হোম > জাতীয়

ফ্যাসিবাদী আমলে চার সাংবাদিকের দুর্দশার যে বর্ণনা দিলেন মাহমুদুর রহমান

গাজী শাহনেওয়াজ ও সাইদুর রহমান রুমী

বাংলাদেশে বিগত ১৬–১৭ বছরে গণমাধ্যমের একটি বড় অংশ ভয়, চাপ ও সুবিধাবাদের কারণে নিপীড়নের শিকার সাংবাদিকদের পাশে দাঁড়ায়নি বলে মন্তব্য করেছেন আমার দেশ পত্রিকার সম্পাদক মাহমুদুর রহমান।

শনিবার রাজধানী বনানী একটি হোটেলে বিএনপি চেয়ারম্যান তারেক রহমান গণমাধ্যমের সম্পাদক ও সাংবাদিকদের সঙ্গে মতবিনিময় সভায় তিনি এই কথা বলেন। অনুষ্ঠানে বক্তব্য দিতে গিয়ে মাহমুদুর রহমান জানান, ব্যক্তিগত কারণে তিনি দীর্ঘ বক্তব্য দেবেন না। তবে তিনি ইচ্ছাকৃতভাবে কিছু নাম উচ্চারণ করবেন—যেসব নাম আজ না বললে আর কেউ বলবে না বলেই তার বিশ্বাস।

তিনি বলেন, ব্যস্ত মানুষ বক্তৃতা দিয়ে চলে যান, অন্যের কথা শোনেন না—এটা আমি অসৌজন্যমূলক আচরণ মনে করি। তাই আজ আমি বক্তব্য না দিয়ে কয়েকজন নির্যাতিত সাংবাদিকের নাম বলেই শেষ করব।

বক্তব্যে তিনি প্রয়াত সাংবাদিক রুহুল আমিন গাজীর কথা তুলে ধরে বলেন, ক্যান্সারে আক্রান্ত অবস্থায় ভুয়া মামলায় তাকে কারাগারে রেখে চিকিৎসা ছাড়া মৃত্যুর দিকে ঠেলে দেওয়া হয়েছিল। এ বিষয়ে সে সময় মূলধারার গণমাধ্যম নীরব ছিল।

তিনি আরও উল্লেখ করেন প্রবীণ সম্পাদক আবুল আসাদের কথা। মাহমুদুর রহমান বলেন, ছাত্রলীগের কিছু কর্মী তাকে গ্রেপ্তারের জন্য পুলিশের হাতে তুলে দেয়, বছরের পর বছর কারাবরণ করতে হয়, অসুস্থ অবস্থায় স্ত্রীর মৃত্যুর সময়ও তিনি পাশে থাকতে পারেননি—তবুও গণমাধ্যম থেকে কোনো জোরালো প্রতিবাদ আসেনি।

কারাগারে নিজের অভিজ্ঞতা তুলে ধরে তিনি বলেন, ৮০ বছর বয়সী শফিক রেহমানকেও মানবেতর অবস্থায় জেলে থাকতে হয়েছে। শীতের মধ্যে মেঝেতে শুয়ে থাকা, টয়লেটে যেতে না পারার মতো কষ্ট সহ্য করতে হয়েছে তাকে। “এই ফ্যাসিবাদের সময়েও খুব কম মানুষ তার পক্ষে দাঁড়িয়েছেন,” বলেন মাহমুদুর রহমান।

সাংবাদিক কনক সরোয়ারের প্রসঙ্গ টেনে তিনি বলেন, তারেক রহমানের একটি বক্তব্য লাইভ সম্প্রচারের ‘অপরাধে’ তাকে প্রায় এক বছর কারাবরণ করতে হয়েছে। এমনকি তার বোনকেও ভুয়া মাদক মামলায় মাসের পর মাস কারাগারে রাখা হয়েছিল—সেখানেও সংবাদমাধ্যমের বিবেক জাগ্রত হয়নি বলে মন্তব্য করেন তিনি।

বক্তব্যের শেষাংশে বিএনপির চেয়ারম্যান তারেক রহমানের উদ্দেশে মাহমুদুর রহমান বলেন, শেখ মুজিবুর রহমান মুক্তিযুদ্ধের সাথে জড়িত ছিলেন না তিনি জানতেন না মুক্তিযুদ্ধ কিভাবে হয়েছে এবং তিনি ফিরে এসেও জানার চেষ্টা করেন নাই মুক্তিযুদ্ধ কিভাবে হয়েছে তাকে আওয়ামী লীগের লোকজন যা বলেছে এবং ভারতীয় পক্ষ যা বলেছে সেটাকেই তিনি ধরে নিয়েছিলেন এটাই মুক্তিযুদ্ধের ইতিহাস ছিল। এই জন্যই তিনি ব্যর্থ হয়েছিলেন।

তিনি বলেন, তারেক রহমান আপনি ১৭ বছর দেশে ছিলেন না আপনি জানেন না এখানে কি হয়েছে আপনার বিশিষ্ট লোকজন আপনাকে যা বলেছে এটাই আপনি শুনেছেন এবং এখন যারা মিডিয়ার নতুন বন্ধুরা আপনাকে যেটা বলছে সেটাই আপনি শুনছেন, কিন্তু বাংলাদেশের ১৭ বছরের ইতিহাস এটা না। ভবিষ্যতে সুযোগ পেলে বাংলাদেশের গণমাধ্যমের ৫০ বছরের বাস্তব ইতিহাস বিস্তারিতভাবে তুলে ধরবো।

ইতিহাস বিকৃতকারীরা টিকে থাকতে পারে না : তথ্যমন্ত্রী

পাঁচ বছরে ৩ লাখ বৃক্ষরোপণ করার ঘোষনা ডিএসসিসি প্রশাসকের

সদরঘাটে লঞ্চ দুর্ঘটনায় নিহতদের পরিবারকে আর্থিক সহায়তা প্রদান

রাজধানীতে মুষলধারে বৃষ্টি, তাপমাত্রা কমলেও বেড়েছে ভোগান্তি

ক্রিকেটার নাঈমকে মারধরে জড়িত কাউকে ছাড় নয়

এইমস অব বাংলাদেশের ব্যবস্থাপনা পরিচালক ইয়াওয়ার সাঈদ আর নেই

মে মাসেও সবচেয়ে বেশি মৃত্যু মোটরসাইকেল দুর্ঘটনায়

যে বাজেটে ট্যাক্স কমল, সে বাজেট বিরোধী দলের পছন্দ নয়

পাতলী খাল পুনঃখননের উদ্বোধন করলেন প্রধানমন্ত্রী

টেকসই অর্থনীতি গড়ে তুলতে চায় সরকার: পররাষ্ট্রমন্ত্রী