জাকসু নির্বাচন
নির্বাচনের আগের দিন থেকে জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয় (জাবি) প্রশাসন স্বজনপ্রীতি করছে বলে অভিযোগ তুলেছেন জাকসু নির্বাচনে ছাত্রদলের ভিপি প্রার্থী শেখ সাদী হাসান। বৃহস্পতিবার সকালে ভোট প্রদান পরবর্তী প্রতিক্রিয়ায় তিনি এ অভিযোগ করেন।
ছাত্রদল ভিপি প্রার্থী বলেন, ‘দীর্ঘ ৩৩ বছর পর জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয় অচলায়তন ভেঙে একটি গণতান্ত্রিক পন্থার সঙ্গে যুক্ত হয়েছে। সাধারণ শিক্ষার্থীদের অধিকারের যে প্লাটফর্ম জাকুসতে জেন-জিরা কখনো যুক্ত হওয়ার সুযোগ পায়নি। ফলে এ নির্বাচন সব শিক্ষার্থীর মাঝে অন্যরকম সাড়া ফেলেছে। কিন্তু গতকাল থেকে এখন পর্যন্ত প্রশাসনের বিভিন্ন পর্যায়ে অসঙ্গতি ও গাফিলতির পাশাপাশি স্বজনপ্রীতি লক্ষ্য করা গেছে।’
সাদী হাসান বলেন, ‘চব্বিশের বিপ্লবে স্বৈরাচার হাসিনার ছাত্র সংগঠন ছাত্রলীগকে পুনর্বাসিত করে এমন একটি সংগঠনের প্রার্থীর বিষয়ে প্রশাসন খুবই উদাসীন। আমরা গতকাল দেখেছি বিশ্ববিদ্যালয় শিবির সভাপতি নির্বাচন কমিশনে অবস্থান করছেন এবং প্রশাসনের ওপর প্রভাব বিস্তারের চেষ্টা করছেন। ভোটগ্রহণের যেসব মেশিনপত্র আনা হয়েছে, সেগুলোও একটি ছাত্র সংগঠনের মদদপুষ্ট লোক বা তাদের কোম্পানির কাছ থেকে নিয়ে আসা। এজন্য প্রশাসনের কাছে আমরা লিখিত ও মৌখিকভাবে ভোট ম্যানুয়াল পদ্ধতিতে গণনার দাবি জানিয়েছিলাম। একই সঙ্গে আজ সকালে কাজী নজরুল ইসলাম হলে শিবির সভাপতি ঢুকেছেন এবং শিক্ষার্থীদের ম্যানুপুলেট করার চেষ্টা করেছেন। যেখানে শিক্ষার্থীরাই তাকে গ্রহণ করেনি, হল থেকে বের করে দিয়েছে।’
তিনি আরো বলেন, ‘দেশের সব বিশ্ববিদ্যালয় থেকে জাবি সম্পূর্ণ আলাদা। তারা স্বাধীনচেতা, ব্যালট পেপারের মাধ্যমে যারা শুরু থেকে দেশের পক্ষে ছিল, তাদেরকে ভোট দেবেন। যারা একাত্তর ও চব্বিশের শত্রু তাদেরকে কখনোই নির্বাচিত করবে না। দেশের সব ক্রান্তিকালে, গণতান্ত্রিক আন্দোলনে ছাত্রদল ছিল। সেজন্যই আমরা বিশ্বাস করি শিক্ষার্থীরা ছাত্রদলের পূর্ণ প্যানেলকে ভোট দিয়ে জয়যুক্ত করবে।’