হোম > রাজনীতি

বিএনপির আদি ঘাঁটিতে বহু মনোনয়নপ্রত্যাশী

এহতেশামুল হক শাওন, খুলনা

খুলনার রাজনীতির গোড়াপত্তন হয় মুসলিম লীগের হাতে। এই রাজনীতির প্রাণপুরুষ ছিলেন সাবেক মন্ত্রী খান এ সবুর। কালের বিবর্তনে ম্রিয়মাণ দলটি। আর ইসলামি জাতীয়তাবাদী ধারার ভোটারদের সমর্থন পায় বিএনপি। লোকমুখে এখনো শোনা যায় ‘খুলনার মাটি বিএনপির ঘাঁটি’। কিন্তু সাড়ে ১৫ বছর আওয়ামী লীগ ভোটাধিকার কেড়ে নিয়ে দক্ষিণ-পশ্চিমাঞ্চলের এই জেলার মানুষকে রাজনীতির বাইরে রেখেছিল। হাজারো ছাত্র-জনতার রক্তে রঞ্জিত জুলাই বিপ্লব আবার সারা দেশের মতো এ অঞ্চলে ফিরিয়ে এনেছে নির্বাচনের আমেজ।

খুলনার ৯ উপজেলা নিয়ে ছয়টি সংসদীয় আসন গঠিত। ত্রয়োদশ জাতীয় নির্বাচন ঘিরে ভোটের মেলা বসছে সব এলাকায়। দলের সুনজর পাওয়ার আসায় মাঠে সরব আছেন বিএনপির বেশ কয়েকজন নেতা। বহু আগে থেকেই দলটির আধিপত্য থাকায় প্রতিদ্বন্দ্বিতায় মাঠে নেতার সংখ্যা নেহাত কম নয়। কোনো কোনো আসনে মনোনয়ন প্রত্যাশীর সংখ্যা পাঁচ ছাড়িয়ে গেছে। অন্যদিকে একক প্রার্থী নিয়ে চমক দেখানোর প্রস্তুতি নিচ্ছে জামায়াতে ইসলামী। নিরবচ্ছিন্ন প্রচার চালিয়ে ইতোমধ্যে ভোটারদের মধ্যে সাড়া ফেলেছে দলটি। আর প্রার্থী চূড়ান্ত করলেও সম্ভাব্য ইসলামপন্থি দলগুলোর জোট গঠনের অপেক্ষায় আছে ইসলামী আন্দোলন।

অনেকেই বলছেন ইসলামপন্থিদের জোট হলে ভোটের হিসাব-নিকাশ অন্যরকম হতে পারে। ফলাফল আসতে পারে বিস্ময়কর। তবে গণঅধিকার পরিষদ, জাতীয় নাগরিক পার্টি (এনসিপি), আমার বাংলাদেশ পার্টিসহ (এবি পার্টি) অন্য দলের তৎপরতা তেমন নেই।

খুলনা-১ (দাকোপ-বটিয়াঘাটা)

সংখ্যালঘু ভোটারের আধিক্য রয়েছে এ আসনে। এখানে বিএনপির হয়ে তিনবার ধানের শীষের কান্ডারী ছিলেন দলটির জেলা কমিটির সাবেক আহ্বায়ক আমীর এজাজ খান। ২০১৮ সালে তিনি দলের টিকিট পেয়েছিলেন। এবারো তিনি মনোনয়ন প্রত্যাশী।

এছাড়া ধানের শীষ প্রতীক পাওয়ার আশা করছেন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের সাবেক ছাত্রদল নেতা, বর্তমানে পল্লী বিদ্যুতের জিএম হিসেবে কর্মরত জিয়াউর রহমান পাপুল, জেলা শাখার সাবেক দুই যুগ্ম আহ্বায়ক শামীম কবির ও শেখ তৈয়েবুর রহমান এবং ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় শাখা ছাত্রদলের সাবেক নেতা পার্থদেব মণ্ডল।

এজাজ খান বলেন, ‘আগেও দল আমার ওপর আস্থা রেখেছে, এবারো রাখবে বলে আশা করি। এবারো বিএনপির নমিনেশন পাস করে আসনটি দলকে উপহার দেব।’

