হোম > জাতীয়

রাজধানীতে ব্যবসায়ীকে পাথর মেরে হত্যার ভিডিও ভাইরাল, সমালোচনার ঝড়

আতিকুর রহমান নগরী

রাজধানীর স্যার সলিমুল্লাহ মেডিকেল কলেজ মিটফোর্ড হাসপাতালের ৩ নম্বর গেটের সামনে সম্প্রতি মো. সোহাগ নামে এক ভাঙারি ব্যবসায়ীকে পাথর দিয়ে মাথায় আঘাত করে নির্মমভাবে হত্যা করা হয়েছে। শুক্রবার সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে পাথর মেরে হত্যার ভিডিও ভাইরাল হয়েছে। সেটা নিয়ে সমালোচনার ঝড় বইছে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে।

এ ঘটনায় জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) উত্তরাঞ্চলীয় মুখ্য সমন্বয়ক সারজিস আলম বলেছেন, সবাই খারাপ কিন্তু উনি ভালো, বাংলাদেশে এই নাটক আর চলবে না।

আপনার দলের নেতাকর্মী নামক কতিপয় নরপিশাচকে সামলান, জনাব তারেক রহমান। যে নিয়মে আওয়ামী লীগের করা হত্যার দায় খুনি হাসিনার উপর বর্তায়, সেই একই নিয়মে বিএনপি, যুবদল, ছাত্রদলের নেতা-কর্মীদের করা খু-নের দায় আপনার উপরেও বর্তায়।

মিডফোর্ড হাসপাতালের পাশে চাঁদা না দেওয়ায় একজন ব্যবসায়ীকে উলঙ্গ করে, পাথর মেরে, হত্যা করে তার লাশ ঘিরে চলছে যুবদলের কর্মীদের বুনো উল্লাস। এই দৃশ্য আইয়ামে জাহেলিয়া যুগের বর্বরতার কথা স্মরণ করায়।

এজন্য বাংলাদেশের মানুষ জুলাই বিপ্লব করে নাই।

আগের দিন আর নাই, জনাব। এই প্রজন্ম ছাড় দিতে পারে তবে ছেড়ে দিবে না।

ঢাকার আন্তর্জাতিক ইসলামিক বিশ্ববিদ্যালয়ের (IIUC) সহযোগী অধ্যাপক মোখতার আহমাদ তার ফেসবুকে লিখেছেন, পুরান ঢাকায় পাথর দিয়ে শরীর ও মাথা থেতলে দিয়ে একজন জীবন্ত মানুষকে হত্যার ভয়ানক নৃশংসতা জাহেলি যুগকেও হার মানিয়েছে। দীর্ঘদিন আমরা এই দৃশ্য ভুলতে পারবো কিনা জানিনা। আমি শিহরিত হয়ে উঠছি বারবার, চোখ থেকে দৃশ্য সরছে না কোনোভাবেই।

ওল্লাহি, আমি কেঁদেছি, ঠুকরে ঠুকরে...

বাংলাদেশ ইসলামী ছাত্রশিবির ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় শাখার সভাপতি এস এম ফরহাদ ফেসবুকে বলেছেন, আবারও কোনো এক 'ছত্রিশে জুলাই' হয়তো এই দেশটাকে বাঁচাতে আসবে!

গতকাল যুগান্তর-এর এক প্রতিবেদনে ব্যবসায়ী হত্যাকাণ্ডের সঙ্গে যুবদল নেতার সংশ্লিষ্টতার তথ্য উঠে আসার পর অনলাইনে কিছুটা ভিন্ন প্রেক্ষাপট ও মৃদু আলাপ শুরু হয়। আর আজকে দেশব্যাপী তীব্র প্রতিক্রিয়ার মূল কারণ—ঘটনার ভিডিওটি সামাজিক মাধ্যমে ছড়িয়ে পড়া। ভিডিওটি না এলে, হয়তো এটিও অন্যান্য ‘স্বাভাবিক’ খুনের মতো মানুষের স্মৃতি থেকে হারিয়ে যেত।

লতিফুল ইসলাম নামে একজন ভিডিওটি ফেসবুকে শেয়ার করে লেখেন, ‘ভিডিওটা বীভৎস, শেয়ার করার মতো না।’ নাজমুল ইসলাম নামে এক ফেসবুক ব্যবহারকারী লেখেন, ‘মিডফোর্টের ভিডিওটা দেখলাম। পাথর দিয়ে একটা মানুষকে কিভাবে জনসম্মুখে মাথা থেতলিয়ে হত্যা করা হয়েছে। সুস্থ স্বাভাবিক কেউ ভিডিওটা দেখার সাহস করবে না। এ কোন জাহেলিয়াতে আছি আমরা? কাদের হাতে আমাদের দেশের ভবিষ্যত?।’

গণমাধ্যম সূত্রে জানা যায়, স্যার সলিমুল্লাহ মেডিকেল কলেজ মিটফোর্ড হাসপাতালের ৩ নম্বর গেটের গেটসংলগ্ন রজনী ঘোষ লেনে ব্যবসায়ীকে হত্যা করা হয়। নিহত মো. সোহাগ কেরানীগঞ্জ মডেল থানার পূর্ব নামাবাড়ি গ্রামের ইউসুফ আলী হাওলাদারের ছেলে। তিনি দীর্ঘদিন ধরে মিটফোর্ড এলাকার ৪ নম্বর রজনী ঘোষ লেনে ভাঙারির ব্যবসা করতেন।

রোহিঙ্গাদের প্রত্যাবাসনে চীনের সহায়তা চাইলেন মির্জা ফখরুল

চট্টগ্রাম সিটি কলেজে হামলার প্রসঙ্গ সংসদে, তদন্ত শেষে ৩০০ বিধিতে বিবৃতির ইঙ্গিত স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর

বাংলাদেশি জাহাজকে হরমুজ প্রণালি পার হতে দিচ্ছে না কেন ইরান

যশোরে কৃষি বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিষ্ঠার জোর দাবি এমপি ফরিদের

তাপপ্রবাহের তীব্রতা বাড়া নিয়ে যে বার্তা দিল আবহাওয়া অধিদপ্তর

বিএনপি এমপির বক্তব্য এক্সপাঞ্জ

আরো ১৬৯৮ কোটি টাকার জ্বালানি তেল কিনছে সরকার

মনসুর আলী মেডিকেলের নতুন নাম সিরাজগঞ্জ মেডিকেল কলেজ

বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় নির্বাচিত হচ্ছেন সংরক্ষিত নারী এমপিরা

প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয়ের নতুন সচিব সাখাওয়াৎ হোসেন