ও সভার সভাপতি মিসকাতুল তামান্না। এসময় উপস্থিত ছিলেন গুইমারা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) সোহরাওয়ার্দী প্রেসক্লাবের সভাপতি মোঃ আবদুল আলী।
বক্তাগন শহিদ দিবস ও আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবসের তাৎপর্য তুলে ধরেন এবং ভাষার জন্য শাহাদৎ বরকারীদের রুহের মাগফিরাত কামনা করে সকল জাতিসত্তার ভাষা সংরক্ষণে নিজস্ব কমিউনিটি থেকে উদ্যোগী হওয়ার আহবান জানান।
উপজেলা প্রতিনিধি, চৌদ্দগ্রাম (কুমিল্লা) জানান,
কুমিল্লার চৌদ্দগ্রামে শনিবার যথাযোগ্য মর্যাদায় শহীদ দিবস ও আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস পালিত হয়েছে। একুশের প্রথম প্রহরে চৌদ্দগ্রাম উপজেলা প্রশাসন, পৌর প্রশাসন, থানা, স্বাস্থ্য বিভাগ, প্রেস ক্লাব, ফায়ার সার্ভিসের কর্মকর্তা ও রাজনৈতিক নেতৃবৃন্দ কেন্দ্রীয় শহীদ মিনারে পুস্পস্তবক অর্পন করেন।
সকালে উপজেলা পরিষদ সম্মেলন কক্ষে আলোচনা সভা, চিত্রাঙ্কন ও রচনা প্রতিযোগিতায় বিজয়ীদের মাঝে পুরস্কার বিতরণ করা হয়েছে। সভায় উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মোঃ নূরুল আমিনের সভাপতিত্বে ও উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষা কর্মকর্তা একেএম মীর হোসেনের সঞ্চালনায় বক্তব্য রাখেন উপজেলা সহকারী কমিশনার ভুমি সৈয়দ সাফকাত আলী, কৃষি কর্মকর্তা কৃষিবীদ জোবায়ের আহমেদ, উপজেলা জামায়াতের আমীর মাহফুজুর রহমান, উপজেলা প্রাথমিক শিক্ষা কর্মকর্তা মোঃ মনিরুজ্জামান, বীরমুক্তিযোদ্ধা দেলোয়ার হোসেন, চৌদ্দগ্রাম সরকারি হাইস্কুলের প্রধান শিক্ষক রুপম সেন গুপ্ত, উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের ডা. সালাহ উদ্দিন সজিব, চৌদ্দগ্রাম প্রেস ক্লাবের সাধারণ সম্পাদক বেলাল হোসেন, সাবেক সমন্বয়ক মামুন মজুমদার।
কবিতা আবৃত্তি করেন আসমাউল হোসনা, জাহানারা আক্তার, সাবাহ বিনতে সোহেল, জান্নাতুল মাওয়া, নুসরাত জাহান ইসপা, মোঃ সালেকিন, বক্তব্য রাখেন ছাত্রী তাসনিয়া মোস্তফা, নুসরাত জাহান ইসপা, জান্নাতুল মাওয়া, মারিয়া তাফান্নুম, মাইসা তারান্নুম প্রমুখ। মাতৃভাষা সম্পর্কিত শিক্ষার্থীদের কবিতা আবৃত্তি ও বক্তব্য শুনে মুগ্ধ সকলে। এছাড়া উপজেলার বিভিন্ন শিক্ষা প্রতিষ্ঠান ও মসজিদে ভাষা শহীদদের আত্মার মাগফেরাত কামনায় মিলাদ ও দোয়া অনুষ্ঠিত হয়েছে।