জিয়াউর রহমান বলেন, ‘অতীতে দুর্বল নেতৃত্বের কারণে এখানে বিএনপি জেতেনি। দলও সংগঠিত হয়নি। চাঁদাবাজি, দখলবাজি, বালু সন্ত্রাসে জড়িত হওয়ায় কেন্দ্র থেকে জেলা বিএনপির কমিটি ভেঙে দেওয়া হয়। এলাকার মানুষ মেধাবী, সৎ ও তরুণ নেতৃত্ব চায়।’

জামায়াত পাঁচ আসনে আগে প্রার্থী ঘোষণা করে ফুরফুরে মেজাজে আছে। সামাজিক-সাংস্কৃতিক নানা কর্মসূচির পাশাপাশি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে বিভিন্ন উপায়ে টানা প্রচারাভিযান চালাচ্ছে দলটির নমিনি বটিয়াঘাটা উপজেলা শাখার আমির মাওলানা আবু ইউসুফ। তিনি প্রতিনিয়ত সাংগঠনিক কর্মসূচির সঙ্গে গণসংযোগ করছেন।

অন্যদিকে ইসলামী আন্দোলনের জেলা শাখার সহ-সভাপতি মাওলানা আবু সাঈদ প্রার্থী হতে পারেন। এখানে জাতীয় নাগরিক পার্টি এনসিপির প্রার্থী ভীম্পাল্লী ডেভিড রাজু।

খুলনা-২ (সদর-সোনাডাঙ্গা)

এটি খুলনার ভিআইপি আসন। এখানে ২০০১ সালে খালেদা জিয়া প্রার্থী ছিলেন। বিএনপির জন্য মর্যাদার এ আসনে এবার ধানের শীষের কান্ডারী হতে চান তিন নেতা। তারা হলেনÑ মহানগর বিএনপির সাবেক সভাপতি ও সাবেক সংসদ সদস্য নজরুল ইসলাম মঞ্জু, তিন মেয়াদের ওয়ার্ড কাউন্সিলর মহানগর বিএনপির সভাপতি শফিকুল আলম মনা ও মহানগর বিএনপির সাধারণ সম্পাদক শফিকুল আলম তুহিন।

নজরুল ইসলাম বলেন, ‘সাবেক নেতাকর্মী ও অনুসারীদের নিয়ে জাতীয় ও দলীয় সব কর্মসূচি পালন করছি। রাজনীতিতে স্বচ্ছতা ফিরিয়ে আনতে ও ভালো মানুষের নেতৃত্ব প্রতিষ্ঠা করতে এবারো দলের মনোনয়ন পাওয়ার ব্যাপারে দৃঢ় বিশ্বাস রয়েছে।’

শফিকুল আলম বলেন, ‘দল চাইলে আমি নির্বাচনের জন্য প্রস্তুত আছি ও সেই লক্ষ্যে কাজ করছি।’

তুহিন বলেন, ‘ছাত্র ও যুব রাজনীতির মধ্য দিয়ে উঠে এসেছি। প্রচারে ঘাটতি রাখছি না, নানা রাজনৈতিক কর্মসূচি ও সামাজিক কর্মকাণ্ডের মাধ্যমে চষে বেড়াচ্ছি মাঠ।’

এ আসনে জামায়াতের প্রার্থী দলের কেন্দ্রীয় মজলিসে শূরা সদস্য ও মহানগর সেক্রেটারি অ্যাডভোকেট জাহাঙ্গীর হোসাইন হেলাল। নগরীর ৩১ নম্বর ওয়ার্ডের সাবেক কাউন্সিলর হেলাল মাঠে নির্বাচনী প্রচারে ব্যস্ত সময় পার করছেন।

অন্যদিকে ইসলামী আন্দোলনের কেন্দ্রীয় কমিটির নায়েবে আমির মাওলানা আবদুল আউয়ালকে এ আসনে প্রার্থী করা হতে পারে।

খুলনা-৩ (দৌলতপুর, খালিশপুর, খানজাহান আলী এবং আড়ংঘাটা থানার আংশিক)

