হোম > জাতীয়

প্রাচীন বাংলার গ্রামীণ ঐতিহ্য ফিরিয়ে বিজয় মেলায় থাকবে চারু, কারু ও স্থানীয়ভাবে উৎপাদিত শিল্পপণ্য। মেলার পাশাপাশি বীর মুক্তিযোদ্ধাদের সংবর্ধনার আয়োজন করবে স্থানীয় জেলা ও উপজেলা প্রশাসন।

কুচকাওয়াজ নয়, হবে ‘বিজয় মেলা’

অভ্যুত্থানের পর প্রথম বিজয় দিবস

স্পোর্টস রিপোর্টার

মহান বিজয় দিবসে এবার জেলা-উপজেলা পর্যায়ে হচ্ছে না শিক্ষার্থীদের অংশগ্রহণে কুচকাওয়াজ ও ডিসপ্লে। এর বদলে আয়োজন করা হচ্ছে ‘বিজয় মেলা’। প্রাচীন বাংলার গ্রামীণ ঐতিহ্য ফিরিয়ে বিজয় মেলায় থাকবে চারু, কারু ও স্থানীয়ভাবে উৎপাদিত শিল্পপণ্য। মেলার পাশাপাশি বীর মুক্তিযোদ্ধাদের সংবর্ধনার আয়োজন করবে স্থানীয় জেলা ও উপজেলা প্রশাসন।

সরকার বিজয় দিবসের বিভিন্ন কর্মসূচি আয়োজনে বরাদ্দ বাড়িয়েছে গতবারের চেয়ে তিন গুণ। গত বছর এ খাতে বরাদ্দ ছিল তিন কোটি ৮৭ লাখ টাকা। এ বছর বাড়িয়ে ৯ কোটি ২১ লাখ ২৫ হাজার টাকা করেছে মুক্তিযুদ্ধবিষয়ক মন্ত্রণালয়। বিষয়টির সত্যতা নিশ্চিত করেছেন মুক্তিযুদ্ধবিষয়ক মন্ত্রণালয়ের সচিব ইসরাত চৌধুরী।

বুধবার (৪ ডিসেম্বর) তিনি বলেন, ‘এবার জাতীয় প্যারেড গ্রাউন্ডে সশস্ত্র বাহিনীর কুচকাওয়াজ হচ্ছে না। গত বছরও নির্বাচনের কারণে হয়নি। এ ছাড়া জেলা-উপজেলা পর্যায়ে বিভিন্ন শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের শিক্ষার্থীদের অংশগ্রহণে কুচকাওয়াজ ও ডিসপ্লে হবে না। তবে এর বদলে হবে বিজয় মেলা।

গ্রামীণ বাংলার বিভিন্ন ঐতিহ্য নিয়ে এই মেলা হবে। এ জন্য অতিরিক্ত বাজেট বরাদ্দ দিয়েছে সরকার।’

প্রথম অধিবেশনে পাস ৯৪ বিল ও ১৩৩ অধ্যাদেশ

দেশের স্বার্থে কাজ করব, কেউ কাউকে ব্যর্থ করতে চাইব না

সংরক্ষিত নারী আসনের দুই-তৃতীয়াংশ এমপি উচ্চশিক্ষিত ও কোটিপতি

স্নাতক পর্যন্ত নারী শিক্ষাকে ফ্রি করার সিদ্ধান্ত নিয়েছে সরকার

নারী-পুরুষ সমান মজুরি নিশ্চিত করতে সরকার বদ্ধপরিকর

বোয়িংয়ের সঙ্গে ১৪ বিমান কেনার চুক্তি

ইতিহাসের কোপাকুপি বাদ দিয়ে আসুন ঐক্যবদ্ধভাবে দেশ গড়ি

নিজেকে ‘শিশু মুক্তিযোদ্ধা’ দাবি করলেন জামায়াত নেতা তাহের

সর্বশক্তি দিয়ে ঐক্যবদ্ধভাবে দেশের মানুষের প্রত্যাশা পূরণ করব: প্রধানমন্ত্রী

বিরোধীদলীয় নেতার যে প্রস্তাব মেনে নিলেন প্রধানমন্ত্রী