বিএনপির আন্তর্জাতিক বিষয়ক সম্পাদক ব্যারিস্টার নাসির উদ্দিন আহমেদ অসীম বলেছেন, আমাদের দল সবসময় আইনের শাসনে বিশ্বাসী। তিনি বলেন, আমাদের ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান সম্প্রতি বিবিসি বাংলাকে দেওয়া সাক্ষাৎকারটি তারই প্রমাণ করে।
শুক্রবার সন্ধ্যায় ব্যারিস্টার নাসির উদ্দিন আহমেদ অসীমের উদ্যোগে ধানমন্ডি বেল টাওয়ারের সামনে এলইডির মাধ্যমে তারেক রহমানের ভিডিও সাক্ষাতকারটি পুনঃপ্রদর্শন করা হয়। এ সময় ব্যারিস্টার মেহনাজ মান্নান, স্বেচ্ছাসেবক দল নেতা রফিকুল ইসলাম রফিক, নিউমার্কেট, ধানমন্ডি, হাজারীবাগ, কলাবাগান, ৫৫ নাম্বার ওয়ার্ড বিএনপি ও অঙ্গ সংগঠনের নেতাকর্মীরা উপস্থিত ছিলেন। দলের ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যানের সাক্ষাৎকার প্রদর্শনের সময় উৎসুক জনতার উপচেপড়া ভিড় লক্ষ করা যায়।
তারেক রহমানের সাক্ষাতকার প্রসঙ্গে ব্যারিস্টার অসীম সংক্ষিপ্ত বক্তব্যে বলেন, তিনি নিজের ও পরিবারের ওপর হওয়া নির্যাতনটা তুলনা করেছেন সমগ্র বাংলাদেশের ৫৬ হাজার বর্গ মাইলের মধ্যে বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দলের প্রতিটি নেতাকর্মী প্রতিটি ঘরে ঘরে গুম-খুন অত্যাচার, নির্যাতন, মামলা-হামলার শিকার হয়েছেন তার সঙ্গে। সে সব নেতাকর্মীর সঙ্গে তার দুঃখ তুলনা করেছেন। তিনি বলেন নাই যে, উনি একমাত্র নির্যাতিত। তার নিজের র দুঃখ-দুর্দশা সবচেয়ে বেশি। বরং তিনি বলেছেন, দলের প্রতিটা নেতাকর্মী তার মতই নির্মম নির্যাতনের শিকার হয়েছেন। এটাই হলো নেতার নেতৃত্ব। এটাই হলো নেতা।
ব্যারিস্টার অসীম বলেন, তিনি (তারেক রহমান) বিচারের কথা বলেছেন। কারণ আইনের শাসনে বিশ্বাস করে বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল। রাষ্ট্র সংস্কারের ৩১ দফায় স্বাধীন বিচার বিভাগের কথা আছে। স্বধীন বিচার বিভাগের অস্তিত্ব যদি থাকে তাহলে যারা দুষ্কর্ম অপকর্ম করেছে তাদের বিচার হতে হবে। কিন্তু উনি বলেন নাই যে প্রতিশোধ নেব। প্রচলিত আইনে তাদের বিচার হবে যারা এই দেশকে ধ্বংস করতে চেয়েছিল। যারা এই দেশকে লুট করেছিল।
তিনি বিদেশনীতি সম্পর্কে বলেছেন, বাংলাদেশের জনগণের সঙ্গে তিনি থাকবেন, বাংলাদেশের জনগণ যে সিদ্ধান্ত নেবে। নেতার মতো তিনি যথার্থ বলেছেন। আমি বাংলাদেশের নাগরিকদের সঙ্গে থাকব। সবার আগে বাংলাদেশ এই কথাটাই তিনি বলেছিলেন। ঠিক এটাই হলো নেতার নেতৃত্বের গুণাবলি। আজকে আমরা সে জন্য আবার এটার প্রদর্শনীর আয়োজন করেছি, এর মাধ্যমে আপনারা তার সাক্ষাতাকারটি আবারও শুনতে পারেন।