খুলনা বিএনপির বর্তমান রাজনীতি আবর্তিত হচ্ছে কেন্দ্রীয় কমিটির ছাত্রবিষয়ক সম্পাদক রফিকুল ইসলাম বকুলকে কেন্দ্র করে। মহানগর বিএনপিতে এখন তার অনুসারীদের সরব উপস্থিতি রয়েছে। ২০১৮ সালে তিনি ধানের শীষ পেয়েছিলেন। এবারো পাবেন বলে প্রত্যাশা করছেন।

এছাড়া বিএনপির মনোনয়ন প্রত্যাশা করছেন মহানগরের বিএনপির সাবেক সিনিয়র যুগ্ম সম্পাদক অধ্যক্ষ তারিকুল ইসলাম। তিনি এলাকায় জনসংযোগে ও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে প্রচার চালিয়ে তার ইচ্ছার কথা জানান দিচ্ছেন।

জামায়াত এ আসনে কেন্দ্রীয় মজলিসে শূরা সদস্য ও মহানগর শাখার আমির অধ্যাপক মাহফুজুর রহমানকে প্রার্থী ঘোষণার পর থেকে তিনি এলাকায় পুরো মাত্রায় গণসংযোগ করছেন। আর ইসলামী আন্দোলন থেকে প্রার্থী হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে নগর শাখার সেক্রেটারি মুফতি ইমরান হোসাইনের।

অন্যদিকে এনসিপি থেকে প্রার্থী হওয়ার জন্য জোর তৎপরতা চালাচ্ছেন নগর বিএনপির সাবেক কোষাধ্যক্ষ এস এম আরিফুর রহমান মিঠু।

খুলনা-৪ (রূপসা-দিঘলিয়া-তেরখাদা)

ছাত্রদল কেন্দ্রীয় নির্বাহী সংসদের সদ্য সাবেক সভাপতি আজিজুল বারী হেলাল এবার দলের হেভিওয়েট প্রার্থী হিসেবে মাঠ চষে বেড়াচ্ছেন। বিএনপি নির্বাহী কমিটির তথ্য ও গবেষণাবিষয়ক সম্পাদক হেলাল ধানের শীষের শক্তিশালী দাবিদারও। সেভাবেই চলছে তার প্রচার কার্যক্রম।

তবে যুক্তরাজ্য বিএনপির সিনিয়র যুগ্ম সম্পাদক ও জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয় শাখা ছাত্রদলের সাবেক সভাপতি পারভেজ মল্লিকও মাঝে-মধ্যে এলাকায় আসছেন এবং জনগণের নজর কাড়ার জন্য নানা কর্মসূচিতে অংশ নিচ্ছেন। এবার শরীফ শাহ কামাল তাজও প্রার্থী হতে চান বলে জানা গেছে।

এ আসনে জামায়াতের খুলনা জেলা শাখার নায়েবে আমির ও দিঘলিয়া উপজেলা আমির মাওলানা কবীরুল ইসলাম প্রার্থী হিসেবে ময়দানে সক্রিয়। নানা কর্মসূচির মাধ্যমে চালাচ্ছেন প্রচার।

অন্যদিকে ইসলামী আন্দোলনের প্রার্থী হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে হাফেজ মাওলানা অধ্যক্ষ ইউনুস আহমাদের।

খুলনা-৫ (ডুমুরিয়া-ফুলতলা)

আওয়ামী লীগের দম্ভ চূর্ণ করে ২০০১ সালে এমপি নির্বাচিত হয়েছিলেন জামায়াতের সেক্রেটারি জেনারেল অধ্যাপক মিয়া গোলাম পরওয়ার। ২০০৮ সালে দাঁড়িপাল্লা প্রতীকে এবং ২০১৮ সালে জোটের শরিক হিসেবে ধানের শীষ প্রতীকে নির্বাচন করেন। মামলা, জেল জীবন ও আত্মগোপনে থাকাবস্থায় সুযোগ পেলেই জনগণের নিবিড় সংযোগে ছিলেন। ফলে সাংগঠনিক শক্ত ভিত্তি বাড়তি শক্তি যোগাচ্ছে নির্বাচনি প্রচারণায়। ইতোমধ্যে দুই দফা দলের আমির এসেছেন খুলনায়। জনতার ঢল নামা জনসভায় জামায়াতের প্রার্থীদের জন্য ভোটারদের সমর্থন চেয়েছেন তিনি।

