হোম > জাতীয়

প্রধান উপদেষ্টা মনোনয়নের প্রক্রিয়া নিয়ে মূল বিরোধ: আলী রীয়াজ

স্টাফ রিপোর্টার

জাতীয় ঐকমত্য কমিশনের সহ-সভাপতি ড. আলী রীয়াজ বলেছেন, তত্ত্বাবধায়ক সরকারের বিষয়ে কমিশনের প্রস্তাবে অংশগ্রহণকারী তিন-চতুর্থাংশ দল একমত হয়েছে। মূল বিরোধ এখন প্রধান উপদেষ্টা মনোনয়নের প্রক্রিয়া নিয়ে।

মঙ্গলবার ফরেন সার্ভিস একাডেমিতে জাতীয় ঐকমত্য কমিশনের সঙ্গে রাজনৈতিক দলগুলোর দ্বিতীয় ধাপের সংলাপের ২১তম দিনের আলোচনা শেষে এ কথা বলেন তিনি।

কমিশনের সংশোধিত প্রস্তাবে বলা হয়েছে, প্রধান উপদেষ্টা মনোনয়নে একটি পাঁচ সদস্যের বাছাই কমিটি গঠিত হবে—প্রধানমন্ত্রী, বিরোধীদলীয় নেতা, স্পিকার, ডেপুটি স্পিকার (বিরোধী দলের), ও দ্বিতীয় বৃহত্তম বিরোধী দলের একজন প্রতিনিধি। যদি এই কমিটি ঐকমত্যে পৌঁছাতে না পারে, তবে প্রধান বিচারপতির মনোনীত দুই বিচারপতিকে যুক্ত করে সাত সদস্যের কমিটি গঠনের প্রস্তাব দেওয়া হয়েছে। এই কমিটি র‍্যাংকড-চয়েস ভোটিংয়ের মাধ্যমে সিদ্ধান্ত নেবে।

এই র‍্যাংকড-চয়েস প্রক্রিয়া নিয়ে বিএনপির আপত্তির কথা জানিয়ে আলী রীয়াজ বলেন, দলটির দাবি, অচলাবস্থায় বিষয়টি সংসদে পাঠানো উচিত। অন্যদিকে জামায়াত ও এনসিপি (ন্যাশনাল সিটিজেন পার্টি) বিচারপতিদের অন্তর্ভুক্তি ও ভোটিং প্রক্রিয়াকে নিরপেক্ষতা নিশ্চিত করার সর্বোত্তম উপায় হিসেবে দেখছে।

নারী প্রতিনিধিত্ব নিয়ে আলোচনায় উল্লেখযোগ্য অগ্রগতির কথা জানিয়ে তিনি বলেন,সব দল জাতীয় সংসদে নারী আসন ১০০-তে উন্নীত করার ব্যাপারে একমত হয়েছে। তবে নির্বাচন পদ্ধতি নিয়ে ভিন্নমত রয়ে গেছে। কেউ সংরক্ষিত আসনের মাধ্যমে, কেউ সরাসরি নির্বাচনের মাধ্যমে নারীদের আনতে চায়। কমিশনের পক্ষ থেকে প্রথমে প্রস্তাব ছিল, রাজনৈতিক দলগুলো সাধারণ আসনের এক-তৃতীয়াংশে নারী প্রার্থী মনোনয়ন দেবে। পরে তা এক-চতুর্থাংশ এবং এক-পঞ্চমাংশ পর্যন্ত নমনীয় করা হয়।

আলী রীয়াজ বলেন, আমরা প্রায় ঐকমত্যের কাছাকাছি এসেছি। আগামীকাল কমিশনের পক্ষ থেকে লিখিত প্রস্তাব দেওয়া হবে। আশা করছি তা অধিকাংশ দলের কাছে গ্রহণযোগ্য হবে।

তিনি বলেন, মহা হিসাব নিরীক্ষক ও ন্যায়পাল নিয়োগের ক্ষেত্রে সংবিধানে কমিটি গঠনের বিধান সংযুক্তির প্রস্তাবে এখনো পূর্ণ ঐক্যমত্য হয়নি। তবে অধিকাংশ দল কমিশনের প্রস্তাবের পক্ষে মত দিয়েছে। ন্যায়পালের নিয়োগ কার্যকর করার বিষয়ে দলগুলো একমত হলেও, বিএনপি ও তার কয়েকটি মিত্র দল সংবিধানে নতুন বিধান না এনে বিদ্যমান আইনকে শক্তিশালী করার প্রস্তাব দিয়েছে।

আলী রীয়াজ জানান, দ্বিতীয় পর্যায়ের আলোচনার পাশাপাশি প্রথম পর্যায়ে যেসব বিষয়ের ওপর ঐকমত্য হয়েছিল, তার একটি তালিকা আগামীকাল রাজনৈতিক দলগুলোর কাছে পাঠানো হবে। এ ছাড়া জাতীয় সনদের খসড়ার একটি কপি ইতোমধ্যে দলগুলোকে দেওয়া হয়েছে। সংশোধনের পর আগামীকালই এ অংশটির নিষ্পত্তি করার আশা করা হচ্ছে।

তিনি বলেন, আমরা এখনো আশাবাদী যে ৩১ জুলাইয়ের মধ্যে জাতীয় ঐক্যমত্য সনদের পূর্ণাঙ্গ রূপ দাঁড় করাতে পারব। সব দলই কোনো না কোনোভাবে সমঝোতার দিকে এগোচ্ছে, এটি ইতিবাচক দিক।

শিক্ষামন্ত্রীর সঙ্গে এডিবি প্রতিনিধির বৈঠক

স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের নতুন ডিজি ডা. প্রভাত

শিক্ষাখাত শক্তিশালী করতে বিশ্বব্যাংক প্রতিনিধিদলের সঙ্গে শিক্ষামন্ত্রীর বৈঠক

স্কুল-কলেজের সভাপতির শিক্ষাগত যোগ্যতা নিয়ে নতুন নির্দেশনা

সাংবাদিক কল্যাণ ট্রাস্টের এমডি হলেন আমার দেশের চিফ রিপোর্টার বাছির জামাল

শাহজালালে এ পর্যন্ত মোট ৩৬৭ ফ্লাইট বাতিল

যুদ্ধ পরিস্থিতিতে অর্থনীতি স্থিতিশীল রাখতে মন্ত্রিসভার কমিটি গঠন

স্বতন্ত্রভাবে নির্বাচিত উপজেলা পরিষদের জনপ্রতিনিধিদের পুনর্বহালের দাবি

আজ সারা দেশে বজ্রবৃষ্টির পূর্বাভাস

বাংলাদেশ কারো অধীনে নয়, চলবে নিজের ইচ্ছায়