হোম > বাণিজ্য > অর্থনীতি

রুল ইস্যু না করে দু সপ্তাহের মুলতবি

এনবিআর ভেঙ্গে দুই বিভাগ গঠনে রিট

অর্থনৈতিক রিপোর্টার

জাতীয় রাজস্ব বোর্ড (এনবিআর) বিলুপ্ত করে রাজস্ব নীতি ও রাজস্ব ব্যবস্থাপনা নামে দুটি বিভাগ গঠনে জারিকৃত অধ্যাদেশ ও প্রশাসনিক কার্যক্রমের বৈধতা চ্যালেঞ্জ করে দায়ের করা রিটের শুনানি শেষে কোন ধরনের রুল ছাড়াই দু সপ্তাহের জন্য মুলতবি ঘোষণা করেছেন হাইকোর্ট। সোমবার (১৬ ফেব্রুয়ারি) রিটের উপর শুনানি শেষে বিচারপতি রাজিক আল জলিল ও আনোয়ারুল ইসলামের দ্বৈত বেঞ্চ এ রায় ঘোষণা দেন।

এনবিআরের পক্ষের আইনজীবী ব্যারিস্টার ওমর ফারুক আমার দেশকে এ তথ্য নিশ্চিত করেন। তিনি বলেন, নির্বাচনের পর নতুন সরকার গঠনের পথে রয়েছে দেশ। সরকার গঠন হওয়ার পর সংসদের কার্যক্রম শুরু হবে। এনবিআর বিলুপ্ত করে যে অধ্যাদেশ জারি করা হয়েছে সেটি কার্যকর হতে হলে সংসদে অনুমোদন হতে হবে। সেজন্য আদালত সংসদ কি সিদ্ধান্ত নেয়, সেটি পর্যবেক্ষণের কারণে কোন রুল ইস্যু না করে দুই সপ্তাহের মুলতবি ঘোষণা করেছেন।

জানা গেছে, এনবিআরের দুই বিভাগ গঠিত হলে সচিব পদে পদায়নে ভ্যাট ও ট্যাক্স বিষয়ে অভিজ্ঞ কর্মকর্তাকে নিয়োগদানের বিধান রাখা হয়েছে। এতে সংক্ষুব্ধ হয়ে আদালতে রিট দাখিল করেন মন্ত্রিপরিষদ বিভাগের যুগ্ম সচিব তানভীর আহমেদ। তিনি রিট দায়েরের পক্ষে যুক্তি দিয়ে বলেন, এ ধরনের শর্ত জুড়ে দেওয়ার কারণে সচিব হওয়ার ক্ষেত্রে তার সম্ভাবনা কমে গেছে। এছাড়া বিভাগ বাস্তবায়নে রুলস অব বিজনেসে যে পরিবর্তন আনা হয়েছে তা সংবিধানের সঙ্গে সাংঘর্ষিক এবং উপদেষ্টা পরিষদের এখতিয়ার বহির্ভূত বলে উল্লেখ করা হয়।

তার দাখিলকৃত রিটের উপর এ পর্যন্ত ৫দিন শুনানি হয়। আজ সোমবার পঞ্চম দিনের শুনানি শেষে কোন রুল ইস্যু ছাড়াই মুলতবি ঘোষণা করা হয়। এর ফলে এনবিআর পৃথকীকরণে জারীকৃত অধ্যাদেশ আগামী সংসদে অনুমোদন পেলে দুই বিভাগ গঠনে আর বাধা থাকবে না বলে মনে করছেন সংশ্লিষ্টরা। এর আগে গত আগস্ট মাসে এনবিআর বিলুপ্ত করে দুই বিভাগ গঠনে জারীকৃত অধ্যাদেশের বৈধতা চ্যালেঞ্জ করে দায়ের করা রিট খারিজ করে দিয়েছিল উচ্চ আদালতের পৃথক একটি বেঞ্চ। বিচারপতি ফাতেমা নজীব ও বিচারপতি হামিদুর রহমানের দ্বৈত বেঞ্চ রিটটি উপস্থাপিত হয়নি মর্মে খারিজ করে দিয়েছিলেন।

উল্লেখ্য, এনবিআর বিলুপ্ত করে দুটি পৃথক বিভাগ গঠনে গত বছরের ১২ মে অধ্যাদেশ জারি করে সরকার। সে অধ্যাদেশের বিরুদ্ধে এনবিআরের কর্মকর্তাদের মধ্যে ক্ষোভ তৈরি হয় এবং তারা অধ্যাদেশ বাতিলের দাবিতে আন্দোলনে নামে। ‘এনবিআর সংস্কার ঐক্য পরিষদ’ নামে সংগঠনের ব্যানারে তারা অবস্থান কর্মসূচি, কলম বিরতি কর্মসূচি পালন করে। তাদের আন্দোলনের প্রেক্ষিতে অধ্যাদেশে আরও কিছু সংশোধনী আনা হয়।

কিন্তু তারপরও সংক্ষুব্ধ কর্মকর্তা-কর্মচারীরা আন্দোলন চালিয়ে যান। এক পর্যায়ে তারা এনবিআর চেয়ারম্যান আবদুর রহমান খানের অপসারণের দাবিতে মার্চ টু এনবিআর কর্মসূচি এবং দেশের আমদানি-রপ্তানি কার্যক্রম সংক্রান্ত সেবাও বন্ধ করে দেয়। সরকারের কঠোর হুঁশিয়ারি ও আন্দোলনরতদের বিরুদ্ধে দুদকের তদন্তের খবর প্রকাশ করা হলে ২৯ জুন রাতে আন্দোলন প্রত্যাহার করে নেয় আন্দোলনকারীরা

তিন বছরের মধ্যে সুদ পরিশোধ না করলে আয় হিসেবে গণ্য হবে

বিশ্ববাজারে ফের বাড়ল জ্বালানি তেলের দাম

ইসলামী ব্যাংকের পর্ষদ বাতিলের সিদ্ধান্তকে স্বাগত এবিবির

আবারও বাড়ল স্বর্ণের দাম

জিরো কুপন বন্ডের আয়ে কর অব্যাহতি সুবিধা বাতিল

বৈশ্বিক সংকটেও কেন কমছে স্বর্ণের দাম

স্বর্ণের দাম ভরিতে বাড়ল ৬ হাজার ৫৯০ টাকা

বাজেট বড় হলেও বাস্তবায়ন সম্ভব: এফবিসিসিআই

সবার কথা মাথায় রেখে এ বাজেট দেওয়া হয়েছে: অর্থমন্ত্রী

একনজরে প্রস্তাবিত বাজেটের ভালো ও মন্দ দিক