জামায়াতের হেভিওয়েট প্রার্থীকে মোকাবিলা করার মতো শক্তিশালী প্রার্থী সংকটে ভুগছিল বিএনপি। ৫ আগস্টের পরে এ আসনে গণসংযোগ শুরু করেন যুবদল জেলা শাখার আহ্বায়ক ইবাদুল হক রুবায়েদ। স্থানীয় বাসিন্দা না হওয়া সত্ত্বেও প্রথমে অঙ্গ-সংগঠনের, পরে বিএনপির নেতাকর্মীরা তার পক্ষে নামেন।

এছাড়া কেন্দ্রীয় ছাত্রদলের সাবেক সহ-সভাপতি শফি মোহাম্মদ খান তার অনুসারীদের নিয়ে গণসংযোগ করছেন। বিভিন্ন ধর্মীয়, সামাজিক ও সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানে অংশ নিয়ে আলোচনায় আসেন শফি। এ আসনে বিএনপির নমিনি হতে চান ডুমুরিয়া উপজেলা বিএনপির সাবেক আহ্বায়ক মোল্লা মোশারফ হোসেন মফিজ ও আমেরিকা প্রবাসী টিকু রহমানও।

অন্যদিকে গত ৩০ মে জিয়াউর রহমানের শাহাদাত বার্ষিকীর কর্মসূচিতে অংশ নেওয়ার মাধ্যমে এ আসনে বিএনপির প্রার্থী হিসেবে আত্মপ্রকাশ করেন খুলনা সদর আসনের সাবেক এমপি, বিসিবির সাবেক সভাপতি আলী আসগার লবী। রাজনীতিতে লবীর প্রত্যাবর্তন নতুন আলোচনার জন্ম দেয়।

তিনি আমার দেশকে বলেন, হাই কমান্ডের নির্দেশে তিনি এসেছেন। দল চাইলে নির্বাচন করবেন। তবে তার ফিরে আসা মাঠে ও কাজ করা অন্য প্রার্থীদের নাখোশ করছে।

খুলনা-৬ (পাইকগাছা-কয়রা)

সুন্দরবন সংলগ্ন উপকূলীয় এ আসনে জামায়াতের একক প্রার্থী কেন্দ্রীয় কর্মপরিষদ সদস্য ও খুলনা অঞ্চলের সহকারী পরিচালক মাওলানা আবুল কালাম আজাদ। আগে দু’বার জামায়াতের প্রার্থী এই আসনে জয় পেয়েছিলেন। ফলে সাংগঠনিক ভিত্তি শক্তিশালী এবং আবুল কালাম আজাদের সামনে অপার সম্ভাবনা রয়েছে। সঙ্গে যুক্ত হয়েছে তার অবিরাম নির্বাচনি তৎপরতা।

এখানে জামায়াতের স্বস্তি যতটা, বিএনপির অস্বস্তি ঠিক ততটাই। সর্বোচ্চসংখ্যক মনোনয়ন প্রত্যাশীর ছড়াছড়ি এখানে। এ তালিকায় আছেন জেলা বিএনপির আহ্বায়ক মনিরুজ্জামান মন্টু, সাবেক সদস্য সচিব এস এম মনিরুল হাসান বাপ্পী, জেলা বিএনপির সিনিয়র যুগ্ম আহ্বায়ক ও কয়রা উপজেলা বিএনপির সভাপতি অ্যাডভোকেট মোমরেজুল ইসলাম, পাইকগাছা উপজেলা বিএনপির আহ্বায়ক ডা. আবদুল মজিদ, সাবেক কেন্দ্রীয় ছাত্রদল নেতা রফিকুল ইসলাম এবং যুক্তরাজ্যে অবস্থানরত এম জুবায়ের আহমেদ।

তবে স্থানীয় সব প্রার্থীকে ছাপিয়ে আলোচনায় উঠে এসেছেন জাতীয় পর্যায়ে সাংবাদিকতায় দুই পরিচিত মুখ। জাতীয় প্রেস ক্লাব ও বিএফইউজেতে নেতৃত্ব দেওয়া জিয়াউর রহমান ফাউন্ডেশনের পরিচালক আমিরুল ইসলাম কাগজী এবং আনোয়ার আলদীন।

