রাজধানীর কদমতলীতে বিএনপি নেতা রবিউল ইসলাম দিপুর বাসা থেকে তার কর্মচারী বদর উদ্দিনের (২১) ঝুলন্ত লাশ উদ্ধার করেছে পুলিশ। বুধবার সকাল ১০টার দিকে কদমতলীর মুরাদপুরের বাসার সাততলা থেকে লাশটি উদ্ধার করা হয়।
মৃত বদর উদ্দিনের বাড়ি ঝিনাইদহের শৈলকুপা থানাধীন দলিলপুর পূর্বপাড়া গ্রামে। তার বাবার নাম মো. গোলাম মোস্তফা। ময়নাতদন্তের জন্য বদর উদ্দিনের লাশ ঢাকা মেডিকেল কলেজ (ঢামেক) হাসপাতালের মর্গে পাঠিয়েছে পুলিশ।
কদমতলী থানার এসআই মো. বেলাল হোসেন জানান, সকালে খবর পেয়ে মুরাদপুরের বাসাটির সপ্তম তলার দরজা ভেঙে লাশটি উদ্ধার করা হয়। ওই সময় লাশটি ফ্যানের সঙ্গে গলায় ফাঁস দেওয়া অবস্থায় ঝুলন্ত ছিল এবং আংশিক পচনশীল ছিল।
পুলিশের এই কর্মকর্তা জানান, বাসাটি ওয়ার্ড বিএনপি নেতা রবিউল ইসলাম দিপুর। তিনি ইন্টারনেট ব্যবসায়ী। বদর উদ্দিন তার প্রতিষ্ঠানের কর্মচারী ছিল। রবিউল ইসলামের প্রতিষ্ঠানের মোট ৬ জন কর্মচারী ওই বাসাটির সাততলায় থাকত। সবাই ঈদের ছুটিতে বাড়ি গেলেও বদর উদ্দিন ঢাকাতেই ছিলেন।
তিনি জানান, মরদেহটি আংশিক পচনশীল ছিল। ধারণা করা হচ্ছে, তিন দিন আগে বদর উদ্দিন গলায় ফাঁস দিয়ে আত্মহত্যা করেছেন। লাশ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য ঢাকা মেডিকেল কলেজ (ঢামেক) হাসপাতালের মর্গে পাঠানো হয়েছে।
কদমতলী থানার ৫২ নম্বর ওয়ার্ড বিএনপির সভাপতি রবিউল ইসলাম দিপু জানান, মুরাদপুর আলী সরদার রোডে তার সাততলা বাড়ি রয়েছে। নিজেরা বাড়ির দ্বিতীয় তলায় থাকেন। এলাকায় তার ইন্টারনেটের ব্যবসা রয়েছে। আর বাসাটির সাততলায় ছয়জন কর্মচারী থাকেন।
তিনি জানান, ঈদের ছুটিতে পাঁচজন কর্মচারী বাড়ি গেলেও বদর উদ্দিন বাসাতেই ছিলেন। বুধবার সকালে উপরে উঠে দেখি ভেতর থেকে দরজা বন্ধ। তবে বাসার ভেতর থেকে প্রচণ্ড দুর্গন্ধ বের হচ্ছিল। এরপর থানা পুলিশে খবর দেওয়া হয়। সে কী কারণে গলায় ফাঁস দিয়েছে, সে বিষয়ে কিছু জানাতে পারেননি তিনি।