কালচারাল সফট পাওয়ারের সাহায্য ছাড়াই, কোনো বুদ্ধিজীবী গ্যাংয়ের নামজপ ছাড়াই খালেদা জিয়া যেভাবে মানুষের কাছে হয়ে উঠেছেন বাংলাদেশের সবচেয়ে বড় ইউনিফাইং ক্যারেক্টার (ঐক্যের প্রতীক), এটা এক প্রকার ব্লেসিংস (আশীর্বাদ)। শুক্রবার রাতে নিজের ভেরিফায়েড ফেসবুকে এ কথা লিখেছেন সংস্কৃতি উপদেষ্টা মোস্তফা সরয়ার ফারুকী।
তিনি লেখেন, আমার নিউজফিডজুড়ে খালেদা জিয়ার জন্য মানুষের দোয়া প্রার্থনা এবং এই পোস্টগুলা কোনো একটা নির্দিষ্ট দলের মানুষের না। একটা মানুষের জীবনে এর চেয়ে বড় অর্জন আর কী থাকতে পারে?
খালেদা জিয়ার সুস্থ্যতা কামনা করে ফারুকী আরো লেখেন, সুস্থ হয়ে তিনি দ্রুতই বাসায় ফিরবেন এবং বাংলাদেশের গণতান্ত্রিক ট্রানজিশনে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবেন, এই প্রার্থনা।
রাজধানীর একটি হাসপাতালের সিসিইউতে ‘অত্যন্ত সংকটাপন্ন’ অবস্থায় চিকিৎসাধীন বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল (বিএনপি)’র চেয়ারপারসান ও সাবেক প্রধানমন্ত্রী বেগম খালেদা জিয়া। ফুসফুসে সংক্রমণ থেকে শ্বাসকষ্ট নিয়ে হাসপাতালে ভর্তি হয়েছিলেন তিনি। এরপর দেখা দেয় নিউমোনিয়া। এর সঙ্গে রয়েছে কিডনি, লিভার, আর্থ্রাইটিস ও ডায়াবেটিসের পুরনো সমস্যা। ফলে একটি রোগের চিকিৎসা দিতে গেলে আরেকটির ওপর বিরূপ প্রভাব পড়ছে।
বেগম খালেদা জিয়ার জন্য দেশবাসীর কাছে দোয়া চেয়েছেন অন্তর্বর্তী সরকারের প্রধান উপদেষ্টা অধ্যাপক ড. মুহাম্মদ ইউনূস। তিনি নিয়মিত বেগম খালেদা জিয়ার স্বাস্থ্যের অগ্রগতি সম্পর্কে খোঁজ-খবর রাখছেন এবং প্রয়োজনীয় সব চিকিৎসা সহায়তা নিশ্চিত করতে সংশ্লিষ্ট সবার প্রতি নির্দেশ দিয়েছেন।