হোম > আইন-আদালত

হত্যা মামলায় ৪ দিনের রিমান্ডে মাসুদ উদ্দিন চৌধুরী

আমার দেশ অনলাইন

সাবেক সেনা নিয়ন্ত্রিত তত্ত্বাবধায়ক সরকারের আলোচিত সেনা কর্মকর্তা মাসুদ উদ্দিন চৌধুরীকে অর্থ আত্মসাৎ ও মানবপাচারের মামলার পর এবার হত্যা মামলায় জিজ্ঞাবাদের জন্য চার দিনের রিমান্ডে পাঠিয়েছে আদালত।

মঙ্গলবার ঢাকার পৃথক দুই মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট আদালত থেকে এ আদেশ দেওয়া হয়। পুলিশের এসআই রফিকুল ইসলাম এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন।

২৩ মার্চ বারিধারা ডিওএইচএস এলাকা থেকে মাসুদ উদ্দিন গ্রেপ্তার হন। ২৪ হাজার কোটি টাকা আত্মসাৎ ও মানবপাচারের মামলায় পরদিন তার পাঁচ দিনের রিমান্ড মঞ্জুর হয়। এরপর ২৯ মার্চ ৬ দিন এবং ৪ এপ্রিল তিন দিনের রিমান্ডে পাঠানো হয় তাকে। রিমান্ড শেষে ওই দিন মাসুদ উদ্দিন চৌধুরীকে আদালতে হাজির করেন মামলার তদন্ত কর্মকর্তা ডিবি পুলিশের উপপরিদর্শক মো. রায়হানুর রহমান।

পরে তাকে হত্যা মামলায় গ্রেপ্তার দেখিয়ে সাত দিনের রিমান্ড চেয়ে আবেদন করেন মামলার তদন্ত কর্মকর্তা ।

রাষ্ট্রপক্ষে ঢাকা মহানগর পাবলিক প্রসিকিউটর ওমর ফারুক ফারুকী গ্রেপ্তার দেখানোর পক্ষে যুক্তি তুলে ধরেন। তিনি বলেন,"মামলায় সম্পৃক্ত থাকায় তাকে গ্রেপ্তার দেখানোর আবেদন করেছেন তদন্ত কর্মকর্তা। তিনি ফ্যাসিস্টের একজন সহযোগী। তাকে গ্রেপ্তার দেখানো হোক।"

এ সময় মাসুদ উদ্দিন চৌধুরীর কোনো আইনজীবী আদালতে ছিলেন না। তার কিছু বলার আছে কী না জানতে চান আদালত।

তখন মাসুদ উদ্দিন চৌধুরী বলেন, "মামলায় আমার সামান্যতম সম্পৃক্ততা নাই।"

পরে আদালত তাকে এ মামলায় গ্রেপ্তার দেখানোর আদেশ দেয়। এরপর মাসুদ উদ্দিন চৌধুরীকে আরেক মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট মনিরুল ইসলামের আদালতে নেওয়া হয়।

কাঠগড়ায় দাঁড়িয়ে মাসুদ উদ্দিন চৌধুরী বলেন, “কোনখানের মামলা, মিরপুরের কিছুই জানি না। টানা ১৪ দিন রিমান্ডে ছিলাম। বিচারকরা আল্লাহর প্রতিনিধি, এই বিচার করতেছে।”

এসময় অপর প্রান্তে দাঁড়িয়ে থাকা তদন্ত কর্মকর্তার কাছে তিনি প্রশ্ন করেন, ‘রিমান্ড চেয়েছেন?। তদন্ত কর্মকর্তা বলেন, ‘হ্যাঁ’

রাষ্ট্রপক্ষে ঢাকা মহানগর পাবলিক প্রসিকিউটর ওমর ফারুক ফারুকী রিমান্ড মঞ্জুরের পক্ষে শুনানি করেন। মাসুদ উদ্দিন চৌধুরীর পক্ষে কোনো আইনজীবী ছিলেন না। পরে আদালত তার ৪ দিনের রিমান্ডের আদেশ দেয়।

হত্যা মামলার বিবরণে বলা হয়েছে, “২০২৪ সালের ১৯ জুলাই বিকাল সাড়ে ৩টার দিকে মিরপুর ১০ নম্বর ফলপট্টি এলাকায় ছাত্র-জনতার শান্তিপূর্ণ আন্দোলনে দেশি অস্ত্রশস্ত্র দিয়ে হামলা চালায় আওয়ামী লীগের ৫শ’ থেকে ৭শ নেতাকর্মী। আন্দোলনকারীদের ওপর নির্বিচারে এলোপাতাড়ি গুলি চালানো হয়।”

তাতে গুলিবিদ্ধ হয়ে গুরুতর আহত হন দেলোয়ার হোসেন। পরে চিকিৎসাধীন অবস্থায় গত ২১ জুলাই শ্যামলীর একটি বেসরকারি হাসপাতালে মারা যান তিনি।

ছেলের জন্য রক্ত নিয়ে এলে বলে লাগবে না, সে মারা গেছে

শিরীন শারমিন চৌধুরীকে ঘিরে আইনজীবীদের ‘জয় বাংলা’ স্লোগান

আইনজীবীদের পরা লাগবে না কালো কোট-গাউন

শিরীন শারমিনের শুনানিতে আইনজীবীদের হট্টগোল

শিরীন শারমিনের জামিন নামঞ্জুর, কারাগারে প্রেরণ

সাবেক স্পিকার শিরীন শারমিনের বিরুদ্ধে রিমান্ড আবেদন

হাছান মাহমুদ-নওফেলসহ ১৮ জনের বিরুদ্ধে গ্রেপ্তারি পরোয়ানা

ইডেন কলেজ ছাত্রলীগ সভাপতি রিভার জামিন

ডিজিএফআইয়ের সাবেক প্রধান মামুন খালেদ তৃতীয় দফায় রিমান্ডে

ড. ইউনূসের দেশত্যাগে নিষেধাজ্ঞা চেয়ে আইনি নোটিশ