বিএনপি জাতীয় নির্বাহী কমিটির সদস্য ও খুলনা মহানগর সভাপতি শফিকুল আলম মনা বলেন, বৃহৎ রাজনৈতিক সংগঠন হিসেবে বিএনপিতে একাধিক শক্তিশালী প্রার্থী থাকবে। তবে দল যাকে নমিনেশন দেবে, সবাই তার পক্ষেই কাজ করবে। এভাবে আগামী নির্বাচনে খুলনায় বিএনপির আসন বাড়বে।

জামায়াতের খুলনা অঞ্চলের সহকারী পরিচালক মাওলানা আবুল কালাম আজাদ বলেন, দলের প্রার্থীরা নিরবচ্ছিন্নভাবে প্রচারণা চালাচ্ছেন। সমমনা ইসলামি দলগুলোর সঙ্গে জোটের বিষয়ে এখনো সিদ্ধান্ত আসেনি। মূলত তপশিল ঘোষণার আগে চূড়ান্ত কিছু বলা যাবে না।

এনসিপির খুলনার সংগঠক আহমাদ হামীম রাহাত বলেন, আমাদের দলের নিবন্ধন নেওয়ার ব্যাপারে সবার মনোযোগ। এখনো নির্বাচনি কার্যক্রম চালানো বা প্রার্থী ঠিক করার পর্যায়ে পৌঁছতে পারিনি। তবে আগামী নির্বাচনে এনসিপি ফ্যাক্টর হবে। যে কোনো জোটেও এনসিপিকে দেখা যেতে পারে।

জেলা আইনজীবী সমিতির সদস্য সচিব অ্যাডভোকেট নুরুল হাসান রুবা বলেন, একটি নিরপেক্ষ নির্বাচন দরকার এবং ওই নির্বাচনের মাধ্যমে যোগ্য সংসদ সদস্য খুঁজে বের করতে ভোটারদের উদ্বুদ্ধ করতে হবে। ফ্যাসিবাদের নষ্ট করে দেওয়া প্রাতিষ্ঠানিক কাঠামোর সংস্কার সাধনের মাধ্যমে যারা রাষ্ট্র ও সমাজকে সেবা দিতে পারবে।

সুশাসনের জন্য নাগরিক (সুজন) খুলনা মহানগর শাখার সাধারণ সম্পাদক অ্যাডভোকেট কুদরত ই খুদা বলেন, গণঅভ্যুত্থান পরবর্তী ১০ মাস চলে গেছে। রাষ্ট্রের কাঠামোর সংস্কার ও সব অনিয়মের বিচার প্রক্রিয়া শুরু হওয়া যতটা দরকার ছিল, তা হয়নি। এ কাজে রাজনৈতিক দলগুলোর ভেতরে অনীহা আছে। তারা দ্রুত ক্ষমতায় যেতে চায়। সবারই ভিন্ন ভিন্ন এজেন্ডা আছে। চব্বিশের আন্দোলন ও জীবনহানি হয়েছিল সংস্কারের জন্য। সংস্কার ছাড়া নির্বাচন আমাদের আরো একশ’ বছর পিছিয়ে দেবে।

অসুস্থ জামায়াত আমিরের কিছু পরীক্ষার পরামর্শ চিকিৎসকদের

নারী আসন নিয়ে বিভ্রান্তিকর তথ্য প্রচার না করার আহ্বান জামায়াতের

বিএনপি ক্ষমতায় আসায় দ্রব্যমূল্য কমতে শুরু করেছে: বরকতউল্লা বুলু

শিবিরের জনশক্তিকে বৃহত্তর নেতৃত্বের যোগ্যতায় গড়ে তুলতে হবে

ভয়ের রাজত্ব কায়েম করার চেষ্টা করা হচ্ছে: আসিফ মাহমুদ

হঠাৎ অসুস্থ জামায়াত আমির

নতুন দায়িত্বে সারজিস আলম

আ.লীগের বিষয়ে জনগণকে সতর্ক থাকতে হবে: জামায়াত

পিলখানার ঘটনা ছিল সুপরিকল্পিত হত্যাকাণ্ড

রাষ্ট্রপতির আচরণ অগ্রহণযোগ্য: জামায়াত আমির